আজঃ ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ৪:৫১

প্রেমের টানে ভারতীয় তরুণী বাংলাদেশে, অতঃপর…

Published: সেপ্টে ১৫, ২০১৮ - ৬:২৬ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন :: বাংলাদেশি যুবকের প্রেমে পড়ে দেশ ছেড়েছে এক ভারতীয় তরুণী। সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় যুবকের বাড়িতে ওঠে। এ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠকও হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় জামালপুর সীমান্তে ১৫২/৬(এস) সীমান্ত পিলারসংলগ্ন নোম্যান্সল্যান্ডে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পালিয়ে আসা সঞ্জনা বিশ্বাস (১৯) ভারতের পশ্চিমবাংলার নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার চরমেঘনা গ্রামের বিশ্বজিত বিশ্বাসের মেয়ে । আর বাংলাদেশি যুবক লাবু মিয়া কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্তসংলগ্ন জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, প্রেমের টানে ভারত সীমানা পেরিয়ে গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় তরুণী সঞ্জনা বিশ্বাস বাংলাদেশে চলে আসে।

এ ঘটনায় মেয়েটিকে ফেরত চেয়ে বিএসএফ বিজিবিকে পত্র দেয়। পত্র পেয়ে বিজিবি জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর বাড়ি গিয়ে ভারতীয় মেয়ের সন্ধান চাইলে পরিবারের লোকজন বিজিবিকে জানায় তারা বাড়ির কাউকে না জানিয়ে ঢাকায় চলে গেছে।

এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের চরমেঘনা ক্যাম্পের অধিনায়ক ইন্সপেক্টর বান কে সিং ও বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধীনস্থ প্রাগপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক নায়েক সুবেদার সুবোধ পাল। ৩০ মিনিটব্যাপী চলা বৈঠকে ভারতীয় তরুণী সন্ধান পেলে তাকে ফেরতের আশ্বাস দেয় বিজিবি।

মোবাইল ফোনে দুই দেশের তরুণ-তরুণীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এরই জেরে মেয়েটি ভারত থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশি যুবকের হাত ধরে ঢাকায় পাড়ি জমায়। তারা বিয়ে করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল মাস্টার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রেমের সম্পর্কের টানে মেয়েটি ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। জামালপুর গ্রামের লাবু মিয়ার সঙ্গে ঢাকায় চলে যায়।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন :: বাংলাদেশি যুবকের প্রেমে পড়ে দেশ ছেড়েছে এক ভারতীয় তরুণী। সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় যুবকের বাড়িতে ওঠে। এ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠকও হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় জামালপুর সীমান্তে ১৫২/৬(এস) সীমান্ত পিলারসংলগ্ন নোম্যান্সল্যান্ডে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পালিয়ে আসা সঞ্জনা বিশ্বাস (১৯) ভারতের পশ্চিমবাংলার নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার চরমেঘনা গ্রামের বিশ্বজিত বিশ্বাসের মেয়ে । আর বাংলাদেশি যুবক লাবু মিয়া কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্তসংলগ্ন জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, প্রেমের টানে ভারত সীমানা পেরিয়ে গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় তরুণী সঞ্জনা বিশ্বাস বাংলাদেশে চলে আসে।

এ ঘটনায় মেয়েটিকে ফেরত চেয়ে বিএসএফ বিজিবিকে পত্র দেয়। পত্র পেয়ে বিজিবি জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর বাড়ি গিয়ে ভারতীয় মেয়ের সন্ধান চাইলে পরিবারের লোকজন বিজিবিকে জানায় তারা বাড়ির কাউকে না জানিয়ে ঢাকায় চলে গেছে।

এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের চরমেঘনা ক্যাম্পের অধিনায়ক ইন্সপেক্টর বান কে সিং ও বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধীনস্থ প্রাগপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক নায়েক সুবেদার সুবোধ পাল। ৩০ মিনিটব্যাপী চলা বৈঠকে ভারতীয় তরুণী সন্ধান পেলে তাকে ফেরতের আশ্বাস দেয় বিজিবি।

মোবাইল ফোনে দুই দেশের তরুণ-তরুণীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এরই জেরে মেয়েটি ভারত থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশি যুবকের হাত ধরে ঢাকায় পাড়ি জমায়। তারা বিয়ে করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল মাস্টার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রেমের সম্পর্কের টানে মেয়েটি ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। জামালপুর গ্রামের লাবু মিয়ার সঙ্গে ঢাকায় চলে যায়।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর