আজঃ ৪ঠা পৌষ ১৪২৫ - ১৮ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ২:৪০

জীবিত উদ্ধার হলেন রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ২ শিক্ষার্থী

Published: মার্চ ১৩, ২০১৮ - ১:৫২ পূর্বাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান যাত্রীদের মধ্যে উদ্ধার হওয়া ১৯ যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ২ নেপালি শিক্ষার্থী। এমটাই কলেজ থেকে প্রাপ্ত তালিকা ও ইউএস-বাংলার প্রকাশিত জীবিত যাত্রীদের তালিকায় পাওয়া গেছে।

সোমবার সন্ধ্যায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ এর জানানো জীবিত ১৯ জন যাত্রীর মধ্যে প্রিন্সি ধামী ও সামিনা বেনজারখার নামের দুইজন শিক্ষার্থী নামও দেখা যায়। তারা উভয়ই জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী।

দুর্ঘটনায় আহতদের নেপালের ৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এই বিমানে যাত্রী ছিলেন রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, সামিনা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিন্সি ধামী।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট টার্বোপ্রোপ বিমানটি ৬৭ আরোহী ও চার ক্রু নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ পুরুষ, ২৭ নারী ও দুই শিশু ছিল। এদের মধ্যে অন্তত ৩৩ জন নেপালের নাগরিক।’ তাদের মধ্যে ১৯জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া যাত্রীরা হলেন- ইমরানা কবির হাসি, কবির হোসেন, মেহেদী হাসান, রিজওয়ানা আব্দুল্লাহ সাঈদা, কামরুন নাহার স্বর্ণা, শাহরিন আহমেদ, মো. শাহীন বেপারি, মো. রিজওয়ানুল হক, কিশোর ত্রিপাটি, হরিপ্রসাদ সুবেদী, দয়ারাম তামরাকার, কিষাণ পান্ডে, আশিস রঞ্জিত, বিনোদ পৌদাল, সনম সখ্য, দিনেশ হুমাগাইন ও বসন্ত বহরা।

উল্লেখ্য – ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বারডায়ার ড্যাশ-৮ বিমানটি দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এতে আগুন ধরে যায়।

নেপালের বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক সানজিব গৌতম বলেন, বিমানটির পাইলটকে বিমানবন্দরের দক্ষিণ-প্রান্ত থেকে রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিমানবন্দরের উত্তর অংশ থেকে বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করে পাইলট। এ সময় হঠাৎ বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। পরে বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে বিমানটি।

বিমান বিধ্বস্তের পরপরই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল, সেনাবাহিনী ও অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়। বিমানবন্দরের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, বিমানটি বিধ্বস্তের আগে আকাশে কাঁপতে শুরু করে।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান যাত্রীদের মধ্যে উদ্ধার হওয়া ১৯ যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ২ নেপালি শিক্ষার্থী। এমটাই কলেজ থেকে প্রাপ্ত তালিকা ও ইউএস-বাংলার প্রকাশিত জীবিত যাত্রীদের তালিকায় পাওয়া গেছে।

সোমবার সন্ধ্যায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ এর জানানো জীবিত ১৯ জন যাত্রীর মধ্যে প্রিন্সি ধামী ও সামিনা বেনজারখার নামের দুইজন শিক্ষার্থী নামও দেখা যায়। তারা উভয়ই জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী।

দুর্ঘটনায় আহতদের নেপালের ৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এই বিমানে যাত্রী ছিলেন রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, সামিনা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিন্সি ধামী।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট টার্বোপ্রোপ বিমানটি ৬৭ আরোহী ও চার ক্রু নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ পুরুষ, ২৭ নারী ও দুই শিশু ছিল। এদের মধ্যে অন্তত ৩৩ জন নেপালের নাগরিক।’ তাদের মধ্যে ১৯জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া যাত্রীরা হলেন- ইমরানা কবির হাসি, কবির হোসেন, মেহেদী হাসান, রিজওয়ানা আব্দুল্লাহ সাঈদা, কামরুন নাহার স্বর্ণা, শাহরিন আহমেদ, মো. শাহীন বেপারি, মো. রিজওয়ানুল হক, কিশোর ত্রিপাটি, হরিপ্রসাদ সুবেদী, দয়ারাম তামরাকার, কিষাণ পান্ডে, আশিস রঞ্জিত, বিনোদ পৌদাল, সনম সখ্য, দিনেশ হুমাগাইন ও বসন্ত বহরা।

উল্লেখ্য – ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বারডায়ার ড্যাশ-৮ বিমানটি দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এতে আগুন ধরে যায়।

নেপালের বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক সানজিব গৌতম বলেন, বিমানটির পাইলটকে বিমানবন্দরের দক্ষিণ-প্রান্ত থেকে রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিমানবন্দরের উত্তর অংশ থেকে বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করে পাইলট। এ সময় হঠাৎ বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। পরে বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে বিমানটি।

বিমান বিধ্বস্তের পরপরই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল, সেনাবাহিনী ও অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়। বিমানবন্দরের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, বিমানটি বিধ্বস্তের আগে আকাশে কাঁপতে শুরু করে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর