আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - সকাল ৯:৫০

স্কুলছাত্র পেটানো: জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে আসামী করে অভিযোগ

Published: মার্চ ০১, ২০১৮ - ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

জকিগঞ্জ সংবাদদাতা:: স্কুলছাত্র পেটানোর ঘটনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদারকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে স্কুল ছাত্র জহিরুল ইসলাম মুন্নার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এ অভিযোগ জকিগঞ্জ থানায় দাখিল করেন।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার এসআই সৈয়দ ইমরুজ তারেক জানান, অভিযোগের যাচাইবাছাই ও তদন্ত চলছে। সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার বলেন, ‘ভিত্তিহীনভাবে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনা আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সাজানো নাটক। আমার জনপ্রিয়তাকে হিংসা করে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে।’

উল্লেখ্য, বুধবার জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার সরকারী গাড়ি নিয়ে পৌর এলাকার হাইদ্রাবন্দ গ্রামের মধ্যে রাস্তা দিয়ে যাবার সময় নরসিংহপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র জহিরুল ইসলাম মুন্না গাড়ির গ্লাসে হাত দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠে। পরে স্কুলছাত্রকে জকিগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরে বলেন, ‘আমি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় চলন্ত গাড়িতে ছেলেটির হাতে থাকা প্রায় এক হাত লম্বা লোহার রড দিয়ে গাড়ির বাম পাশে ধরে রাখে, এ সময় গাড়িতে বিকট শব্দ হয়। সাথে সাথে ড্রাইভার গাড়ি ব্রেক করে। যদি তাৎক্ষণিক গাড়ি ব্রেক না হতো গাড়ির পিছনের চাকায় ছেলেটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলিত হত। আমি গাড়ি থেকে নেমে বিষয়টি বুঝার চেষ্টা করি এবং ঐ সময় ছেলেটিকে ধমক দিলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখি এই বিষয়টিকে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কতেক ব্যক্তিবর্গ অতীতের ন্যায় রং লাগিয়ে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার শুরু করেছেন। তা পুরোপুরি মিথ্যা রংবাজি ছাড়া কিছু নয়। এহেন অপপ্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক।’

Facebook Comments

জকিগঞ্জ সংবাদদাতা:: স্কুলছাত্র পেটানোর ঘটনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদারকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে স্কুল ছাত্র জহিরুল ইসলাম মুন্নার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এ অভিযোগ জকিগঞ্জ থানায় দাখিল করেন।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার এসআই সৈয়দ ইমরুজ তারেক জানান, অভিযোগের যাচাইবাছাই ও তদন্ত চলছে। সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার বলেন, ‘ভিত্তিহীনভাবে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনা আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সাজানো নাটক। আমার জনপ্রিয়তাকে হিংসা করে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে।’

উল্লেখ্য, বুধবার জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার সরকারী গাড়ি নিয়ে পৌর এলাকার হাইদ্রাবন্দ গ্রামের মধ্যে রাস্তা দিয়ে যাবার সময় নরসিংহপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র জহিরুল ইসলাম মুন্না গাড়ির গ্লাসে হাত দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠে। পরে স্কুলছাত্রকে জকিগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরে বলেন, ‘আমি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় চলন্ত গাড়িতে ছেলেটির হাতে থাকা প্রায় এক হাত লম্বা লোহার রড দিয়ে গাড়ির বাম পাশে ধরে রাখে, এ সময় গাড়িতে বিকট শব্দ হয়। সাথে সাথে ড্রাইভার গাড়ি ব্রেক করে। যদি তাৎক্ষণিক গাড়ি ব্রেক না হতো গাড়ির পিছনের চাকায় ছেলেটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলিত হত। আমি গাড়ি থেকে নেমে বিষয়টি বুঝার চেষ্টা করি এবং ঐ সময় ছেলেটিকে ধমক দিলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখি এই বিষয়টিকে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কতেক ব্যক্তিবর্গ অতীতের ন্যায় রং লাগিয়ে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার শুরু করেছেন। তা পুরোপুরি মিথ্যা রংবাজি ছাড়া কিছু নয়। এহেন অপপ্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক।’

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর