আজঃ ৫ই কার্তিক ১৪২৫ - ২০শে অক্টোবর ২০১৮ - সকাল ৭:১০

সিলেটের মাঠে লাওসের হার, সেমিতে বাংলাদেশ

Published: অক্টো ০৩, ২০১৮ - ১০:২৬ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন স্পোর্টস ডেস্ক :: বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানোয় অনেকেই ফিলিপাইনের সমালোচনা করেছিল। কিন্তু তারা যে এই দল নিয়েও টুর্নামেন্টটা জিততে পারে তারই প্রমাণ দিল।

বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটের জেলা স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিল ফিলিপাইন। পাশাপাশি বাংলাদেশেরও সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল।

সমীকরণটা জানা ছিল বাংলাদেশেরও। ফিলিপাইন জিতে গেলে পরের ম্যাচটা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলবেন জামাল ভূইয়ারা। লাওসের বিদায়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে। জানা সেই সমীকরণটাই বাস্তবে রূপ নিল। লাওসকে হারিয়ে নিজেদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশকেও সঙ্গী করে নিল ফিলিপাইন। শুক্রবারের লড়াইয়ে বাংলাদেশের লড়াই হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য।

ফিলিপাইন বেশ শক্তিশাল দল। লাওসের চেয়ে তো বটেই। কিন্তু দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলতে এসে প্রতিপক্ষদের সামনে একটা সুযোগ এনে দিয়েছিল তারা। লাওস সেই আশাতেই খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধটা ভালই খেলেছে লাওস। বার বারই আক্রমণে গেছে তারা। ফিলিপাইনের ডিফেন্সে প্রচন্ড চাপ তৈরী করেছে। আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় লাওস কোন গোল পায়নি। তবে প্রথমার্ধে তারা ছিল সমানে সমানে। অন্তত গোল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফিলিপাইনের জভিন ভেদিচ। এরপর থেকেই লাওস নিষ্প্রভ হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নামার আগে তারা মাঠে গোল হয়ে ছোট একটা মিটিং করে। সেখান থেকে জয়ের জন্য খেলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে। কিন্তু ফিলিপাইনের সামনে তারা অসহায় হয়ে পড়ে। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ফিলিপাইন। ১৮ নম্বর জার্সিধারী হিকারুর পাসে বল পেয়ে হেডে গোল করেন ১১ নম্বর জার্সিধারী অগাস্টিন। দূর্ভাগা লাওস শেষ পেনাল্টির শিকার হয় ৮১তম মিনিটে। ডি বক্সের ভিতরে বল পেয়ে ক্লিয়ার করতে গেলে হ্যান্ডবল করেন ৬ নম্বর জার্সিধারী লাওসের ডিফেন্ডার সুকসুন সুকসাবাথ।

পেনাল্টি থেকে গোল করতে কোন ভুল করেননি ফিলিপাইনের অধিনায়ক মিসাঘ বাহাদুরান। অবশ্য পেনাল্টি থেকে একটা গোল করে ব্যবধান কমায় লাওস। অতিরিক্ত মিনিটে ফিলিপাইনের মিডফিল্ডার হিকারু ডি বক্সের ভিতরে লাওসের ফিথাককে ফাউল করলে পেনাল্টি দেন তুর্কমেনিস্তানের রেফারি কুরবানভ। পেনাল্টি থেকে গোল করেন ফিথাকই। শেষ মুহূর্তের এই গোলটা লাওসের জন্য শান্তনারই হয়ে থাকে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলতে এসে হতাশ হয়েই ফিরতে হলো লাওসকে। সবার আগে বিদায় নিল তারাই।

Facebook Comments

প্রতিদিন স্পোর্টস ডেস্ক :: বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানোয় অনেকেই ফিলিপাইনের সমালোচনা করেছিল। কিন্তু তারা যে এই দল নিয়েও টুর্নামেন্টটা জিততে পারে তারই প্রমাণ দিল।

বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটের জেলা স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিল ফিলিপাইন। পাশাপাশি বাংলাদেশেরও সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল।

সমীকরণটা জানা ছিল বাংলাদেশেরও। ফিলিপাইন জিতে গেলে পরের ম্যাচটা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলবেন জামাল ভূইয়ারা। লাওসের বিদায়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে। জানা সেই সমীকরণটাই বাস্তবে রূপ নিল। লাওসকে হারিয়ে নিজেদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশকেও সঙ্গী করে নিল ফিলিপাইন। শুক্রবারের লড়াইয়ে বাংলাদেশের লড়াই হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য।

ফিলিপাইন বেশ শক্তিশাল দল। লাওসের চেয়ে তো বটেই। কিন্তু দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলতে এসে প্রতিপক্ষদের সামনে একটা সুযোগ এনে দিয়েছিল তারা। লাওস সেই আশাতেই খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধটা ভালই খেলেছে লাওস। বার বারই আক্রমণে গেছে তারা। ফিলিপাইনের ডিফেন্সে প্রচন্ড চাপ তৈরী করেছে। আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় লাওস কোন গোল পায়নি। তবে প্রথমার্ধে তারা ছিল সমানে সমানে। অন্তত গোল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফিলিপাইনের জভিন ভেদিচ। এরপর থেকেই লাওস নিষ্প্রভ হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নামার আগে তারা মাঠে গোল হয়ে ছোট একটা মিটিং করে। সেখান থেকে জয়ের জন্য খেলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে। কিন্তু ফিলিপাইনের সামনে তারা অসহায় হয়ে পড়ে। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ফিলিপাইন। ১৮ নম্বর জার্সিধারী হিকারুর পাসে বল পেয়ে হেডে গোল করেন ১১ নম্বর জার্সিধারী অগাস্টিন। দূর্ভাগা লাওস শেষ পেনাল্টির শিকার হয় ৮১তম মিনিটে। ডি বক্সের ভিতরে বল পেয়ে ক্লিয়ার করতে গেলে হ্যান্ডবল করেন ৬ নম্বর জার্সিধারী লাওসের ডিফেন্ডার সুকসুন সুকসাবাথ।

পেনাল্টি থেকে গোল করতে কোন ভুল করেননি ফিলিপাইনের অধিনায়ক মিসাঘ বাহাদুরান। অবশ্য পেনাল্টি থেকে একটা গোল করে ব্যবধান কমায় লাওস। অতিরিক্ত মিনিটে ফিলিপাইনের মিডফিল্ডার হিকারু ডি বক্সের ভিতরে লাওসের ফিথাককে ফাউল করলে পেনাল্টি দেন তুর্কমেনিস্তানের রেফারি কুরবানভ। পেনাল্টি থেকে গোল করেন ফিথাকই। শেষ মুহূর্তের এই গোলটা লাওসের জন্য শান্তনারই হয়ে থাকে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলতে এসে হতাশ হয়েই ফিরতে হলো লাওসকে। সবার আগে বিদায় নিল তারাই।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর