আজঃ ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ - ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ১১:০৭

রেল লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব,নিহত ৫০

Published: অক্টো ১৯, ২০১৮ - ১১:০৪ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন::ভারতের রেল লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব দেখার সময়ে দুটি ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। ভারতের সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাবের অমৃতসরের চৌরি বাজার এলাকায় দশেরার রাবণ পোড়ানো উৎসব দেখার সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ভারতের বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সেখানকার সংসদ সদস্য ও রাজ্যের মন্ত্রী নভোজিৎ সিধুর স্ত্রী নভোজিৎ কাউর সিধু।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রেল লাইনের পাশে দশেরার রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হচ্ছিল। সেই উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন কয়েকশ মানুষ। পুতুল পোড়ানোর সময়ে ছিটকে আসা  আগুন থেকে বাঁচতে দর্শকদের একাংশ রেল লাইনের ওপরে উঠে আসে। আর তখনই ওই লাইন ধরে দ্রুত গতির ট্রেন চলে আসলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপরীত দিক থেকে আলাদা লাইনে দুটি ট্রেন এক সঙ্গে চলে আসায় কোনও দিকেই দর্শকেরা সরতে পারেনি। একারণেই প্রাণহানির ঘটনা বেড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে ঘটনাস্থলে প্রায় সাতশো মানুষ ছিলেন। অন্তত ৬০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ট্রেন আসার বিষয়ে কোনও সতর্কতা দেওয়া হয়নি। এজন্য প্রশাসনকে দায়ী করেন তিনি। ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘এটা প্রশাসন এবং দশেরা কমিটির দায়। তাদেরই নিশ্চিত করা উচিত ছিলো হয় ট্রেন থেমে থাকবে, না হয় আস্তে যাবে’।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংহ বলেছেন, উদ্ধার ত্রাণ তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করে তিনি অমৃতসরের দিকে রওনা দিয়েছেন। সরকারি বেসরকারি সব হাসপাতাল খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘নিহতদের পরিবার প্রতি পাঁচ লাখ রুপি দেবে তার সরকার। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন আহতরা’। সম্ভাব্য সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন::ভারতের রেল লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব দেখার সময়ে দুটি ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। ভারতের সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাবের অমৃতসরের চৌরি বাজার এলাকায় দশেরার রাবণ পোড়ানো উৎসব দেখার সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ভারতের বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সেখানকার সংসদ সদস্য ও রাজ্যের মন্ত্রী নভোজিৎ সিধুর স্ত্রী নভোজিৎ কাউর সিধু।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রেল লাইনের পাশে দশেরার রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হচ্ছিল। সেই উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন কয়েকশ মানুষ। পুতুল পোড়ানোর সময়ে ছিটকে আসা  আগুন থেকে বাঁচতে দর্শকদের একাংশ রেল লাইনের ওপরে উঠে আসে। আর তখনই ওই লাইন ধরে দ্রুত গতির ট্রেন চলে আসলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপরীত দিক থেকে আলাদা লাইনে দুটি ট্রেন এক সঙ্গে চলে আসায় কোনও দিকেই দর্শকেরা সরতে পারেনি। একারণেই প্রাণহানির ঘটনা বেড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে ঘটনাস্থলে প্রায় সাতশো মানুষ ছিলেন। অন্তত ৬০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ট্রেন আসার বিষয়ে কোনও সতর্কতা দেওয়া হয়নি। এজন্য প্রশাসনকে দায়ী করেন তিনি। ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘এটা প্রশাসন এবং দশেরা কমিটির দায়। তাদেরই নিশ্চিত করা উচিত ছিলো হয় ট্রেন থেমে থাকবে, না হয় আস্তে যাবে’।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংহ বলেছেন, উদ্ধার ত্রাণ তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করে তিনি অমৃতসরের দিকে রওনা দিয়েছেন। সরকারি বেসরকারি সব হাসপাতাল খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘নিহতদের পরিবার প্রতি পাঁচ লাখ রুপি দেবে তার সরকার। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন আহতরা’। সম্ভাব্য সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর