আজঃ ২৬শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ - দুপুর ১:৪৯

হাসির ‘ব্যাখ্যা’ দিয়ে দিয়ার বাসায় গিয়ে ক্ষমা চাইলেন নৌমন্ত্রী

Published: আগ ০১, ২০১৮ - ১০:৪১ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন :: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিমের (১৬) বাসায় গিয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। সেখানে তিনি প্রায় ২০ মিনিটের মতো ছিলেন। এ সময় দিয়ার পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সান্ত্বনা দেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নৌমন্ত্রী মহাখালীর দক্ষিণপাড়ায় দিয়াদের বাসায় যান। এ সময় সড়ক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খন্দকার খায়রুল হাসান নৌমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

দিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর ফকির সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রী তার হাসি নিয়েও ব্যাখ্যা দেন। মন্ত্রী বলেছেন, অন্য একটা বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছিল। সে সময় আমি (মন্ত্রী শাজাহান খান) হাসছিলাম। দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করায় উত্তর দেয়ার সময় সেই হাসিটাই ছিল। আমি তখনও জানতাম না ঘটনাটা। বুঝতেও পারিনি। তারপরও আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই। সব শিক্ষার্থীদের কাছেও ক্ষমা চাই।’

গত রোববার (২৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। একই ঘটনায় আহত হয় আরও ১০/১৫ শিক্ষার্থী।

বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর অন্যজন হলেন বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজিব।

দুর্ঘটনার পরপরই রাজধানীতে বাস ও শ্রমিকদের বেপরোয়ার বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ভারতের একটি সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে দুইজন নিহতের ঘটনার তুলনা করেন। হেসে হেসে কথা বলেন। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। তার পদত্যাগের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন :: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিমের (১৬) বাসায় গিয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। সেখানে তিনি প্রায় ২০ মিনিটের মতো ছিলেন। এ সময় দিয়ার পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সান্ত্বনা দেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নৌমন্ত্রী মহাখালীর দক্ষিণপাড়ায় দিয়াদের বাসায় যান। এ সময় সড়ক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খন্দকার খায়রুল হাসান নৌমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

দিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর ফকির সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রী তার হাসি নিয়েও ব্যাখ্যা দেন। মন্ত্রী বলেছেন, অন্য একটা বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছিল। সে সময় আমি (মন্ত্রী শাজাহান খান) হাসছিলাম। দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করায় উত্তর দেয়ার সময় সেই হাসিটাই ছিল। আমি তখনও জানতাম না ঘটনাটা। বুঝতেও পারিনি। তারপরও আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই। সব শিক্ষার্থীদের কাছেও ক্ষমা চাই।’

গত রোববার (২৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। একই ঘটনায় আহত হয় আরও ১০/১৫ শিক্ষার্থী।

বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর অন্যজন হলেন বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজিব।

দুর্ঘটনার পরপরই রাজধানীতে বাস ও শ্রমিকদের বেপরোয়ার বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ভারতের একটি সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে দুইজন নিহতের ঘটনার তুলনা করেন। হেসে হেসে কথা বলেন। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। তার পদত্যাগের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর