আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - সকাল ৯:৫০

রাজনগরে পাওনা টাকা চাইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৩

Published: মার্চ ০৪, ২০১৮ - ৭:৩৪ অপরাহ্ণ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের রাজনগরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আহাদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (৪ মার্চ) ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় নিহত আহাদের লাশ তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে শনিবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাতে আহাদ মিয়া সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের বাড়ি টেংরা ইউনিয়নের সৈয়দনগর গ্রামে। এঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে রাজনগর থানায় মামলা করেছেন। এই মামলার এজহারনামীয় আসামী কমরুন বেগম নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, টেংরা ইউনিয়নের সৈয়দনগর গ্রামের ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে মসুদ মিয়ার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা প্রায় দুই বছর আগে ধার নিয়েছিলো পাশের বাড়ির কাপ্তান মিয়ার ছেলে মোস্তফা মিয়া। দীর্ঘদিন টাকা ফেরত চাইলে সে মোস্তফা পাত্তা দিচ্ছিলেন না।

গত শুক্রবার (২ মার্চ) দিবাগত রাতে মোস্তফা মিয়ার পিতা কাপ্তান মিয়া টর্চ লাইট চার্জ দেয়ার জন্য মসুদ মিয়ার বাড়িতে এলে তিনি পাওনা টাকা নিয়ে কথা বলেন। এসময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ক্ষিপ্ত কাপ্তান মিয়া বাড়িতে গেলে তার ছেলে ও আত্মীয়-স্বজনকে বিষয়টি জানালে তারা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় মসুদ মিয়া দৌড়ে গিয়ে পাশের বাড়িতে তার ভাই ও চাচা ভাইদের কে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে মসুদ মিয়ার ভাই সিপন মিয়াসহ আহাদ মিয়া (৩২), সিজিল মিয়া (২৬) এবং রফুল মিয়া (৩২) ঘটনাস্থলে যান। মসুদ মিয়ার বাড়ির পাশে ওঁত পেতে থাকা মোস্তফা মিয়া (৪০), মুকিদ মিয়া (৪৫), জুনাইদ মিয়া (১৮), আলামিন (১৮) আবুল মিয়া (২৬) ও সালাম মিয়াসহ (৩০) কয়েকজন লোকজন হামলা চালায়। এতে নিহত আহাদ মিয়াসহ অন্যরা গুরুতর আহত হয়।

আহতদের মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহাদ মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে শনিবার রাত ১টার সময় তার মৃত্যু হয়।

এঘটনায় মসুদ মিয়া বাদী হয়ে রাজনগর থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা (নং-২) করেছেন। মামলার এজাহার নামীয় আসামী মদরিস মিয়ার স্ত্রী মকরুন বেগমকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে রাজনগর থানা পুলিশ।

রাজনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে হামলার ঘটনায় আহাদ মিয়া নিহত হয়েছেন। এঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ এজহারনামীয় এক নারীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। অন্যরা পলাতক। বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের রাজনগরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আহাদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (৪ মার্চ) ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় নিহত আহাদের লাশ তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে শনিবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাতে আহাদ মিয়া সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের বাড়ি টেংরা ইউনিয়নের সৈয়দনগর গ্রামে। এঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে রাজনগর থানায় মামলা করেছেন। এই মামলার এজহারনামীয় আসামী কমরুন বেগম নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, টেংরা ইউনিয়নের সৈয়দনগর গ্রামের ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে মসুদ মিয়ার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা প্রায় দুই বছর আগে ধার নিয়েছিলো পাশের বাড়ির কাপ্তান মিয়ার ছেলে মোস্তফা মিয়া। দীর্ঘদিন টাকা ফেরত চাইলে সে মোস্তফা পাত্তা দিচ্ছিলেন না।

গত শুক্রবার (২ মার্চ) দিবাগত রাতে মোস্তফা মিয়ার পিতা কাপ্তান মিয়া টর্চ লাইট চার্জ দেয়ার জন্য মসুদ মিয়ার বাড়িতে এলে তিনি পাওনা টাকা নিয়ে কথা বলেন। এসময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ক্ষিপ্ত কাপ্তান মিয়া বাড়িতে গেলে তার ছেলে ও আত্মীয়-স্বজনকে বিষয়টি জানালে তারা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় মসুদ মিয়া দৌড়ে গিয়ে পাশের বাড়িতে তার ভাই ও চাচা ভাইদের কে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে মসুদ মিয়ার ভাই সিপন মিয়াসহ আহাদ মিয়া (৩২), সিজিল মিয়া (২৬) এবং রফুল মিয়া (৩২) ঘটনাস্থলে যান। মসুদ মিয়ার বাড়ির পাশে ওঁত পেতে থাকা মোস্তফা মিয়া (৪০), মুকিদ মিয়া (৪৫), জুনাইদ মিয়া (১৮), আলামিন (১৮) আবুল মিয়া (২৬) ও সালাম মিয়াসহ (৩০) কয়েকজন লোকজন হামলা চালায়। এতে নিহত আহাদ মিয়াসহ অন্যরা গুরুতর আহত হয়।

আহতদের মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহাদ মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে শনিবার রাত ১টার সময় তার মৃত্যু হয়।

এঘটনায় মসুদ মিয়া বাদী হয়ে রাজনগর থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা (নং-২) করেছেন। মামলার এজাহার নামীয় আসামী মদরিস মিয়ার স্ত্রী মকরুন বেগমকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে রাজনগর থানা পুলিশ।

রাজনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে হামলার ঘটনায় আহাদ মিয়া নিহত হয়েছেন। এঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ এজহারনামীয় এক নারীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। অন্যরা পলাতক। বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর