হাওরাঞ্চলে আসেনি চৈত্র সংক্রান্তি, হয়নি বর্ষবরণ

sylpro24
sylpro24

স্বপন তালুকদারঃ এই সময়টায় হাওরাঞ্চলের মানুষদের ধান কাটা, ধান মাড়াই, শুকানো নিয়ে ব্যস্ততা আর আনন্দে সময় কাটানোর কথা ছিল।কিন্তু আজ তাদের মনে কোন আনন্দ নেই,নেই কোন স্বস্তি।কোন কাজ নেই, নেই কোন ব্যস্ততা, সারাটা বছর কিভাবে চলবে সংসার?এ নিয়ে সীমাহীন অনিশ্চয়তা ও উৎকন্ঠার মাঝে এক দুর্বিসহ সময় পাড় করতে হচ্ছে তাদের। এ বছর হয়নি ফসল। ফসল কাটার আগে হিন্দু সম্প্রদায়ের লক্ষ্মীপূজা, হয়নি চৈত্র সংক্রান্তি, পালন করা হয়নি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব। তার আগেই তাঁদের বরণ করে নিয়েছে বিপুল জলরাশি। সারা বছরে খেয়ে পরে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বণ বোরো ফসল পাহািড় ঢলের বিপুল জলরাশির নিচে এখন পচছে। চৈত্র মাসের শেষ দিনে চৈত্র সংক্রান্তিতে লক্ষ্মীর আলপনা এঁকে লক্ষ্মী দেবীর পুজা করা হয়, তারপর বর্ষবরণের মধ্য দিয়ে শুরু হতো ফসল কাটার উৎসব।চলত সারা বৈশাখ মাস জুড়ে। কোন কোন বছর জৈষ্ঠ্য মাসের ১০/১৫ তারিখ পর্যন্ত।লক্ষ্মী দেবীর পূজায় হিন্দু সম্পদায়ের মহিলারা পাঁচ তারকারি ব্যঞ্জণ রেঁধে পূজো করে ধান খেতে ভোগ দিতেন।যেমন মায়েদের গর্ভে সন্তান এলে সাত মাসের সময় সাধ ভক্ষণের একটি অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে ঠিক তেমনই এই অনুষ্ঠান।এই সময়টায় ধান গাছও যে গর্ভে ফসল নিয়ে গর্ভবতী, কদিন পরই কৃষকের ফসলের আলোয় ভরিয়ে দেওয়ার অপেক্ষায়।এ রকম না হলেও ইসলাম ধর্মের ওরাও ভালো ফলন ও সুন্দর ভাবে ধান তোলার মৌসুম শুরুর আগে ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে থাকেন।এ বছর এসব কিছুই করার সময় পাননি তাঁরা।যে বর্ষা আসার কথা তিন মাস পর, অথচ এখনই পুরো এলাকায় বর্ষা সিজন বিরাজ করছে।আজ আমার এক বন্ধু ফোন করে জানাল, তাঁর ছোট ভাই ও ছেলের জন্য কাজ দেখতে।তাঁর ছেলেটা এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী। যুবক যুবতীদের অনেকেই বাড়ি ছেড়ে কাজের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার যাঁর যা আছে তাই নিয়ে শহরে আসার পরিকল্পনা করছে।কেউ বলছে ঢাকায় গার্মেন্টস এ কাজ করবে।কেউ বা অন্য কোন শহরে।কম হোক বা না হোক বেঁচে থেকে তো এমন সর্বগ্রাসী জলরাশিকে দেখতে হবে না।দেখতে হবে না অসহায় মানুষের এমন দুর্দশার চিত্র।একেকটা গ্রাম যেন মরা বাড়ির রূপ নিয়েছে।কোন কোন পরিবার সিলেট আসতে চাইছে, কেহ পাড়ি জমাচ্ছে সুনামগঞ্জ, ছাতক, ভোলাগঞ্জ, চুনারুঘাট পাথর ভাঙতে। হাওরের মানুষের কান্নায় বাতাস যেন ভারি হয়ে উঠছে।এবার সুনামগঞ্জ শহরেও বর্ষবরণ উৎসব হয়নি। পহেলা বৈশাখের সংস্কৃতিকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। যে কৃষকের সন্তানরা নতুন পোশাকে আনন্দে মেতে উঠত এবার তাদের পোশাক ও বদন দুই ছিল মলিন। তাদের ঘরে এবার ফসল আসেনি।তাই সুনামগঞ্জে এবার বর্ষবরণও হয়নি। গত কালও সিলেট শহরে অবস্থানকারী ভাটি বাংলার লোকজন গত ১৫এপ্রিল মানববন্ধন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শাল্লা সোচ্চার নামক সংগঠনের ব্যানারে। মানুষের মৌলিক চাহিদার প্রথমটিই অন্ন। এই অন্ন আসে ধান থেকে। আর এই ধান উৎপাদন করেন বাংলার কোটি চাষা। এই ধানের ভাত বাংলার মানুষের প্রধান খাদ্য।এই দেশের বেশির ভাগ শহরের মানুষ কৃষক কুল থেকেই উঠে এসেছেন।আমাদের অনেকের জন্ম কৃষকের ঘরে। কৃষকের ফলানো ধান, গম, সবজি খেয়ে শিক্ষিত হয়ে বড় চাকুরি বা ব্যবসা করছেন অনেকেই শহরে। অনেক কৃষকের সন্তান দেশে উচ্চ পদস্থ কৃষি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ,অনেকেই আছেন হয়তো দেশের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের বড় মন্ত্রী বা আমলা। এই যে সুনামগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং ঠিকদারদের বিরোধে ফসল রক্ষা বাঁধের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে খোঁজ নিলে জানা যাবে ওনারাও কোন এক কৃষকের সন্তান বা নাতী।এতো বড় একটি অঞ্চলের জনগোষ্ঠির ফসল পানিতে তালিয়ে গেছে কিন্তু কোথাও তেমন কোন উত্তেজনা নেই।আমরা পরীমনি নববর্ষ কীভাবে কাটাল, কী ড্রেস পড়েছে তার খবর রাখি। শাকিব অপুর বিয়ে সংসার সন্তান নিয়ে ফেসবুকে উত্তেজনার পারদ চরমে পৌঁছে দেই। দেশে হাওরাঞ্চলের মানুষ ফসল হারিয়ে সর্বস্বাস্ত তা নিয়ে আমাদের কোন মাথা ব্যথা নেই।অথচ ব্রিটিশ-মোঘল, পাল-সেন আমলের মতোই এখনও অবহেলিত রয়েছেন আমাদের কৃষক সমাজ! আমাদের জিডিপির বড় একটা অংশ আসে কৃষি থেকে। কত রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে বাংলার কোটি মানুষের অন্ন যোগাচ্ছেন তাদের নিয়ে আমাদের কোন দায় নেই। নববর্ষের দিনে দুই লাখ কৃষক পরিবার ভাত না খেয়ে থাক তাতে আমাদের কি!পানির সঙ্গে, ফসলের সঙ্গে , মাটির সঙ্গে, কৃষকের সঙ্গে যেন কোন সম্পর্ক নেই!কৃষকের এমন দু:সময়ে আমরা কীভাবে এতো নিরুদ্দেগ থাকতে পারি?কবি রাজিয়া খাতুন চৌধুরাণীর চাষী কবিতার দুইটি লাইন মনে পড়ে গেলো।

ব্রত তাহার পরের হিত, সুখ নাহি চায় নিজে
রৌদ্র দাহে শুকায় তনু,মেঘের জলে ভিজে।
দুই লাখ কৃষক পরিবারের হাওরের ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার চেয়ে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সাকিব-অপুর সংসার ভেঙে যাওয়া। হাওরাঞ্চলের মানুষদের জন্য মর্মবেদনা অনুভব করার মত মানসিকতা নেই!
সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষা,
দেশ মাতারই মুক্তিকামী দেশের সে যে আশা
দধিচী কী তাহার চেয়ে সাধক ছিল বড়?
পূণ্য অত হবে না কো সব করিলে জড়ো।
কবি রাজিয়া খাতুন চৌধুরাণীর এই চাষা কবিতাটি আমরা ছেলেবেলা পড়ছি। তিনি বাংলার কৃষককে সব সাধকের বড় সাধক বলে সম্মানিত করেছেন।আমরা কবিতায় পড়া সাধক কৃষকের সম্মান আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসেও কবিতা আর বক্তৃতাতে সীমাবদ্ধ রেখে দিয়েছি।সম্মান তো দুরের কথা প্রতি পদে পদে কৃষকদের আমরা তাঁদের অধিকার ন্যায্য পাওনা থেকেও বঞ্চিত করে আসছি। কৃষি অফিস থেকে সার, বীজ আনতে তাঁদের কাছ থেকে ২০ কেজির ব্যাগে অতিরিক্ত ১০০ থেকে ২০০টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও সময় মতো সার পাওয়া হয় না কৃষকদের। সার, কীট নাশক, বীজ পেতে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয় কৃষকদের। এমন অভিযোগ প্রতি বছর পত্রিকার পাতায় পড়তে হয়। এ বছর ভাটি বাংলার বোরো ফসল হাওরের বাঁধ ভাঙ্গার জন্য দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু দুর্নীতি পরায়ণ কর্মকর্তা এবং তাদের সহযোগী ঠিকাদার। সংবাদে প্রকাশ ২০শতাংশ ঘুষ দিয়ে সময় মতো বাঁধ মেরামতের কাজ শেষ হয়নি। যে কাজে ২০শতাংশ ঘুষ দিতে হয়, সেখানে ঠিকাদারদের দুর্নীতি কত শতাংশ হবে, তা সহজেই অনুমেয়। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোণার বড় একটা অংশ নিয়ে ভাটি বাংলা। এখানকার মানুষের প্রধান এবং একমাত্র ফসল এই বোরো ধান। এই সবেধন নীলমনি বোরো ধান দিয়েই তাঁদের সারা বছরের খাবার, সংসারের যাবতীয় খরচ, ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া, বিয়ে শাদীসহ সকল ব্যয় নির্বাহের একমাত্র উৎস এই ধান।গত বছরও ফসল তলিয়ে গিয়েছিল সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণাসহ বিশাল হাওরাঞ্চলের বোরো ফসল। প্রায় প্রতি বছরই ভাটি বাংলার বোরো ফসল তলিয়ে যায়। এটা আমরা সর্বস্তরের মানুষ জানি। আমরা এও জানি, সুনামগঞ্জসহ এসব এলাকা হলো হাওরের রাজধানী ধানের খনি।এইসব এলাকার বোরো ফসলই একমাত্র ফসল। এই ফসল বাঁচাতে পরিকল্পিত বাঁধ নির্মান ও মেরামত সময় মত সম্পন্ন করলে সারাদেশে ধানের অভাব হয় না, দেশের চাহিদা পুরণ করে প্রচুর ধান রপ্তানী সম্ভব প্রতি বছর। কৃষকরাও সুখে শান্তিতে ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া করিয়ে দেশের অর্থনীতিতে আরও বেশি অবদান রাখতে পারত।কিন্তু সীমাহীন অপ্রতিরোধ্য দুর্নীতি উন্নয়নের সে কথা শোনেনি। দুর্নীতির কারনে বাঁধের কাজ শেষ হয়না প্রায় প্রতি বছর। অন্য বছর গুলোতে ফসল তলিয়ে গেলেও এমন অসময়ে তলিয়ে যায়নি। অংশিক ফসল হলেও তোলা যেতে। এতে খাবার ধান পাওয়া যেত। পরবর্তীতে পানির নিচে ধান গাছ পচে যাওয়ার পর আকি দিয়ে যাঁরা অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে পারত ধান কিছু সংগ্রহ করতে পারত। তাছাড়া গবাদি পশুর খাবার খড় তো পাওয়া যেতে। এ বছর এত অসময়ে পাহাড়ি ঢল হলো যে ধানে ক্ষীরই ঠিক মত হয়ে আসেনি। তাই কোন ধান, খড় কিছুই আসেনি ঘরে। অনেকেই বিক্রির জন্য গরু নিয়ে স্থানী হাটে ভিড় করছেন, কিন্তু কিনবেন কে?সবার একই অবস্থা। নিজেরা কী খাবেন আর হালের গরু গুলোকেই বা কী খাবার দিবেন সারা বছর?সেখানে পানিতে ফসল তলিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে গো-চারণ ভুমিও ডুবে যায়। সুনাম গঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা সম্পর্কে আমাদের সবার ভালো ধারণা আছে। কিভাবে এইসব এলাকার বোরো ফসল রক্ষা করা সম্ভব তারও ব্যবস্থা আমরা জানি এবং তার মাধ্যমে প্রকৃতির সাথে লড়াই করে শতভাগ সফলতা না এলেও অনেক হাওরের ফসল রক্ষা করা যেত।নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে পারলে তো কথাই নেই।নদী তার নাব্যতা হারিয়েছে, তাই এই অকাল বন্যা। প্রতি বছর বাঁধ নির্মান ও মেরামতে সীমাহীন দুর্নীতি অত্র অঞ্চলের ফসল হানির কারণ।তাই হাওরাঞ্চলের কৃষকদের রক্ষার্থে স্থায়ী বাঁধ, সুইচ গেট, বেরিবাঁধ নির্মান যথা সময়ে করা জরুরি। এমন অনেক হাওর আছে বেরি বাঁধ নির্মাণ খুব একটা কঠিন নয়।তাছাড়া যে সব বাঁধে পানি নিষ্কাশন প্রয়োজন সেইসব জায়গায় সুইচ গেট এবং হাওরে যেসব এরিয়া দিয়ে হাওরে পানি ঢুকে সেখানে স্থায়ী উচু সুইচ গেট করা দরকার। সবচেয়ে আগে দরকার বাঁধ নির্মাণের সাথে জড়িতদের দুর্নীতি রোধ। এসব এলাকার সফল রক্ষার বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতে যে বরাদ্দ তা সঠিক সময়ে যথাযথ ব্যয় করলে এ বছরই অনেক হাওরের সফল রক্ষা করা যেত।
অকালে ফসল তলিয়ে যাওয়ায় চালের ব্যবসায়ীরা চলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।দোকানদারেরা ৪৫ থেকে ৫০টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করছে।দোকানতে বাড়ছে ভিড়।যদিও খোলা বাজাে র ডিলারদের মাধ্যমে ১৫টাকা ধরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।তাই ডিলারদের চাল বেশি পরিমানে সরবরাহ দরকার! হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য সুদ মুক্ত কৃষি ঋণ,ক্ষুদ্রঋণের পাশাপাশি ক্ষুদ্র কৃষিবীমা চালু এবং বিকল্প কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা দরকার। শত ব্যস্ততার মাঝে আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ খান হাওরাঞ্চলের মানুষদের দুর্দশার কথা প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে সুরহার করতে বলেন।গতকাল তিনি কিশোরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন।পরে তিনি সুনামগঞ্জ আসেন! ফসল হারানো অঞ্চল সুনামগঞ্জ সহ ঐসব অঞ্চল গুলোকে দূর্গত এলাকা, ঘোষনা করা হোক।দুর্নীতির সাথে জড়িত ২৮ টি ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের নামে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ গুরুতর বিষয়।২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের চেয়ে বড় বিষয় যে দুইলাখ পরিবার ফসল হারিয়ে সর্বস্বান্ত।ক্ষতি হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকার ফসল।এ অভিযোগের সাথে জড়িতদের বিচার করে উপযুক্ত শাস্তির বিধান অত্যন্ত জরুরি।আর যেন এমন বিপর্যয়কর পরিস্তিতি বারবার না হয়।নতুবা এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার পূণরাবৃত্তি ঘটবে বারবার।এ ছাড়া এমন পরিস্তিতির সুযোগ এক শ্রেণির সুবিধাবাদী মানুষের কালো হাত সদা তৎপর,সে দিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখা দরকার।এই হাওরাঞ্চলের অবহেলিত বঞ্চিত কৃষকরা দেশের প্রাণ। দেশে কৃষকদের এই দুর্যোগ থেকে বাঁচাতে হাওরবাসীর দাবি ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের স্থায়ী সমাধান এবং সুনামগঞ্জসহ সকল হাওরাঞ্চলকে দ্রুত দুর্গত এলাকা ঘোষনা করে বিপর্যস্ত কৃষক পরিবার গুলোকে এই দুর্দশা লাঘবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আমাদের কাম্য।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, এই স্বাধীনতা তখনি আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীন হয়ে উঠবে,যেদিন বাংলার কৃষক, মজুর ও দুখী মানুষের সকল দু:খের অবসান হবে।সত্যি অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আমার দেশের শ্রেষ্ঠ সাধক কৃষকদের ফসল রক্ষার বাঁধের টাকাও আত্মসাৎ হয়।

লেখক:শিক্ষক ও কলামিস্ট

Facebook Comments

Leave a Reply