আজঃ ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - বিকাল ৪:০৯

ওসমানীনগরে সংঘর্ষ, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সভাপতির ভিন্নমত

Published: ফেব্রু ২৭, ২০১৭ - ৮:৩৮ অপরাহ্ণ

sylpro24sylpro24

ওসমানীনগর উপজেলাধীন সাদিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কালনিচর ও জগন্নাথপপুর উপজেলাধীন উত্তর কালনিচর একাংশের বিরোধের জের ধরে ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যুর পরদিন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আহত দক্ষিণ কালনিচরের আহমদ আলীর পুত্র সোহেল মিয়া (৩৫)নামের একজন চিকিৎসাধীন অবস্হায় মৃত্যুর কোলে ঢলে  পড়েন।স্হানীয় সুত্রে জানা যায়,দুটি গ্রামের আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে।তবে ঘটনাটি ওসমানীনগর উপজেলার আসন্ন উপজেলা নির্বাচন কেদ্রীক চালিয়ে দেওয়ার জন্য একটি মহল তৎপর হয়ে উঠেছে বলে অন্য একটি মহলের দাবি।

এ বিষয়ে সিলেটের  একটি  স্হানীয় দৈনিক  পত্রিকায় ভিন্নমত প্রকাশ করেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী ও জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ।

সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাদিপুর ইউনিয়নে একের পর এক সন্ত্রাসীর জন্ম দিচ্ছে এক ব্যাক্তি।সে চায় ঐ এলাকায় একক আদিপত্য।তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিলে সকল অপকর্ম বন্ধ হবে।

অপর দিকে জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ জানান,দুঃখজনক হলেও সত্য,এ ঘটনাটি সম্পর্ন অরাজনৈতিক। রাজনৈতিক ভাবে ফায়দা নেওয়ার জন্য একজন প্রতিদ্বন্দ্বী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।উত্তর ও দক্ষিণ কালনিচরের মানুষের আঞ্চলিকতা ও খাল নিয়ে প্রতিবছর এখানে সংঘর্ষ হয়ে থাকে।গত বছরও সংঘর্ষে এক ব্যাক্তি নিহত হয়েছেন।আমার ভাই ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চেয়ারম্যান কবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ওসমানীনগর উপজেলা অফিসার ইনচার্য আব্দুল আউয়ালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি
বলেন ঘটনাটি পুরোপুরী আইন শৃংখলা রক্ষাকারী  বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে রয়েছে এবং তিন প্লাটুন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
Facebook Comments

ওসমানীনগর উপজেলাধীন সাদিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কালনিচর ও জগন্নাথপপুর উপজেলাধীন উত্তর কালনিচর একাংশের বিরোধের জের ধরে ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যুর পরদিন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আহত দক্ষিণ কালনিচরের আহমদ আলীর পুত্র সোহেল মিয়া (৩৫)নামের একজন চিকিৎসাধীন অবস্হায় মৃত্যুর কোলে ঢলে  পড়েন।স্হানীয় সুত্রে জানা যায়,দুটি গ্রামের আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে।তবে ঘটনাটি ওসমানীনগর উপজেলার আসন্ন উপজেলা নির্বাচন কেদ্রীক চালিয়ে দেওয়ার জন্য একটি মহল তৎপর হয়ে উঠেছে বলে অন্য একটি মহলের দাবি।

এ বিষয়ে সিলেটের  একটি  স্হানীয় দৈনিক  পত্রিকায় ভিন্নমত প্রকাশ করেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী ও জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ।

সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাদিপুর ইউনিয়নে একের পর এক সন্ত্রাসীর জন্ম দিচ্ছে এক ব্যাক্তি।সে চায় ঐ এলাকায় একক আদিপত্য।তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিলে সকল অপকর্ম বন্ধ হবে।

অপর দিকে জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ জানান,দুঃখজনক হলেও সত্য,এ ঘটনাটি সম্পর্ন অরাজনৈতিক। রাজনৈতিক ভাবে ফায়দা নেওয়ার জন্য একজন প্রতিদ্বন্দ্বী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।উত্তর ও দক্ষিণ কালনিচরের মানুষের আঞ্চলিকতা ও খাল নিয়ে প্রতিবছর এখানে সংঘর্ষ হয়ে থাকে।গত বছরও সংঘর্ষে এক ব্যাক্তি নিহত হয়েছেন।আমার ভাই ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চেয়ারম্যান কবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ওসমানীনগর উপজেলা অফিসার ইনচার্য আব্দুল আউয়ালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি
বলেন ঘটনাটি পুরোপুরী আইন শৃংখলা রক্ষাকারী  বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে রয়েছে এবং তিন প্লাটুন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর