আজঃ ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ - ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ১১:০৫

হবিগঞ্জে যুবক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

Published: অক্টো ১০, ২০১৮ - ১১:০৮ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন :: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে যুবক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এসএম নাসিম রেজা এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামের আব্দুল হাই চৌধুরীর ছেলে সাকিউর চৌধুরী ও রমিজ মিয়ার ছেলে গাজিউর চৌধুরী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৯ জুন রাত ১০টায় আসামিরা মোবাইল ফোনে তাদের প্রতিবেশী বদিউজ্জামান চৌধুরীর ছেলে বাছির মিয়া চৌধুরীকে (৩০) ডেকে নেয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। উক্ত ঘটনায় ১৩ জুন আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

২৪ জুন বাছিরের বড় ভাই যীশু মিয়া চৌধুরী বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই মামলার আসামি সাকিউরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাইয়ারখারা বিলের পাশের একটি জমিতে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় বাছির মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় গ্রেফতার সাকিউর ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে সে আদালতকে জানায়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

মামলায় ১৫ জনে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক বুধবার উল্লিখিত রায় দেন। রায় ঘোষণাকালে সাকিউর আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি গাজিউর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবদুল আহাদ ফারুক।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন :: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে যুবক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এসএম নাসিম রেজা এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামের আব্দুল হাই চৌধুরীর ছেলে সাকিউর চৌধুরী ও রমিজ মিয়ার ছেলে গাজিউর চৌধুরী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৯ জুন রাত ১০টায় আসামিরা মোবাইল ফোনে তাদের প্রতিবেশী বদিউজ্জামান চৌধুরীর ছেলে বাছির মিয়া চৌধুরীকে (৩০) ডেকে নেয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। উক্ত ঘটনায় ১৩ জুন আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

২৪ জুন বাছিরের বড় ভাই যীশু মিয়া চৌধুরী বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই মামলার আসামি সাকিউরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাইয়ারখারা বিলের পাশের একটি জমিতে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় বাছির মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় গ্রেফতার সাকিউর ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে সে আদালতকে জানায়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

মামলায় ১৫ জনে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক বুধবার উল্লিখিত রায় দেন। রায় ঘোষণাকালে সাকিউর আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি গাজিউর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবদুল আহাদ ফারুক।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর