শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ১২:২৩ অপরাহ্ন

সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করেও ওরা আওয়ামীলীগ- আফতাব উদ্দিন

সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করেও ওরা আওয়ামীলীগ- আফতাব উদ্দিন

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক:: ১৯৯০ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রায় সকল প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করে দেশের সর্বকনিষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মুহিবুর রহমান মানিক। ৯১ বঙ্গবন্ধু কন্যার ভালোবাসায় ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক।

ঐ উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন (বর্তমান কান্ডারীর চাচা) এর প্রতিশোধ হিসাবে ৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে গিয়ে পানপাতার পক্ষ নিয়ে কালো টাকায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ফলে ঐ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়ী হন।

১৯৯৬ সালেও নৌকার বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের তালই কে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচিত করতে টাকা ও পেশী শক্তি ব্যবহার সহ যা করার করেও মুহিবুর রহমান মানিকের নৌকার কাছে পরাজিত হন।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছাতক দোয়ারায় উন্নয়ন কাজের মধ্য দিয়ে নৌকার ঘাটি হিসাবে এই ছাতক দোয়ারাকে পরিচিত করেন।

২০০১ সালে মুহিবুর রহমান মানিক আবারও নৌকার মাঝি, তারা ধানের শীষকে জয়ী করতে অপপ্রচার সহ অনেক কেন্দ্র দখল করে সংখ্যালঘুদের ভয় ভীতি দেখিয়ে আগের নির্বাচন থেকে দ্বীগুন ভোট পাওয়া মুহিবুর রহমান মানিক কে পরাজিত করা হয়।

কিন্তু থেমে যাননি মানিক, নৌকা ও আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসাবে ছাতক দোয়ারাকে ধরে রাখতে দিন রাত কাজ করেন, এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখেন।

তারা কাজ করে ধানের শীষের পক্ষে,এবং গত নির্বাচনে আবার ও সেই মানিকই নৌকার মাঝি, আবারো জয়ী হয়ে ছাতক দোয়ারার উন্নয়নে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং উন্নয়ন করছেন।

গত নির্বাচনে বিএনপির আন্দোলন ছিল যেভাবে হউক নির্বাচন ঠেকানো ভোট কেন্দ্রে যাতে ভোটার না যায় সেটা ছিল তাদের চ্যালেঞ্জ, আর জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ আওয়ামীলীগের চ্যালেঞ্জ ছিল নির্বাচন করা এতে দলের সকল নেতাকর্মীকে ভোট কেন্দ্রে উপস্তিত থাকা ও ভোট দেয়া বরাবরের মত দল ও নেত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে ওরা ঘরে বসেই ছিল বিএনপি কে সুযোগ দিয়েছিল।

এরা বারবার দল এবং নেত্রীর সিদ্বান্তের বাইরে গিয়ে নৌকাকে পরাজিত করতে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার করেছে, মুহিবুর রহমান মানিক ছাতক দোয়ারাবাসীর ভালবাসায় বারবার সিক্ত হয়েছেন হবেন, নেত্রীর আস্তা ও বিশ্বাসের মার্যাদা দিয়েছেন দিবেন।

আসছে নির্বচনকে কেন্দ্র করে এই দেখতে চাইদের যন্ত্রনা নেত্রীর দৃষ্টিতে আসায় বর্ধিত সভায় তাদেরকে হাজির করে কড়া হুসিয়ারী দিলেন, কোন ভাবেই দলীয় এমপিদের বিরোধীতা করা যাবেনা, এমপিদের বিরোধীতা করা মানে দল ও সরকারের বিরোধীতা করা, চোরে কি শুনে ধর্মের কাহীনী, ঠিক এরাও আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হলেও সব সময় আওয়ামীলীগ ও নৌকার বিরোধীতা করেছে।

আগামীতে করার অপপ্রয়াস হিসাবে যা করার তারা করে যাচ্ছে, অতীতে অন্যের পিছু গুরেছে এবার নিজেই দেখতে চাই হয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

গতকাল নৌকার সমর্থনে সভার নাম দিয়ে পুরোটাই ছিল নৌকা ও আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে তাদের বক্তব্য এটা ছিল বিরোধী দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের একটা অংশ যেটা তারাই তাদের বক্তব্যে প্রমান করেছে।

নৌকা শামীম পাবে মানিক স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে না পারে সেটা ও বলেছেন, নিজে কোন দিন নৌকা বা দলীয় সমর্থন পাননি এমন ব্যক্তির মুখে নৌকার বিরুদ্ধে অবস্তান নেয়া ব্যক্তি নৌকা পেয়ে গেছেন এমন ভাব দেখিয়ে যুগের পর যুগ নৌকার মাঝিকে কঠাক্ষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী বলে কি বুজাতে চান?

ধোকাবাজী ছাতক দোয়ারাবাসী ভাল করেই বুঝে ৯১ থেকে নৌকার মাঝিকে গনতন্ত্রী পার্টির নেতা বলে বক্তব্য দেয়া এদের বয়স ৯১ সালে কত ছিল এখন কত আর কোথায় কি করেছেন ছাতক দোয়ারার মানুষের জন্য কিছু করাতো দুরের কথা আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে শুধু নিজেরাই লাভবান হয়েছেন।

ছাতক দোয়ারার উন্নয়ন কাজকে বাধাগ্রস্ত করতে কাজ করেছেন, কালোটাকা দিয়ে রুজের কামলা নিয়ে জনপ্রিয়তা মাপা যায়না, জনপ্রিয়তার হিসাব ছাতক দোয়ারাবাসীর কাছে আছে ২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচনে রিক্সার ড্রাইভারী করে আয়টা ও মানুষ জানে। চাদাবাজঁ সন্ত্রাসীদের প্রতিষ্ঠিত করতে ছাতক দোয়ারাবাসী কখন দিবেনা।

ছাতকের কালারুকা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিনের ফেইসবুক টাইমলাইন থেকে নেওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন






© All rights reserved © 2019 sylhetprotidin24