আজঃ ৩রা পৌষ ১৪২৫ - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১৮ - দুপুর ১২:৩৭

মৌলভীবাজারে যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যু; জানাজায় বাধা

Published: মার্চ ০২, ২০১৮ - ৯:১৮ অপরাহ্ণ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ::আন্তার্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে আমৃত্যু কারানন্ড প্রাপ্ত মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার যুদ্ধাপরাধী সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফ (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখীন হয়েছে মৃত যুদ্ধাপরাধীর জানাজা।

বৃহস্পতিবার (১লা মার্চ) রাতে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলেও পরিবার তা গোপন রাখে। শুক্রবার ( ২রা মার্চ) জুমার নামাজের পর উপজেলার কর্ণিগ্রামে জানাযার নামাজের আয়োজন করতে চাইলে এলাকাবাসী তাতে বাধা দেয়।

সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফ রাজনগর সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা গ্রামের মৃত আত্তর মিয়া তরফদারের ছেলে। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ১৯৭১ সালের যুদ্ধপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি।

জানা যায়,  উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আছকির খান এই যুদ্ধপরাধীর জানাজার খবর পেয়ে তাতে বাধা দেন। পরে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে জানাযা শেষে রাজনগর থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এব্যাপারে রাজনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. আছকির খান বলেন, সে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী। তার জানাযায় থাকা আমার ও আমার এলাকাবাসীর জন্য মানহানীকর। তাই আমি জানাজায় বাধা দিয়েছি।

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক জানান, সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সামছুল হোসেন তরফদার দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিল। শুক্রবার তার মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,  চলতি বছরের ১০ জানুয়ারী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল রাজনগর উপজেলার যুদ্ধাপরাধী সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে জড়িত থাকার ৫টি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আমৃত্যু কারাদন্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় সামছুল হোসেন তরফদার পলাতক ছিলেন

Facebook Comments

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ::আন্তার্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে আমৃত্যু কারানন্ড প্রাপ্ত মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার যুদ্ধাপরাধী সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফ (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখীন হয়েছে মৃত যুদ্ধাপরাধীর জানাজা।

বৃহস্পতিবার (১লা মার্চ) রাতে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলেও পরিবার তা গোপন রাখে। শুক্রবার ( ২রা মার্চ) জুমার নামাজের পর উপজেলার কর্ণিগ্রামে জানাযার নামাজের আয়োজন করতে চাইলে এলাকাবাসী তাতে বাধা দেয়।

সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফ রাজনগর সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা গ্রামের মৃত আত্তর মিয়া তরফদারের ছেলে। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ১৯৭১ সালের যুদ্ধপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি।

জানা যায়,  উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আছকির খান এই যুদ্ধপরাধীর জানাজার খবর পেয়ে তাতে বাধা দেন। পরে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে জানাযা শেষে রাজনগর থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এব্যাপারে রাজনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. আছকির খান বলেন, সে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী। তার জানাযায় থাকা আমার ও আমার এলাকাবাসীর জন্য মানহানীকর। তাই আমি জানাজায় বাধা দিয়েছি।

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক জানান, সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সামছুল হোসেন তরফদার দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিল। শুক্রবার তার মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,  চলতি বছরের ১০ জানুয়ারী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল রাজনগর উপজেলার যুদ্ধাপরাধী সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে জড়িত থাকার ৫টি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আমৃত্যু কারাদন্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় সামছুল হোসেন তরফদার পলাতক ছিলেন

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর