আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - সকাল ৯:৫২

শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করায় স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার করছে

Published: মার্চ ০১, ২০১৮ - ৫:৪০ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক:: নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবু সরকার। শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে হেয় করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন আবু সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন একটি এতিহ্যবাহী সংগঠন। এ সংগঠনের সরকার অনুমোদিত নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু সদ্য সাবেক সভাপতি দিলু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিয়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে শ্রমিক সমাজ ও দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছেন। ২০১৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করে চাঁদাবাজির রূপরেখা তৈরি করে এ কমিটি। পঙ্গু ভাতা ও বেকার শ্রমিক ভাতার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এক হাজার টাকা মূল্যের রিসিট ও স্টিকার দিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চাঁদাবাজরা। সব মিলিয়ে এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে তারা। এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তিনিসহ অনেক শ্রমিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্যজোটের ডাকা ধর্মঘটে সাবেক সংসদ সদস্য সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীর গাড়ি ভাঙচুর করে এই দুস্কৃতিকারীরা। যা সিসি ক্যামেরায় উঠে এসেছে। অথচ এ ঘটনায় দিলু মিয়া ও আব্দুল গফুর মিয়ার প্ররোচণায় আমাকে প্রধান আসামি করে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এতে প্রকৃত দুস্কৃতিকারীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠনতন্ত্রের ২৬ ধারা অমান্য করে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিনা নোটিশে তাকেসহ ৩৩ জন শ্রমিককে বহিস্কার দেখানো হয়। যা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি।

আবু সরকার আরো বলেন, সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে বাঁশ রয়েলিটির ব্যাপারে যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয়। ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ট্রাক শ্রমিক ও বাঁশ রয়েলিটির মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি বাদী হয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর বাঁশ কলটি উচ্ছেদ করার রায় দেয় উচ্চ আদালত। এই সফলতার ভাগিদার তিনি। শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সব সময় সচেষ্ট থাকবেন উল্লেখ করে আবু সরকার শীঘ্রই আহবায়ক কমিটি গঠন করে ৪৫ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানান।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক:: নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবু সরকার। শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে হেয় করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন আবু সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন একটি এতিহ্যবাহী সংগঠন। এ সংগঠনের সরকার অনুমোদিত নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু সদ্য সাবেক সভাপতি দিলু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিয়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে শ্রমিক সমাজ ও দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছেন। ২০১৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করে চাঁদাবাজির রূপরেখা তৈরি করে এ কমিটি। পঙ্গু ভাতা ও বেকার শ্রমিক ভাতার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এক হাজার টাকা মূল্যের রিসিট ও স্টিকার দিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চাঁদাবাজরা। সব মিলিয়ে এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে তারা। এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তিনিসহ অনেক শ্রমিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ঐক্যজোটের ডাকা ধর্মঘটে সাবেক সংসদ সদস্য সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীর গাড়ি ভাঙচুর করে এই দুস্কৃতিকারীরা। যা সিসি ক্যামেরায় উঠে এসেছে। অথচ এ ঘটনায় দিলু মিয়া ও আব্দুল গফুর মিয়ার প্ররোচণায় আমাকে প্রধান আসামি করে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এতে প্রকৃত দুস্কৃতিকারীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠনতন্ত্রের ২৬ ধারা অমান্য করে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিনা নোটিশে তাকেসহ ৩৩ জন শ্রমিককে বহিস্কার দেখানো হয়। যা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি।

আবু সরকার আরো বলেন, সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে বাঁশ রয়েলিটির ব্যাপারে যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয়। ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ট্রাক শ্রমিক ও বাঁশ রয়েলিটির মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি বাদী হয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর বাঁশ কলটি উচ্ছেদ করার রায় দেয় উচ্চ আদালত। এই সফলতার ভাগিদার তিনি। শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সব সময় সচেষ্ট থাকবেন উল্লেখ করে আবু সরকার শীঘ্রই আহবায়ক কমিটি গঠন করে ৪৫ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানান।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর