আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - বিকাল ৩:৪৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে অনুমতি দিলে আমি আপনাদের নিয়ে নির্বাচন করব..মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ

Published: মার্চ ১৪, ২০১৭ - ১১:০০ পূর্বাহ্ণ

sylpro24sylpro24
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি পেলে সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হতে চান দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।
সোমবার ফেঞ্চুগঞ্জে আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমনটি বলেন মিসবাহ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সাংসদ মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে মিসবাহ সিরাজকে প্রার্থী হওয়ার আহ্বান জানান।
জবাবে অনুষ্ঠানের মূল বক্তা মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন- আপনাদের দুঃখ, ক্ষোভ শোনে মর্মাহত হয়েছি। আপনারা আমাকে সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে চাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে অনুমতি দিলে আমি আপনাদের নিয়ে নির্বাচন করব।
ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ উপজেলার ডাকবাংলোতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক এবিএম কিবরিয়া ময়নুলের পরিচালনায় ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সভাপতি এস এম বদরুল ইসলামের সভাপতিত্ব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য এ জেড রওশন জেবিন রুবা।
এ অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, আপনাদের এত অভিযোগ, ক্ষোভ জমা আছে তা এখানে না আসলে বুঝতে পারতাম না। আপনারা এখান থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, রাজাকারের রক্তের বিপক্ষে পরিষ্কার অবস্থান নিন আমাদের সর্বাত্মক সহযোগীতা থাকবে। এদেশে রাজাকারের বিচার হচ্ছে আরো হবে। রাজাকারের বংশধর আলবদর শামস বাহিনীর অনুসরণকারী আওয়ামীলীগে স্থান পাবেনা। আগামী প্রতিনিধি সম্মেলনে এ ব্যাপারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দক্ষিন সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহেদ বলেন- ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সবার আগে রাজাকার মুক্ত হতে হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শোক প্রস্তাব পেশ করে সুরা ফাতিহা পড়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে ফেঞ্চুগঞ্জের শতাধিক মুক্তিযোদ্ধাদের নাম উল্লেখ করে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। এসময় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল লতিফ, আলা উদ্দীন আলাই পীর, নুরুল হোসেন চঞ্চলসহ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রাক্তন ভিপি সাংবাদিক শাহ মুজিবুর রহমান জকন ফেঞ্চুগঞ্জের রাস্তা ঘাটের দুরবস্থা তুলে ধরে বলেন- কার ইশারায় ফেঞ্চুগঞ্জকে আফ্রিকা বানিয়ে রাখা হয়েছে তা এখন দেখার সময়, আগামীতে সঠিক ব্যক্তি না পেলে সিলেট-৩ আসনে নির্বাচন বয়কটের আহবান জানান তিনি। এসময় উপস্থিত জনতা সমর্থন জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- মোগলা বাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম শাইস্তা, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার প্রাক্তন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রইস আলী, এডিশনাল পিপি এডভোকেট শামসুল ইসলাম, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক শিব্বির আহমেদ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহিল আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাক্তন সভাপতি সাব্বির আহমেদ।
Facebook Comments
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি পেলে সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হতে চান দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।
সোমবার ফেঞ্চুগঞ্জে আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমনটি বলেন মিসবাহ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সাংসদ মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে মিসবাহ সিরাজকে প্রার্থী হওয়ার আহ্বান জানান।
জবাবে অনুষ্ঠানের মূল বক্তা মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন- আপনাদের দুঃখ, ক্ষোভ শোনে মর্মাহত হয়েছি। আপনারা আমাকে সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে চাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে অনুমতি দিলে আমি আপনাদের নিয়ে নির্বাচন করব।
ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ উপজেলার ডাকবাংলোতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক এবিএম কিবরিয়া ময়নুলের পরিচালনায় ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সভাপতি এস এম বদরুল ইসলামের সভাপতিত্ব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য এ জেড রওশন জেবিন রুবা।
এ অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, আপনাদের এত অভিযোগ, ক্ষোভ জমা আছে তা এখানে না আসলে বুঝতে পারতাম না। আপনারা এখান থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, রাজাকারের রক্তের বিপক্ষে পরিষ্কার অবস্থান নিন আমাদের সর্বাত্মক সহযোগীতা থাকবে। এদেশে রাজাকারের বিচার হচ্ছে আরো হবে। রাজাকারের বংশধর আলবদর শামস বাহিনীর অনুসরণকারী আওয়ামীলীগে স্থান পাবেনা। আগামী প্রতিনিধি সম্মেলনে এ ব্যাপারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দক্ষিন সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহেদ বলেন- ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সবার আগে রাজাকার মুক্ত হতে হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শোক প্রস্তাব পেশ করে সুরা ফাতিহা পড়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে ফেঞ্চুগঞ্জের শতাধিক মুক্তিযোদ্ধাদের নাম উল্লেখ করে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। এসময় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল লতিফ, আলা উদ্দীন আলাই পীর, নুরুল হোসেন চঞ্চলসহ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রাক্তন ভিপি সাংবাদিক শাহ মুজিবুর রহমান জকন ফেঞ্চুগঞ্জের রাস্তা ঘাটের দুরবস্থা তুলে ধরে বলেন- কার ইশারায় ফেঞ্চুগঞ্জকে আফ্রিকা বানিয়ে রাখা হয়েছে তা এখন দেখার সময়, আগামীতে সঠিক ব্যক্তি না পেলে সিলেট-৩ আসনে নির্বাচন বয়কটের আহবান জানান তিনি। এসময় উপস্থিত জনতা সমর্থন জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- মোগলা বাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম শাইস্তা, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার প্রাক্তন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রইস আলী, এডিশনাল পিপি এডভোকেট শামসুল ইসলাম, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক শিব্বির আহমেদ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহিল আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাক্তন সভাপতি সাব্বির আহমেদ।
Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর