আজঃ ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - দুপুর ২:১৭

প্রতিযোগীতায় টিকতে না পারা মানুষগুলোই প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়

Published: সেপ্টে ১৫, ২০১৮ - ১২:১২ পূর্বাহ্ণ

সাজলু লস্কর::বাস্তব জীবনে প্রতিযোগীতায় টিকতে না পারা মানুুষগুলোই প্রতি-হিংসাপরায়ণ হয়।এই মানুষগুলো হীনমন্যতায় ভোগে। পরচর্চা ও পরনিন্দা করার অভ্যাস যুগ যুগ ধরে ছিল এবং আজও আছে  ভবিষৎতেও থাকবে,বিষয়টিকে এখন রীতিমত মানসিক ব্যাধি বলা যায়,ধরনীতে কিছু মানুষ থাকে এমনই,এরা কারো ভালো সহ্য করতে পারে না।

হিংসাপরায়ন মানুষ গুলো যখন প্রতিযোগীতায় হেরে যায় তখনই নানা ফন্দি ফিকির করতে থাকতে।তার মনে মনে একধরনের চাওয়া পাওয়ার স্পৃহা কাজ করে।যেমন ওর এটা আছে আমার নেই কেন,ওর সাথে সে কথা বললো আমার সাথে বললো না কেন।

হিংসা মানুষের অন্যতম একটি খারাপ গুণ। ইসলামে হিংসা কিংবা বিদ্বেষ পোষনকারীকে খুবই নিকৃষ্ট চোখে দেখা হয়েছে। হিংসা মানুষকে শুধুমাত্র প্রতিপন্নই করে না বরং হিংসুকের জীবন কখনই সুখের হয় না।

কেননা হিংসুক ব্যক্তি সবসময় সব জিনিসের অধিকারী হতে চায়। তার সর্বদা এই চেষ্টাই থাকে যে, অন্যের কাছে যা আছে তারচে তার জিনিসটা ভালো হওয়া চাই। আর এই হিংসুক ব্যক্তি সমাজের অন্যান্য সন্মানিত ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্বকে হেয় করার চেষ্টা করে।

কেননা তার দৃষ্টিতে সে একাই সমাজে সন্মানিত ব্যক্তি, বাকিরা সবাই তারচেয়ে নগন্য। এই কারণে বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তির পরিনাম সম্পর্কে আপনারা একটু লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন যে, তারা না আল্লাহতায়ালার দৃষ্টিতে ভালো আর না মানুষের দৃষ্টিতে।

হিংসুককে কেউ ভালো দৃষ্টিতে দেখে না। সবার মাঝে তার প্রতি একটা খারাপ ধারনা জন্ম নেয়- তার কর্মকাণ্ডের কারণে। সমাজের আর অন্য সবার সাথে বসবাস করলেও হিংসুক ব্যক্তি মানুষের মনে কোনো স্থান করে নিতে পারে না। হিংসার আগুনে সে নিজেই ছারখার হয়ে যায়।

যারা স্বপ্নবান তারা শততার শক্তিতে গর্জে ওঠে, রুখে দাঁড়ায়, জাগিয়ে তোলে হিংসা-রিরংসা-বিদ্বেষজাত অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কঠিন চেতনার আগুন।

লেখক:রোটারিয়ান সাজলু লস্কর,সম্পাদক ও প্রকাশক, সিলেট প্রতিদিন টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সাজলু লস্কর::বাস্তব জীবনে প্রতিযোগীতায় টিকতে না পারা মানুুষগুলোই প্রতি-হিংসাপরায়ণ হয়।এই মানুষগুলো হীনমন্যতায় ভোগে। পরচর্চা ও পরনিন্দা করার অভ্যাস যুগ যুগ ধরে ছিল এবং আজও আছে  ভবিষৎতেও থাকবে,বিষয়টিকে এখন রীতিমত মানসিক ব্যাধি বলা যায়,ধরনীতে কিছু মানুষ থাকে এমনই,এরা কারো ভালো সহ্য করতে পারে না।

হিংসাপরায়ন মানুষ গুলো যখন প্রতিযোগীতায় হেরে যায় তখনই নানা ফন্দি ফিকির করতে থাকতে।তার মনে মনে একধরনের চাওয়া পাওয়ার স্পৃহা কাজ করে।যেমন ওর এটা আছে আমার নেই কেন,ওর সাথে সে কথা বললো আমার সাথে বললো না কেন।

হিংসা মানুষের অন্যতম একটি খারাপ গুণ। ইসলামে হিংসা কিংবা বিদ্বেষ পোষনকারীকে খুবই নিকৃষ্ট চোখে দেখা হয়েছে। হিংসা মানুষকে শুধুমাত্র প্রতিপন্নই করে না বরং হিংসুকের জীবন কখনই সুখের হয় না।

কেননা হিংসুক ব্যক্তি সবসময় সব জিনিসের অধিকারী হতে চায়। তার সর্বদা এই চেষ্টাই থাকে যে, অন্যের কাছে যা আছে তারচে তার জিনিসটা ভালো হওয়া চাই। আর এই হিংসুক ব্যক্তি সমাজের অন্যান্য সন্মানিত ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্বকে হেয় করার চেষ্টা করে।

কেননা তার দৃষ্টিতে সে একাই সমাজে সন্মানিত ব্যক্তি, বাকিরা সবাই তারচেয়ে নগন্য। এই কারণে বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তির পরিনাম সম্পর্কে আপনারা একটু লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন যে, তারা না আল্লাহতায়ালার দৃষ্টিতে ভালো আর না মানুষের দৃষ্টিতে।

হিংসুককে কেউ ভালো দৃষ্টিতে দেখে না। সবার মাঝে তার প্রতি একটা খারাপ ধারনা জন্ম নেয়- তার কর্মকাণ্ডের কারণে। সমাজের আর অন্য সবার সাথে বসবাস করলেও হিংসুক ব্যক্তি মানুষের মনে কোনো স্থান করে নিতে পারে না। হিংসার আগুনে সে নিজেই ছারখার হয়ে যায়।

যারা স্বপ্নবান তারা শততার শক্তিতে গর্জে ওঠে, রুখে দাঁড়ায়, জাগিয়ে তোলে হিংসা-রিরংসা-বিদ্বেষজাত অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কঠিন চেতনার আগুন।

লেখক:রোটারিয়ান সাজলু লস্কর,সম্পাদক ও প্রকাশক, সিলেট প্রতিদিন টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর