আজঃ ৩রা কার্তিক ১৪২৫ - ১৮ই অক্টোবর ২০১৮ - সকাল ১০:১৫

রাজু হত্যার ঘটনায় ৩ ছাত্রদল নেতা আটক

Published: আগ ১২, ২০১৮ - ১০:২৪ অপরাহ্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি::সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়জুল হক রাজু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছাত্রদলের তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে তাদের আটক করা হয়।

কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ২/৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে আর কিছু বলা যাবে না।

আটকরা হলেন- সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি লিটন আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্না ও জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজু।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত শেষে নিহত ছাত্রদল নেতা ফয়জুল হক রাজুর মরদেহ রোববার দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এরপর রাজুর মরদেহ গোসল করাতে নিয়ে যাওয়া হয় মানিকপীর কবরস্থান এলাকায়। সেখানে উপস্থিত থাকা জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজুকে আটক করেন সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল আহমদ। আনোয়ারকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা লিটন আহমদ ও এখলাছুর রহমান মুন্না ছুটে যান সোবহানীঘাট ফাঁড়িতে। পুলিশ আনোয়ার হোসেন রাজু, লিটন ও মুন্নাকে ফাঁড়ি থেকে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়। ফয়জুল হক রাজু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরের কুমারপাড়া এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষে নিহত হন ফয়জুল হক রাজু। আহত হন আরও দুই ছাত্রদল নেতা।

জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ফয়জুল হক রাজু কমিটির বিপক্ষে ছিলেন। কমিটির পক্ষের নেতাকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

Facebook Comments

বিশেষ প্রতিনিধি::সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়জুল হক রাজু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছাত্রদলের তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে তাদের আটক করা হয়।

কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ২/৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে আর কিছু বলা যাবে না।

আটকরা হলেন- সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি লিটন আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্না ও জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজু।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত শেষে নিহত ছাত্রদল নেতা ফয়জুল হক রাজুর মরদেহ রোববার দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এরপর রাজুর মরদেহ গোসল করাতে নিয়ে যাওয়া হয় মানিকপীর কবরস্থান এলাকায়। সেখানে উপস্থিত থাকা জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজুকে আটক করেন সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল আহমদ। আনোয়ারকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা লিটন আহমদ ও এখলাছুর রহমান মুন্না ছুটে যান সোবহানীঘাট ফাঁড়িতে। পুলিশ আনোয়ার হোসেন রাজু, লিটন ও মুন্নাকে ফাঁড়ি থেকে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়। ফয়জুল হক রাজু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরের কুমারপাড়া এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষে নিহত হন ফয়জুল হক রাজু। আহত হন আরও দুই ছাত্রদল নেতা।

জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ফয়জুল হক রাজু কমিটির বিপক্ষে ছিলেন। কমিটির পক্ষের নেতাকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর