আজঃ ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ - ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ - সকাল ১১:৫১

৮৫৯ টি পরাবারকে ঘর নির্মাণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Published: সেপ্টে ০৬, ২০১৮ - ২:৪১ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন::নুরুন্নেছা খাতুনের স্বামী মারা যাওয়ার পর রেখে যাওয়া এক টুকরো বসতভিটায় ছিল ভাঙাচোরা একটি খড়ের ঘর। সেখানে এক মেয়ে ও দুই নাতি নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। সারাদিন কাজ শেষে জীর্ণ খুপরিতে ফিরে অসহায়ত্ব বোধ হতো তার। কারণ, ঘরটি ছিল বসবাসের অনুপযোগী। কষ্টের মধ্যে ছিল চারজনের বসবাস। এখন সে কষ্ট আর নেই।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকায় নুরুন্নেছা খাতুনের জমিতে আধাপাকা চার চালা টিনের ঘর উঠেছে। সেখানে নাতি-নাতনি আর মেয়ে নিয়ে এখন অনেকটা নিরাপদ জীবন-যাপন করছেন তিনি। নুরুন্নেছা বলেন, খাবার কষ্টের চেয়ে ভাঙা ঘরে রাত যাপন অনেক কষ্টের ছিল। সরকারি খরচে আজ অন্তত মাথা গোজার ঠাঁই হয়েছে, এতেই খুশি।

যাদের জমি ছিল, ঘর বানানোর সামর্থ্য ছিল না বা ঘর ছিল বসবাসের অনুপযোগী- এ রকম ৮৫৯ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকায় ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘরে দরিদ্র পরিবারগুলো এখন নিরাপদে রাত যাপন করছে।

কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের অধীন ‘যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহনির্মাণ’ উপ-খাতের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে কয়রা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮৫৯টি পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি সাড়ে ১০ ফুট বাই সাড়ে ১৬ ফুট আয়তনের আধাপাকা ঘরের সঙ্গে একটি করে স্যানিটারি লেট্রিন নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে এসব পরিবারের অনেকেই স্যাঁতসেঁতে ঘরে দুর্বিষহ জীবন-যাপন করতেন। নতুন ঘর পেয়ে এসব পরিবারের সদস্যরা খুশি হয়েছেন।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে কয়রা উপজেলার মানুষের বাসস্থানের সমস্যা রয়েছে। এটি বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প নীতিমালা অনুসরণ করে উপকারভোগী নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৮৫৯ পরিবারকে গৃহনির্মাণ করে দেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে আরও দরিদ্র পরিবারকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন::নুরুন্নেছা খাতুনের স্বামী মারা যাওয়ার পর রেখে যাওয়া এক টুকরো বসতভিটায় ছিল ভাঙাচোরা একটি খড়ের ঘর। সেখানে এক মেয়ে ও দুই নাতি নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। সারাদিন কাজ শেষে জীর্ণ খুপরিতে ফিরে অসহায়ত্ব বোধ হতো তার। কারণ, ঘরটি ছিল বসবাসের অনুপযোগী। কষ্টের মধ্যে ছিল চারজনের বসবাস। এখন সে কষ্ট আর নেই।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকায় নুরুন্নেছা খাতুনের জমিতে আধাপাকা চার চালা টিনের ঘর উঠেছে। সেখানে নাতি-নাতনি আর মেয়ে নিয়ে এখন অনেকটা নিরাপদ জীবন-যাপন করছেন তিনি। নুরুন্নেছা বলেন, খাবার কষ্টের চেয়ে ভাঙা ঘরে রাত যাপন অনেক কষ্টের ছিল। সরকারি খরচে আজ অন্তত মাথা গোজার ঠাঁই হয়েছে, এতেই খুশি।

যাদের জমি ছিল, ঘর বানানোর সামর্থ্য ছিল না বা ঘর ছিল বসবাসের অনুপযোগী- এ রকম ৮৫৯ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকায় ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘরে দরিদ্র পরিবারগুলো এখন নিরাপদে রাত যাপন করছে।

কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের অধীন ‘যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহনির্মাণ’ উপ-খাতের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে কয়রা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮৫৯টি পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি সাড়ে ১০ ফুট বাই সাড়ে ১৬ ফুট আয়তনের আধাপাকা ঘরের সঙ্গে একটি করে স্যানিটারি লেট্রিন নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে এসব পরিবারের অনেকেই স্যাঁতসেঁতে ঘরে দুর্বিষহ জীবন-যাপন করতেন। নতুন ঘর পেয়ে এসব পরিবারের সদস্যরা খুশি হয়েছেন।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে কয়রা উপজেলার মানুষের বাসস্থানের সমস্যা রয়েছে। এটি বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প নীতিমালা অনুসরণ করে উপকারভোগী নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৮৫৯ পরিবারকে গৃহনির্মাণ করে দেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে আরও দরিদ্র পরিবারকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর