আজঃ ১লা কার্তিক ১৪২৫ - ১৬ই অক্টোবর ২০১৮ - দুপুর ১২:৫৬

সিলেটে স্কুলছাত্র ইমন হত্যা ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

Published: সেপ্টে ২৬, ২০১৮ - ২:০০ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলায় আরো ২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে মঙ্গলবার এই দুই জন সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

সিলেটের দ্রুত-বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মকবুল আহসানের আদালতে সর্বশেষ সাক্ষ্য দেন ছাতকের বাতির-কান্দির রফিক আহমদ ও আজমান আলী।

আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জানিয়েছেন, বাদির মানিত ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। দুইজন অসুস্থ থাকায় তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে না। আদালতে সাক্ষ্য-গ্রহণ শেষ করতে আবেদনও করা হয়েছে। তিনি জানান, আগামী তারিখ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে।

ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতির-কান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণীর ছাত্র ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে।

৮ এপ্রিল মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতির-কান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সিলেটের দ্রুত-বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি ট্রাইব্যুনালে উঠে। মধ্যখানে বিরতির পর গত ২ আগস্ট থেকে আবার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেন আদালত।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলায় আরো ২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে মঙ্গলবার এই দুই জন সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

সিলেটের দ্রুত-বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মকবুল আহসানের আদালতে সর্বশেষ সাক্ষ্য দেন ছাতকের বাতির-কান্দির রফিক আহমদ ও আজমান আলী।

আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জানিয়েছেন, বাদির মানিত ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। দুইজন অসুস্থ থাকায় তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে না। আদালতে সাক্ষ্য-গ্রহণ শেষ করতে আবেদনও করা হয়েছে। তিনি জানান, আগামী তারিখ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে।

ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতির-কান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণীর ছাত্র ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে।

৮ এপ্রিল মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতির-কান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সিলেটের দ্রুত-বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি ট্রাইব্যুনালে উঠে। মধ্যখানে বিরতির পর গত ২ আগস্ট থেকে আবার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেন আদালত।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর