শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিশুর পায়ে সূচ ঢুকিয়ে নির্যাতন করল পুলিশের সোর্স !

শিশুর পায়ে সূচ ঢুকিয়ে নির্যাতন করল পুলিশের সোর্স !

এম. এ. কাইয়ুম, মৌলভীবাজার::এবার ১২ বছরের এক শিশুর পায়ে সূচ ঢুকিয়ে নির্যাতন করলো শ্রীমঙ্গল থানার সোর্স মানিক ও পরিবার। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। এ অমানবিক ঘটনা ঘটে শুক্রবার (২ মার্চ) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামনগর এলাকায়।

আহত শিশু মামুন মিয়া শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামনগর এলাকার জালাল মিয়ার ছেলে। মামুন ইছবপুরের রমিজাখাতুন ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।

মামুন জানায়, আমি বিকেলে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় পুলিশের ইনফরমার মানিক ও তার পরিবারের লোকজন আমাকে ধরে নিয়ে ঘরে বন্দী করে মারতে থাকেন এবং আমার পায়ে সূচ ফুটিয়ে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী আরিফ বলেন, মানিক এবং তার পরিবারের সদস্যরা মিলে শিশু মামুনের পায়ে সূচ ফুটিয়ে দেন। পরে তাকে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় ইমনের উপরও চড়াও হন তারা।

রামনগর এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরজু মিয়া বলেন, মানিক ভালো মানুষকে পুলিশের খাতায় নাম লিখিয়ে বেকাদায় ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি একজন স্ত্রী নির্যাতনকারীও। তার স্ত্রীকে নির্যাতনের ছবিও রয়েছে এলাকার কারো কারো কাছে। তিনি এবার শিশু নির্যাতনকারীর খাতায় নাম লেখালেন ।

এদিকে শিশু নির্যাতনের ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মানিক নিজেই আহত সেজেছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে মানিক বলেন, আমি বিকেলে বাড়ি ছিলাম না। শ্রীমঙ্গল শহরের ছিলাম। বাসায় আসার পর আমার ওপর স্থানীয়রা আমার ওপর হামলা করেছেন।

শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মিনাক্ষ্মী দেবনাথ বলেন, মামুনের শরীরে ‘ট্রমাটিক পেইন’ অর্থাৎ সারা শরীরে ব্যথা রয়েছে। পায়ে এবং হাতে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।

এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেল) আশরাফুজ্জামান এ বিষয়য়ে অবগত নয় জানিয়ে বলেন, আপনাদের কাছ থেকে শুনেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন






© All rights reserved © 2019 sylhetprotidin24