আজঃ ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ১০:০৬

ছাত্রলীগের ইতিহাস, বাঙালির ইতিহাস -এস এম জাকির হোসাইন

Published: ফেব্রু ২৭, ২০১৭ - ৯:৩১ অপরাহ্ণ

sylpro24sylpro24
ছাত্রলীগের ইতিহাস, বাঙালির ইতিহাস ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ বাঙালি জাতির বিনির্মাণে তার শোণিতে কীভাবে মিশে আছে তা বোঝাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বাণীই যথেষ্ট। অন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আজও সেই কর্মময় দিনসমূহ জারি রেখেছে। দেশ রক্ষা ও গঠনে তারা আজও অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা রেখে চলেছে। এই প্রহরীদের বর্তমান কাণ্ডারীদ্বয়ের অন্যতম এস এম জাকির হোসাইন।
তার সম্পর্কে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন ‘এস এম জাকির হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে আমার অত্যন্ত প্রিয় মেধাবী প্রাক্তন ছাত্র। নম্র ও বিনয়ী হিসেবে সর্বমহলে তার খ্যাতি রয়েছে। সে একজন সুবক্তাও।’ ১৭ ফেব্রুয়ারি যখন তিনি তার আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বইটি উপহার হিসেবে দিলেন, তার ব্যবহারে অভিভূত হয়েছি।
তরুণদের মধ্যে বইপ্রীতি-জ্ঞানপ্রীতির ক্রমশ বিকাশমান ধারা লক্ষ করা যাচ্ছে। এস এম জাকিরের এই ইতিহাস নির্ভর গবেষণা গ্রন্থটি সেই ধারায় এক বিশিষ্ট সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এক গৌরবময় অংশীদার। এটি দেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সকল দুঃসময়ে ও গৌরবময় অর্জনে এ সংগঠনের ভূমিকা রয়েছে।
জাকির হোসাইন তার বইটি ১৯ টি অধ্যায়ে বিন্যাস্ত করেছেন। অধ্যায়গুলোর শিরোনাম ছাত্র-সংগঠনের ইতিহাস, ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পূর্বকথা, ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ও আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের কর্মী শেখ হাসিনা, বাঙালির ম্যাগনাকার্টা ছয়দফা বাস্তবায়নে, আগরতলা মামলা ও ছাত্রলীগ, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচন ও ছাত্রলীগ, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ৭৫-পরবর্তী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা।
৯৮ সালের বন্যায় ছাত্রলীগের ভূমিকা, শামসুন্নাহার হলে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ছাত্রলীগ, শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কর্মী হিসেবে ছাত্রলীগ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ: সময়ের প্রয়োজনে।
ভারতীয় উপমহাদেশে ছাত্ররাজনীরি সূচনা কীভাবে হয়েছে লেখক তার ঐতিহাসিক পরিচয় লিপিবদ্ধ করেছেন ছাত্রসংগঠনের ইতিহাস অধ্যায়ের মধ্যে। ফ্রান্সে রাজতন্ত্র উচ্ছেদকারী জুলাই বিপ্লব কলকাতার ছাত্র-তরুণদের মধ্যে কীভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, ছাত্র-সংগঠন ও সচেতনতা সৃষ্টিতে শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর অবদান, ‘জ্ঞানোপর্জিকা সভা’র ভূমিকা, ‘দেশ হিতৈষণী সভা’র কর্মকা-, ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন’, ‘ব্রিটিশ বেঙ্গল ইন্ডিয়া সোসাইটি’, স্বদেশী আন্দোলন, ‘অ্যান্টি সার্কুলার সোসাইটি’ প্রভৃতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও কর্মতৎপরতার পরিচয় তুলে ধরেছেন।
 দেশ বিভাগের পর থেকে পাকিস্তানিরা যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে এবং তারই প্রতিবাদে সচেতন হয়ে উঠতে থাকে এদেশের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, তরুণ-ছাত্র সমাজ, ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পূর্বকথা অধ্যায়ের মধ্যে সেই সময়-সমাজের নানান চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে। সেই সাথে ছাত্রলীগ নামক সংগঠনটির জন্ম প্রেক্ষাপটটিকেও বিস্তৃতভাবে আলোচনা করেছেন। ভাষা আন্দোলনে ছাত্রলীগ অংশের মধ্যে বিস্তৃতভাবে ভাষা আন্দোলন-সংগ্রামের চিত্র, পাকবাহিনীর দমন-পীড়ন, জন সংগ্রাম ও ছাত্রলীগের অবদানের কথা আলোচিত হয়েছে।
এছাড়া তমদ্দুন মজলিস, রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ, জিন্নাহ-নাজিমুদ্দীনের ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর অনশন ও ধর্মঘট, শহিদদের আত্মদান, রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি, আন্তর্জাতিক ভাষার গৌরব অর্জনসহ নানা বিষয়ের বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিপুল বিজয়ে রাজনীতির সমগ্র সমীকরণ দ্রুত বদলাতে শুরু করে। এ ফ্রন্টকে জনপ্রিয় ও বিজয়ীরূপে আবির্ভূত করবার পেছনে বড় অবদান ছিলো ছাত্রলীগের। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ছাত্রলীগের ভূমিকা অধ্যায়ের মধ্যে এ বিষয়ের বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনার রাজনীতির হাতেখড়ি, রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ, স্কুলে পড়াকালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে আন্দোলন, ইডেন কলেজ ছাত্রলীগে তার অবদান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের, রোকেয়া হলের রাজনীতিতে তার ভূমিকা, রাজনীতির অবস্থা, ভবিষ্যৎ রাজিনীতির মিশন-ভীষণ আলোচিত হয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী শেখ হাসিনা অধ্যায়ে। ছয়দফার প্রয়োজন, প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধুর আপোষহীন-লড়াকু মানসিকতা সর্বোপরি বাঙালির মুক্তির সনদ বাস্তবায়নে ছাত্রলীগের ভূমিকার বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে বাঙালির ম্যাগনাকার্টা ছয়দফা বাস্তবায়নে ছাত্রলীগ অধ্যায়ে।
ছাত্রলীগের গৌরবময় অবদান রয়েছে বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধে, সে বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগ অধ্যায়ে। ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে আলাপ করা হয়েছে ৭৫-পরবর্তী স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা ও সে সময়ের বৈরী পরিস্থিতি, ৯৮ সালের বন্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শামসুন্নাহার হলে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের দুর্বার সংগ্রাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্দোলন-সমাবেশ, শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে রাজপথে ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কর্মী হিসেবে ছাত্রলীগের করণীয় বিষয়সমূহ।
আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গ্রন্থটি আমাদের ইতিহাসের এক বিশেষ সংযোজন। ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন, ‘বইটির ভাষা সহজ-সরল। ছাত্র ও তরুণদের জন্য এটি পাঠ করা আবশ্যক হবে, নিঃসন্দেহে তা বলা যায়।’
তথ্যসূত্রঃদৈনিক ইত্তেফাক
Facebook Comments
ছাত্রলীগের ইতিহাস, বাঙালির ইতিহাস ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ বাঙালি জাতির বিনির্মাণে তার শোণিতে কীভাবে মিশে আছে তা বোঝাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বাণীই যথেষ্ট। অন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আজও সেই কর্মময় দিনসমূহ জারি রেখেছে। দেশ রক্ষা ও গঠনে তারা আজও অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা রেখে চলেছে। এই প্রহরীদের বর্তমান কাণ্ডারীদ্বয়ের অন্যতম এস এম জাকির হোসাইন।
তার সম্পর্কে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন ‘এস এম জাকির হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে আমার অত্যন্ত প্রিয় মেধাবী প্রাক্তন ছাত্র। নম্র ও বিনয়ী হিসেবে সর্বমহলে তার খ্যাতি রয়েছে। সে একজন সুবক্তাও।’ ১৭ ফেব্রুয়ারি যখন তিনি তার আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বইটি উপহার হিসেবে দিলেন, তার ব্যবহারে অভিভূত হয়েছি।
তরুণদের মধ্যে বইপ্রীতি-জ্ঞানপ্রীতির ক্রমশ বিকাশমান ধারা লক্ষ করা যাচ্ছে। এস এম জাকিরের এই ইতিহাস নির্ভর গবেষণা গ্রন্থটি সেই ধারায় এক বিশিষ্ট সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এক গৌরবময় অংশীদার। এটি দেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সকল দুঃসময়ে ও গৌরবময় অর্জনে এ সংগঠনের ভূমিকা রয়েছে।
জাকির হোসাইন তার বইটি ১৯ টি অধ্যায়ে বিন্যাস্ত করেছেন। অধ্যায়গুলোর শিরোনাম ছাত্র-সংগঠনের ইতিহাস, ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পূর্বকথা, ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ও আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের কর্মী শেখ হাসিনা, বাঙালির ম্যাগনাকার্টা ছয়দফা বাস্তবায়নে, আগরতলা মামলা ও ছাত্রলীগ, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচন ও ছাত্রলীগ, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ৭৫-পরবর্তী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা।
৯৮ সালের বন্যায় ছাত্রলীগের ভূমিকা, শামসুন্নাহার হলে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ছাত্রলীগ, শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কর্মী হিসেবে ছাত্রলীগ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ: সময়ের প্রয়োজনে।
ভারতীয় উপমহাদেশে ছাত্ররাজনীরি সূচনা কীভাবে হয়েছে লেখক তার ঐতিহাসিক পরিচয় লিপিবদ্ধ করেছেন ছাত্রসংগঠনের ইতিহাস অধ্যায়ের মধ্যে। ফ্রান্সে রাজতন্ত্র উচ্ছেদকারী জুলাই বিপ্লব কলকাতার ছাত্র-তরুণদের মধ্যে কীভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, ছাত্র-সংগঠন ও সচেতনতা সৃষ্টিতে শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর অবদান, ‘জ্ঞানোপর্জিকা সভা’র ভূমিকা, ‘দেশ হিতৈষণী সভা’র কর্মকা-, ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন’, ‘ব্রিটিশ বেঙ্গল ইন্ডিয়া সোসাইটি’, স্বদেশী আন্দোলন, ‘অ্যান্টি সার্কুলার সোসাইটি’ প্রভৃতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও কর্মতৎপরতার পরিচয় তুলে ধরেছেন।
 দেশ বিভাগের পর থেকে পাকিস্তানিরা যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে এবং তারই প্রতিবাদে সচেতন হয়ে উঠতে থাকে এদেশের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, তরুণ-ছাত্র সমাজ, ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পূর্বকথা অধ্যায়ের মধ্যে সেই সময়-সমাজের নানান চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে। সেই সাথে ছাত্রলীগ নামক সংগঠনটির জন্ম প্রেক্ষাপটটিকেও বিস্তৃতভাবে আলোচনা করেছেন। ভাষা আন্দোলনে ছাত্রলীগ অংশের মধ্যে বিস্তৃতভাবে ভাষা আন্দোলন-সংগ্রামের চিত্র, পাকবাহিনীর দমন-পীড়ন, জন সংগ্রাম ও ছাত্রলীগের অবদানের কথা আলোচিত হয়েছে।
এছাড়া তমদ্দুন মজলিস, রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ, জিন্নাহ-নাজিমুদ্দীনের ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর অনশন ও ধর্মঘট, শহিদদের আত্মদান, রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি, আন্তর্জাতিক ভাষার গৌরব অর্জনসহ নানা বিষয়ের বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিপুল বিজয়ে রাজনীতির সমগ্র সমীকরণ দ্রুত বদলাতে শুরু করে। এ ফ্রন্টকে জনপ্রিয় ও বিজয়ীরূপে আবির্ভূত করবার পেছনে বড় অবদান ছিলো ছাত্রলীগের। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ছাত্রলীগের ভূমিকা অধ্যায়ের মধ্যে এ বিষয়ের বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনার রাজনীতির হাতেখড়ি, রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ, স্কুলে পড়াকালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে আন্দোলন, ইডেন কলেজ ছাত্রলীগে তার অবদান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের, রোকেয়া হলের রাজনীতিতে তার ভূমিকা, রাজনীতির অবস্থা, ভবিষ্যৎ রাজিনীতির মিশন-ভীষণ আলোচিত হয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী শেখ হাসিনা অধ্যায়ে। ছয়দফার প্রয়োজন, প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধুর আপোষহীন-লড়াকু মানসিকতা সর্বোপরি বাঙালির মুক্তির সনদ বাস্তবায়নে ছাত্রলীগের ভূমিকার বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে বাঙালির ম্যাগনাকার্টা ছয়দফা বাস্তবায়নে ছাত্রলীগ অধ্যায়ে।
ছাত্রলীগের গৌরবময় অবদান রয়েছে বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধে, সে বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগ অধ্যায়ে। ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে আলাপ করা হয়েছে ৭৫-পরবর্তী স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা ও সে সময়ের বৈরী পরিস্থিতি, ৯৮ সালের বন্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শামসুন্নাহার হলে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের দুর্বার সংগ্রাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্দোলন-সমাবেশ, শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে রাজপথে ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কর্মী হিসেবে ছাত্রলীগের করণীয় বিষয়সমূহ।
আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গ্রন্থটি আমাদের ইতিহাসের এক বিশেষ সংযোজন। ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন, ‘বইটির ভাষা সহজ-সরল। ছাত্র ও তরুণদের জন্য এটি পাঠ করা আবশ্যক হবে, নিঃসন্দেহে তা বলা যায়।’
তথ্যসূত্রঃদৈনিক ইত্তেফাক
Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর