আজঃ ১লা কার্তিক ১৪২৫ - ১৬ই অক্টোবর ২০১৮ - দুপুর ১২:৫৪

কাল থেকে তাহিরপুরে বসছে দু’ধর্মের ভক্তদের মিলন মেলা

Published: মার্চ ১৩, ২০১৮ - ৮:২০ অপরাহ্ণ

রাজন চন্দ, তাহিরপুর :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউডেরগড় সীমান্তবর্তী এলাকায় আগামীকাল বুধবার (১৪ই মার্চ) বসছে দু’ধর্মের ভক্তদের মিলন মেলা। মূলত এই মিলন মেলা বসে হযরত শাহ্‌ আরেফিন (র) ওরস মোবারক এবং শ্রীশ্রী অদ্বৈত প্রভুর জন্মধামে দিবস উপলক্ষ্যে।

বুধবার থেকে ৩ দিনব্যাপী এই মিলন মেলায় অংশ নিবেন দেশ ও দেশের বাহির থেকে লক্ষাধিক ধর্ম ভক্তরা।
আগামী বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা বিকেল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত গঙ্গাস্নান ও বারুণী মেলা শুরু হবে যাদুকাটা নদীতে।

দু ধর্মের দু,টি উৎসবকে কেন্দ্র করে তাহিরপুর উপজেলা জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
এদিকে- প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এ দু’টি উৎসবকে ঘিরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে শ্রীশ্রী অদ্বৈত প্রভুর মন্দির, সীমান্ত নদী যাদুকাটায় এবং সীমান্তঘেষা লাউড়েরগড় শাহ আরেফিন (র.) আস্তানায়। গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গাস্নান ও ওরসকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ জমায়েত হয়েছেন পৃথক দুটি স্থানে।

অপরদিকে- একই সময়ে দুই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে আসা পূন্যার্থীরা প্রতি বছরই চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ভাড়া, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকগণের দ্বারা প্রতারণার শিকার হন। গঙ্গাস্নান এবং শাহ্‌ আরেফিন (র.) ওরস উপলক্ষে উৎসবের তিনদিন এবং আগে ও পরের ৫ দিন সুনামগঞ্জ থেকে যাদুকাটা নদীর পাড় ও লাউড়েরগড় পর্যন্ত, একইভাবে মধ্যনগর থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত, সুরমা নদীর বিভিন্ন খেয়াঘাটে, তাহিরপুর উপজেলার সুলেমানপুরে একই নদীর দুই খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হয়।

বাদাঘাটের পাতারগাঁওয়ে সড়কের একটি অংশে চাঁদাবাজি হয়। বীরেন্দ্রনগর থেকে বড়ছড়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা আদায় হয়। কাউকান্দি বাজার এলাকায় কাঁচা রাস্তায় চাঁদা আদায়ের শিকার হন মোটর সাইকেল যাত্রীরা।

সীমান্ত সড়ক দিয়ে আসা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার পূন্যার্থীরা চাঁদাবাজদের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দিয়েই গঙ্গাস্নান ও শাহ আরেফিন (র.) আস্তানায় ওরস এলাকায় পৌঁছান।

এসব স্থানে যেন চাঁদাবাজি না হয় সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ বছর মেলা ও গঙ্গাস্নান উৎসবে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব সিলেট প্রতিদিনকে জানান, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও পরিবহন চালকদের হয়রানি রোধে প্রত্যেক এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও বিশেষ বিশেষ জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।

Facebook Comments

রাজন চন্দ, তাহিরপুর :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউডেরগড় সীমান্তবর্তী এলাকায় আগামীকাল বুধবার (১৪ই মার্চ) বসছে দু’ধর্মের ভক্তদের মিলন মেলা। মূলত এই মিলন মেলা বসে হযরত শাহ্‌ আরেফিন (র) ওরস মোবারক এবং শ্রীশ্রী অদ্বৈত প্রভুর জন্মধামে দিবস উপলক্ষ্যে।

বুধবার থেকে ৩ দিনব্যাপী এই মিলন মেলায় অংশ নিবেন দেশ ও দেশের বাহির থেকে লক্ষাধিক ধর্ম ভক্তরা।
আগামী বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা বিকেল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত গঙ্গাস্নান ও বারুণী মেলা শুরু হবে যাদুকাটা নদীতে।

দু ধর্মের দু,টি উৎসবকে কেন্দ্র করে তাহিরপুর উপজেলা জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
এদিকে- প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এ দু’টি উৎসবকে ঘিরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে শ্রীশ্রী অদ্বৈত প্রভুর মন্দির, সীমান্ত নদী যাদুকাটায় এবং সীমান্তঘেষা লাউড়েরগড় শাহ আরেফিন (র.) আস্তানায়। গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গাস্নান ও ওরসকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ জমায়েত হয়েছেন পৃথক দুটি স্থানে।

অপরদিকে- একই সময়ে দুই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে আসা পূন্যার্থীরা প্রতি বছরই চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ভাড়া, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকগণের দ্বারা প্রতারণার শিকার হন। গঙ্গাস্নান এবং শাহ্‌ আরেফিন (র.) ওরস উপলক্ষে উৎসবের তিনদিন এবং আগে ও পরের ৫ দিন সুনামগঞ্জ থেকে যাদুকাটা নদীর পাড় ও লাউড়েরগড় পর্যন্ত, একইভাবে মধ্যনগর থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত, সুরমা নদীর বিভিন্ন খেয়াঘাটে, তাহিরপুর উপজেলার সুলেমানপুরে একই নদীর দুই খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হয়।

বাদাঘাটের পাতারগাঁওয়ে সড়কের একটি অংশে চাঁদাবাজি হয়। বীরেন্দ্রনগর থেকে বড়ছড়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা আদায় হয়। কাউকান্দি বাজার এলাকায় কাঁচা রাস্তায় চাঁদা আদায়ের শিকার হন মোটর সাইকেল যাত্রীরা।

সীমান্ত সড়ক দিয়ে আসা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার পূন্যার্থীরা চাঁদাবাজদের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দিয়েই গঙ্গাস্নান ও শাহ আরেফিন (র.) আস্তানায় ওরস এলাকায় পৌঁছান।

এসব স্থানে যেন চাঁদাবাজি না হয় সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ বছর মেলা ও গঙ্গাস্নান উৎসবে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব সিলেট প্রতিদিনকে জানান, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও পরিবহন চালকদের হয়রানি রোধে প্রত্যেক এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও বিশেষ বিশেষ জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর