আজঃ ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ১০:০৭

মুনির-তপন-জুয়েল ছিল সিলেটের প্রগতিশীল রাজনীতির ধারক

Published: সেপ্টে ২৪, ২০১৮ - ৫:১৩ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন::বর্তমান সময়ে সিলেট জামাতের একটা ঘাটি হিসেবে গড়ে উঠলেও ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের আগে পর্যন্ত সিলেটে জামাতের তেমন কোনো অবস্থানই ছিলো না। তখন প্রগতিশীলরাই সিলেটকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। সিলেটে জাসদ ছাত্রলীগের রমরমা দিন ছিলো। ছাত্রলীগও জাসদের সামনে দাঁড়ানোর খুব একটা সাহস পেতো না। পুরো শহরেরই নিয়ন্ত্র্রণ তখন একচ্ছত্রভাবে জাসদ ছাত্রলীগের হাতে ছিলো।

সেই সময়ে, সময়টা ১৯৮৮ সাল, কোনঠাসা জামাত সিলেটে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার জন্য ছাত্রশিবিরকে খুনের রাজনীতিতে লেলিয়ে দেয়। আর সিলেটে প্রথম খুনের রাজনীতিরও সুচনা করে একাত্তরের ঘাতক রাজাকার জামাতের উত্তরসুরি ইসলামি ছাত্রশিবির। একেবারে কোনঠাসা জামাতশিবির সিলেটে নিজেদের অবস্থান করে নিতে ১৯৮৮ সালের একই দিনে খুন করে জাসদ ছাত্রলীগের তিন অকুতোভয় সৈনিক মুনির তপন ও জুয়েলকে।

এই তিনজনের অপরাধ ছিলো, তারা সিলেটে জামাত শিবিরের অবস্থানের বিপক্ষে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।তখন জাসদ ছাত্রলীগ সিলেট শহর থেকে শিবির উৎখাত করার পরিকল্পনা নেয়। কিন্তু শিবিরের নারকীয় তাণ্ডবলীলার কাছে তারা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জাসদ ছাত্রলীগের দুর্গে চরম আঘাত করে সিলেটে খুনের রাজনীতির শুরু ও নিজেদের অবস্থান করে নেয় জামাত শিবির ১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। একদিনেই জাসদ ছাত্রলীগের নিবেদিতপ্রাণ মুনির, তপন ও জুয়েল এই তিন কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে পিশাচরা। সেই সময়ে শিবিরের তান্ডবে সিলেট নগরীতে আহত হয় অনেকেই।

বর্তমানে সিলেট নগরীতে জামাত শিবিরের অবস্থান কেমন তা রাজনীতি সচেতনরাই বলতে পারবেন। আওয়ামীলীগ বা বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠ দখলের লড়াইয়ে সিলেটে পিছিয়ে নেই শিবির। যুদ্ধাপরাধীর বিচার চলাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিদিনই জামাত শিবির সিলেটে কোনো না কোনো কর্মসুচি পালন করছে। বর্তমানে সিলেটে যারা জামাতকে নেতৃত্ত্ব দিচ্ছে অথবা শিবিরের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছে তারা অনেকেই সিলেটের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী, এবং এই প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ীদের অনেকেই মুনির তপন জুয়েলের খুনী। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর মনির তপন জুয়েলের খুনীরা সিলেটে ব্যবসায়িকভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নেয়। তারা নিজস্ব ক্যাডারবাহিনী ব্যবহার করে সিলেটের যত্রতত্র হিন্দু সম্প্রদায় ও দরিদ্র মানুষের জমি দখল করতে শুরু করে।

সিলেটে এখন অনেক বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্টান ও প্রায় সব হাউজিংয়েরই মালিক বনে গেছে মুনির তপন জুয়েলের খুনী সহ জামাতিরা।

এখনও সিলেট শহরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তপন, মুনির, জুয়েলের খূনিরা।

তথ্য সংগ্রহ:সচলায়ন

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন::বর্তমান সময়ে সিলেট জামাতের একটা ঘাটি হিসেবে গড়ে উঠলেও ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের আগে পর্যন্ত সিলেটে জামাতের তেমন কোনো অবস্থানই ছিলো না। তখন প্রগতিশীলরাই সিলেটকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। সিলেটে জাসদ ছাত্রলীগের রমরমা দিন ছিলো। ছাত্রলীগও জাসদের সামনে দাঁড়ানোর খুব একটা সাহস পেতো না। পুরো শহরেরই নিয়ন্ত্র্রণ তখন একচ্ছত্রভাবে জাসদ ছাত্রলীগের হাতে ছিলো।

সেই সময়ে, সময়টা ১৯৮৮ সাল, কোনঠাসা জামাত সিলেটে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার জন্য ছাত্রশিবিরকে খুনের রাজনীতিতে লেলিয়ে দেয়। আর সিলেটে প্রথম খুনের রাজনীতিরও সুচনা করে একাত্তরের ঘাতক রাজাকার জামাতের উত্তরসুরি ইসলামি ছাত্রশিবির। একেবারে কোনঠাসা জামাতশিবির সিলেটে নিজেদের অবস্থান করে নিতে ১৯৮৮ সালের একই দিনে খুন করে জাসদ ছাত্রলীগের তিন অকুতোভয় সৈনিক মুনির তপন ও জুয়েলকে।

এই তিনজনের অপরাধ ছিলো, তারা সিলেটে জামাত শিবিরের অবস্থানের বিপক্ষে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।তখন জাসদ ছাত্রলীগ সিলেট শহর থেকে শিবির উৎখাত করার পরিকল্পনা নেয়। কিন্তু শিবিরের নারকীয় তাণ্ডবলীলার কাছে তারা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জাসদ ছাত্রলীগের দুর্গে চরম আঘাত করে সিলেটে খুনের রাজনীতির শুরু ও নিজেদের অবস্থান করে নেয় জামাত শিবির ১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। একদিনেই জাসদ ছাত্রলীগের নিবেদিতপ্রাণ মুনির, তপন ও জুয়েল এই তিন কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে পিশাচরা। সেই সময়ে শিবিরের তান্ডবে সিলেট নগরীতে আহত হয় অনেকেই।

বর্তমানে সিলেট নগরীতে জামাত শিবিরের অবস্থান কেমন তা রাজনীতি সচেতনরাই বলতে পারবেন। আওয়ামীলীগ বা বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠ দখলের লড়াইয়ে সিলেটে পিছিয়ে নেই শিবির। যুদ্ধাপরাধীর বিচার চলাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিদিনই জামাত শিবির সিলেটে কোনো না কোনো কর্মসুচি পালন করছে। বর্তমানে সিলেটে যারা জামাতকে নেতৃত্ত্ব দিচ্ছে অথবা শিবিরের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছে তারা অনেকেই সিলেটের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী, এবং এই প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ীদের অনেকেই মুনির তপন জুয়েলের খুনী। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর মনির তপন জুয়েলের খুনীরা সিলেটে ব্যবসায়িকভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নেয়। তারা নিজস্ব ক্যাডারবাহিনী ব্যবহার করে সিলেটের যত্রতত্র হিন্দু সম্প্রদায় ও দরিদ্র মানুষের জমি দখল করতে শুরু করে।

সিলেটে এখন অনেক বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্টান ও প্রায় সব হাউজিংয়েরই মালিক বনে গেছে মুনির তপন জুয়েলের খুনী সহ জামাতিরা।

এখনও সিলেট শহরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তপন, মুনির, জুয়েলের খূনিরা।

তথ্য সংগ্রহ:সচলায়ন

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর