আজঃ ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১১ই ডিসেম্বর ২০১৮ - ভোর ৫:২২

সেপ্টেম্বর থেকে পরিচয় পত্র পাচ্ছে আ.লীগ কর্মীরা..

Published: সেপ্টে ০৪, ২০১৭ - ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগ এবং এর সব বৈধ অঙ্গসংগঠনের কর্মীদের ডিজিটাল পরিচয় পত্র দেওয়া হচ্ছে। তৈরি করা হচ্ছে ডিজিটাল ডাটাবেস। এখন যে কেউ আওয়ামী লীগের পরিচয় দিয়ে কোনো অপকর্ম করতে পারবে না, যেকোনো ঘটনায় আওয়ামী লীগের কর্মীর ওপর দোষ চাপানোও বন্ধ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে এই তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ চলছে।

আওয়ামী লীগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ঘটনায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা হিসেবে যেসব খবর প্রচারিত হয়, তার শতকরা ৭০ ভাগই সঠিক নয়। যাদের ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নেতা হিসেবে বলা হয়, তারা বাস্তবে দেখা যায় ওই সব সংগঠনের  সঙ্গে সম্পৃক্তই নয়। এছাড়াও অনেক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ নিজেদের আওয়ামী লীগের নেতা বা কর্মী পরিচয় দিয়ে অবাধে অপকর্ম করে। এসব বন্ধের জন্যই আওয়ামী লীগ নতুন করে সদস্য সংগ্রহ এবং সদস্য হাল নাগাদ কর্মসূচি গ্রহণ করে। এসময়ই সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগ এবং এর কর্মীদের জন্য ডিজিটাল পরিচয় পত্র এবং তথ্য ভাণ্ডার তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। প্রাথমিকভাবে, এই পরিচয় পত্রের ধরন এবং নমুনা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে দেখানো হয়েছে। তিনি এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক ভাবে নিয়েছেন। এর ফলে, আওয়ামী লীগের একজন কর্মী সম্মানিত হবেন। তিনি তার পদ, পরিচয় সম্বলিত একটি পরিচয় পত্র পাবেন। এছাড়া তথ্য ভাণ্ডারে তিনি কবে আওয়ামী লীগে, ছাত্রলীগে বা যুবলীগে যোগ দিলেন, কবে পদোন্নতি পেলেন, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা দলীয় স্বার্থবীরোধী কাজের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা ইত্যাদি যাবতীয় তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে। ফলে, আওয়ামী লীগ দুদিক থেকে লাভবান হবে। আওয়ামী লীগ বা এর অঙ্গ সংগঠনের পরিচয় দিয়ে কেউ কোনো অপকর্ম করতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, একজন কর্মীর কাজকর্ম, গতিবিধি, সাংগঠনিক দক্ষতা হাল নাগাদ থাকবে।

সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগকে একটি ডিজিটাল আধুনিক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কাজ শুরু করেছেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলীয় কর্মীদের পরিচয় পত্র দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে।

 

Facebook Comments

আওয়ামী লীগ এবং এর সব বৈধ অঙ্গসংগঠনের কর্মীদের ডিজিটাল পরিচয় পত্র দেওয়া হচ্ছে। তৈরি করা হচ্ছে ডিজিটাল ডাটাবেস। এখন যে কেউ আওয়ামী লীগের পরিচয় দিয়ে কোনো অপকর্ম করতে পারবে না, যেকোনো ঘটনায় আওয়ামী লীগের কর্মীর ওপর দোষ চাপানোও বন্ধ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে এই তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ চলছে।

আওয়ামী লীগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ঘটনায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা হিসেবে যেসব খবর প্রচারিত হয়, তার শতকরা ৭০ ভাগই সঠিক নয়। যাদের ছাত্রলীগ বা যুবলীগের নেতা হিসেবে বলা হয়, তারা বাস্তবে দেখা যায় ওই সব সংগঠনের  সঙ্গে সম্পৃক্তই নয়। এছাড়াও অনেক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ নিজেদের আওয়ামী লীগের নেতা বা কর্মী পরিচয় দিয়ে অবাধে অপকর্ম করে। এসব বন্ধের জন্যই আওয়ামী লীগ নতুন করে সদস্য সংগ্রহ এবং সদস্য হাল নাগাদ কর্মসূচি গ্রহণ করে। এসময়ই সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগ এবং এর কর্মীদের জন্য ডিজিটাল পরিচয় পত্র এবং তথ্য ভাণ্ডার তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। প্রাথমিকভাবে, এই পরিচয় পত্রের ধরন এবং নমুনা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে দেখানো হয়েছে। তিনি এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক ভাবে নিয়েছেন। এর ফলে, আওয়ামী লীগের একজন কর্মী সম্মানিত হবেন। তিনি তার পদ, পরিচয় সম্বলিত একটি পরিচয় পত্র পাবেন। এছাড়া তথ্য ভাণ্ডারে তিনি কবে আওয়ামী লীগে, ছাত্রলীগে বা যুবলীগে যোগ দিলেন, কবে পদোন্নতি পেলেন, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা দলীয় স্বার্থবীরোধী কাজের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা ইত্যাদি যাবতীয় তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে। ফলে, আওয়ামী লীগ দুদিক থেকে লাভবান হবে। আওয়ামী লীগ বা এর অঙ্গ সংগঠনের পরিচয় দিয়ে কেউ কোনো অপকর্ম করতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, একজন কর্মীর কাজকর্ম, গতিবিধি, সাংগঠনিক দক্ষতা হাল নাগাদ থাকবে।

সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগকে একটি ডিজিটাল আধুনিক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কাজ শুরু করেছেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলীয় কর্মীদের পরিচয় পত্র দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে।

 

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর