আজঃ ৪ঠা পৌষ ১৪২৫ - ১৮ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ২:৩৯

নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের দুই কর্মী হত্যার বিচার দাবি

Published: মার্চ ১৪, ২০১৮ - ৫:২৬ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক :: নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে হেযবুত তওহীদের দুই কর্মীকে হত্যা, বাড়িঘর লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মো. আজমল হোসাইন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন হেযবুত তওহীদের সদস্য মো. মোফাজ্জল হোসাইন সরদার।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনের নেতাকর্মীরা নানাভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে স্থানীয় কিছু লোক হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়িতে আক্রমণ করে। সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় জনতাকে উত্তেজিত করে ব্যাপক হামলা চালানো হয়। চার পাঁচ ঘন্টাব্যাপী চলা এই হামলায় তাদের দুই কর্মী নৃশংসভাবে খুন হন। খুন করেও হামলাকারীরা ক্ষান্ত হয়নি, তাদেরকে জ্বলসে দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নৃশংস এ হত্যকান্ডের প্রায় দুই বছর হতে চললেও অধিকাংশ আসামি এখনো আইনের আওতায় আসেনি। যারা গ্রেফতার হয়েছিল তারা জামিনে বের হয়ে এসে আবারো ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার নেপথ্য নায়কদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য সংবাদ সম্মেলনে দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি হেযবুত তওহীদ সদস্যদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনবার্সনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈমুর রহমান, সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সেলিম উদ্দিন আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার সভাপতি শহীদুল ইসলাম ও বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি দুদু মিয়া।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক :: নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে হেযবুত তওহীদের দুই কর্মীকে হত্যা, বাড়িঘর লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মো. আজমল হোসাইন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন হেযবুত তওহীদের সদস্য মো. মোফাজ্জল হোসাইন সরদার।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনের নেতাকর্মীরা নানাভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে স্থানীয় কিছু লোক হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়িতে আক্রমণ করে। সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় জনতাকে উত্তেজিত করে ব্যাপক হামলা চালানো হয়। চার পাঁচ ঘন্টাব্যাপী চলা এই হামলায় তাদের দুই কর্মী নৃশংসভাবে খুন হন। খুন করেও হামলাকারীরা ক্ষান্ত হয়নি, তাদেরকে জ্বলসে দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নৃশংস এ হত্যকান্ডের প্রায় দুই বছর হতে চললেও অধিকাংশ আসামি এখনো আইনের আওতায় আসেনি। যারা গ্রেফতার হয়েছিল তারা জামিনে বের হয়ে এসে আবারো ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার নেপথ্য নায়কদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য সংবাদ সম্মেলনে দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি হেযবুত তওহীদ সদস্যদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনবার্সনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈমুর রহমান, সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সেলিম উদ্দিন আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার সভাপতি শহীদুল ইসলাম ও বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি দুদু মিয়া।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর