আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - দুপুর ১:৪৮

সিলেট ২ আসনে নৌকা না লাঙ্গল?

Published: সেপ্টে ০৩, ২০১৮ - ২:৫১ পূর্বাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক::চলতি বছরের ২৭ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতিমধ্যেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ, বিরুধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

তবে প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট-২ আসনে ভোটের হিসাব ভিন্ন। এখানে বিগত দিনে দেখা গেছে দলীয় মনোনয়ন পেলেও জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে হয়েছে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে। তাই নির্বাচনের আগে এটাই তাদের জন্য বড় যুদ্ধ।

কে কোন শরীক দল থেকে হচ্ছে জোটের প্রার্থী এটাই এখানকার ভোটারদের প্রাথমিক ভাবনা।

প্রাথমিকভাবে এই আসনে আওয়ামীলীগের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী, জাতীয় পার্টির বর্তমান সাংসদ, বিএনপির এক প্রার্থী ও বিএনপির শরীক দল খেলাফত মজলিসের এক প্রার্থীকে নিয়ে চলছে আলোচনা।

এই আসনে আওয়ামীলীগের সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ইয়াহিয়া চৌধুরী, বিএনপির তাহসিনা রশীদ. লুনা এবং খেলাফত মজলিসের মুনতাসির আলী।

এখানে আওয়ামীলীগ যেভাবে জোট ও দলীয় দুই প্রার্থী নিয়ে বিপাকে তেমনি বিএনপিও আছে জোট নিয়ে বেকায়দায়।

শফিকুর রহমান চৌধুরী ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ইতিমধ্যেই প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন। তবে দল কাকে মনোনয়ন দেয় তা দেখার বিষয়। বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ দুটি বলয়ে বিভক্ত। একটির নেতৃত্বে শফিক চৌধুরী বলয় ও অপরটির আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলয়। উপজেলায় শফিক চৌধুরী বলয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পংকি খান ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ।

সিলেট-২ আসনে যেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হয় এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা একই সুরে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও গণমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন।

তারা বলছেন, সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সংগঠন রয়েছে। এই আসন শরিকদের দেয়া যাবে না।অপরদিকে, মহাজোটের শরিক দল জাপার বিশ্বাস আসনটি আবারো জাতীয় পার্টিকে দেয়া হবে। আর এ বিশ্বাস থেকেই তারা লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চাইতে শুরু করেছেন। জোটগত ভাবে নৌকা না লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এ আসনে নির্বাচন হবে এখনো বলা মুশকিল।

এদিকে নিখোঁজ বিএনপি ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রশীদ লুনা ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করবেন বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এখানে বিএনপির অন্যতম শরীকদল খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুনতাসির আলী তার দলীয় প্রতিক দেয়াল ঘড়ির ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টানিয়ে তার প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। তিনিও ছাড় দিতে নারাজ।জানা যায়, ২০০১ সালের নির্বাচনে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলী নির্বাচিত হন।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরে) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী এম ইলিয়াস আলীকে প্রায় তিন হাজার ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ঐ নির্বাচনে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ঐক্যবদ্ধভাবে শফিক চৌধুরীর জন্য কাজ করেছেন বলে এ বিজয় সম্ভব হয়েছে বলে দাবি আনোয়ারুজ্জামান সমর্থকদের্।

গতবারের মতো এবারো সিলেট-২ আসনে কে পাবেন আওয়ামী লীগের দলীয় টিকিট তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার হাতে নৌকার দায়িত্ব দেবেন? না কি গত নির্বাচনের মতো এবারো সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বর্তমান সংসদ সদস্য ইয়াইয়াহ চৌধুরী এহিয়াকেই ছেড়ে দেয়া হবে আসনটি, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে গুঞ্জন রয়েছে।

বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-২ আসন। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আসনটি বিবেচনা করে। বরাবরই এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন পাবার জন্য লড়াই করে। আর এতে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এবারো এর ব্যতিক্রম নয়। প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীতা নিয়ে শেষ মুহূর্তে লড়াই জমে ওঠার আশঙ্কাও করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে আনোরুজ্জামান চৌধুরীর পক্ষে এলাকার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নবীন ও প্রবীন নেতাকর্মী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জে শফিকুর রহমান চৌধুরী বলয় ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলয় সৃষ্টি হয়েছে। দুটি বলয় বিভিন্ন কর্মসূচি পৃথকভাবে পালন করছে।

আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে এখন থেকেই মাঠে তৎপর থাকার কথা স্বীকার করে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রবাসে থাকলেও ছোটবেলা থেকেই আমি এলাকার জন্য কাজ করছি। প্রতিটি সংসদ নির্বাচনেই দলের মনোনীত সংসদ সদস্যর পক্ষে কাজ করে আসছি। অষ্টম সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে শফিক চৌধুরীর জন্য কাজ করেছি। ফসলও পেয়েছি। আগামী নির্বাচনে অবশ্যই দলের মনোনয়ন চাইব। দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও এলাকার মানুষের সমর্থন পেলে অবশ্যই নির্বাচন করব। এমন প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা যে কোনো মূল্যে এ আসনটি ধরে রাখতে চাই। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ৭০ সাল থেকে নৌকায় ভোট দিয়ে আসছি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে নিয়ে ঐক্যভাবে কাজ করার ফলে আমার এবং দলের পক্ষে ইলিয়াস আলীকে পরাজিত করা সম্ভব হয়েছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনে নেত্রী আমাকে নমিনেশন দিয়েছিলেন কিন্তু দেশ, সংবিধান ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে তখন জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করা হয়েছিল। এর পরও আমি নেত্রীর নির্দেশে দলের জন্য কাজ করছি এবং এলাকার উন্নয়নেও কাজ করে যাচ্ছি।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক::চলতি বছরের ২৭ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতিমধ্যেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ, বিরুধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

তবে প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট-২ আসনে ভোটের হিসাব ভিন্ন। এখানে বিগত দিনে দেখা গেছে দলীয় মনোনয়ন পেলেও জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে হয়েছে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে। তাই নির্বাচনের আগে এটাই তাদের জন্য বড় যুদ্ধ।

কে কোন শরীক দল থেকে হচ্ছে জোটের প্রার্থী এটাই এখানকার ভোটারদের প্রাথমিক ভাবনা।

প্রাথমিকভাবে এই আসনে আওয়ামীলীগের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী, জাতীয় পার্টির বর্তমান সাংসদ, বিএনপির এক প্রার্থী ও বিএনপির শরীক দল খেলাফত মজলিসের এক প্রার্থীকে নিয়ে চলছে আলোচনা।

এই আসনে আওয়ামীলীগের সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ইয়াহিয়া চৌধুরী, বিএনপির তাহসিনা রশীদ. লুনা এবং খেলাফত মজলিসের মুনতাসির আলী।

এখানে আওয়ামীলীগ যেভাবে জোট ও দলীয় দুই প্রার্থী নিয়ে বিপাকে তেমনি বিএনপিও আছে জোট নিয়ে বেকায়দায়।

শফিকুর রহমান চৌধুরী ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ইতিমধ্যেই প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন। তবে দল কাকে মনোনয়ন দেয় তা দেখার বিষয়। বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ দুটি বলয়ে বিভক্ত। একটির নেতৃত্বে শফিক চৌধুরী বলয় ও অপরটির আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলয়। উপজেলায় শফিক চৌধুরী বলয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পংকি খান ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ।

সিলেট-২ আসনে যেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হয় এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা একই সুরে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও গণমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন।

তারা বলছেন, সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সংগঠন রয়েছে। এই আসন শরিকদের দেয়া যাবে না।অপরদিকে, মহাজোটের শরিক দল জাপার বিশ্বাস আসনটি আবারো জাতীয় পার্টিকে দেয়া হবে। আর এ বিশ্বাস থেকেই তারা লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চাইতে শুরু করেছেন। জোটগত ভাবে নৌকা না লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এ আসনে নির্বাচন হবে এখনো বলা মুশকিল।

এদিকে নিখোঁজ বিএনপি ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রশীদ লুনা ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করবেন বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এখানে বিএনপির অন্যতম শরীকদল খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুনতাসির আলী তার দলীয় প্রতিক দেয়াল ঘড়ির ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টানিয়ে তার প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। তিনিও ছাড় দিতে নারাজ।জানা যায়, ২০০১ সালের নির্বাচনে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলী নির্বাচিত হন।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরে) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী এম ইলিয়াস আলীকে প্রায় তিন হাজার ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ঐ নির্বাচনে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ঐক্যবদ্ধভাবে শফিক চৌধুরীর জন্য কাজ করেছেন বলে এ বিজয় সম্ভব হয়েছে বলে দাবি আনোয়ারুজ্জামান সমর্থকদের্।

গতবারের মতো এবারো সিলেট-২ আসনে কে পাবেন আওয়ামী লীগের দলীয় টিকিট তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার হাতে নৌকার দায়িত্ব দেবেন? না কি গত নির্বাচনের মতো এবারো সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বর্তমান সংসদ সদস্য ইয়াইয়াহ চৌধুরী এহিয়াকেই ছেড়ে দেয়া হবে আসনটি, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে গুঞ্জন রয়েছে।

বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-২ আসন। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আসনটি বিবেচনা করে। বরাবরই এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন পাবার জন্য লড়াই করে। আর এতে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এবারো এর ব্যতিক্রম নয়। প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীতা নিয়ে শেষ মুহূর্তে লড়াই জমে ওঠার আশঙ্কাও করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে আনোরুজ্জামান চৌধুরীর পক্ষে এলাকার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নবীন ও প্রবীন নেতাকর্মী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জে শফিকুর রহমান চৌধুরী বলয় ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলয় সৃষ্টি হয়েছে। দুটি বলয় বিভিন্ন কর্মসূচি পৃথকভাবে পালন করছে।

আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে এখন থেকেই মাঠে তৎপর থাকার কথা স্বীকার করে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রবাসে থাকলেও ছোটবেলা থেকেই আমি এলাকার জন্য কাজ করছি। প্রতিটি সংসদ নির্বাচনেই দলের মনোনীত সংসদ সদস্যর পক্ষে কাজ করে আসছি। অষ্টম সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে শফিক চৌধুরীর জন্য কাজ করেছি। ফসলও পেয়েছি। আগামী নির্বাচনে অবশ্যই দলের মনোনয়ন চাইব। দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও এলাকার মানুষের সমর্থন পেলে অবশ্যই নির্বাচন করব। এমন প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা যে কোনো মূল্যে এ আসনটি ধরে রাখতে চাই। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ৭০ সাল থেকে নৌকায় ভোট দিয়ে আসছি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে নিয়ে ঐক্যভাবে কাজ করার ফলে আমার এবং দলের পক্ষে ইলিয়াস আলীকে পরাজিত করা সম্ভব হয়েছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনে নেত্রী আমাকে নমিনেশন দিয়েছিলেন কিন্তু দেশ, সংবিধান ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে তখন জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করা হয়েছিল। এর পরও আমি নেত্রীর নির্দেশে দলের জন্য কাজ করছি এবং এলাকার উন্নয়নেও কাজ করে যাচ্ছি।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর