আজঃ ৫ই কার্তিক ১৪২৫ - ২০শে অক্টোবর ২০১৮ - সকাল ৭:১২

যড়যন্ত্র মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Published: অক্টো ০১, ২০১৮ - ১২:৫১ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সব অর্জনই সাধারণ মানুষের, সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে।

সোমবার সকালে গণভবনে দেয়া এক সংবর্ধনায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানকালে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘স্পেশাল ডিস্টিংশন অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ’ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় শেখ হাসিনাকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

এ সময় তিনি আত্মতুষ্টিতে না ভুগে নেতাকর্মীদের সবসময় শতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সব জায়গায় দল ও সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শত বাধা-ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই ক্ষমতায় আসতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলেই আজ আত্মমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত দেশ।

‘জনসমর্থন ও একের পর এক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে পারায় টানা দুই মেয়াদে দেশের মর্যাদাপূর্ণ সব অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি, এটি মাথায় রেখেই চলতে হবে। আত্মতুষ্টিতে থাকা যাবে না, আত্মতুষ্টি মানেই পতন। প্রতিপক্ষকে সবসময় শক্তিশালী মনে করেই চলতে হবে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের সাফল্য সব জায়গায় তুলে ধরতে হবে। ভোটের অধিকার কেবল আওয়ামী লীগই প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে।

এর আগে সকাল সোয়া ৯টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে তিনি যান তার সরকারি বাসভবন গণভবনে।

শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেইওর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সংবর্ধনা সভায়ও যোগ দেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ইন্টার প্রেস সার্ভিস (আইপিএস) প্রদত্ত সম্মানজনক ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয়দানের মাধ্যমে মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করায় তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়।

পাশাপাশি দূরদৃষ্টির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার জন্য গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশনের পরিচালনা পর্ষদ শেখ হাসিনাকে ‘২০১৮ স্পেশাল রিকগনাইজেশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত করে।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সব অর্জনই সাধারণ মানুষের, সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে।

সোমবার সকালে গণভবনে দেয়া এক সংবর্ধনায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানকালে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘স্পেশাল ডিস্টিংশন অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ’ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় শেখ হাসিনাকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

এ সময় তিনি আত্মতুষ্টিতে না ভুগে নেতাকর্মীদের সবসময় শতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সব জায়গায় দল ও সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শত বাধা-ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই ক্ষমতায় আসতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলেই আজ আত্মমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত দেশ।

‘জনসমর্থন ও একের পর এক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে পারায় টানা দুই মেয়াদে দেশের মর্যাদাপূর্ণ সব অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি, এটি মাথায় রেখেই চলতে হবে। আত্মতুষ্টিতে থাকা যাবে না, আত্মতুষ্টি মানেই পতন। প্রতিপক্ষকে সবসময় শক্তিশালী মনে করেই চলতে হবে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের সাফল্য সব জায়গায় তুলে ধরতে হবে। ভোটের অধিকার কেবল আওয়ামী লীগই প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে।

এর আগে সকাল সোয়া ৯টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে তিনি যান তার সরকারি বাসভবন গণভবনে।

শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেইওর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সংবর্ধনা সভায়ও যোগ দেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ইন্টার প্রেস সার্ভিস (আইপিএস) প্রদত্ত সম্মানজনক ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয়দানের মাধ্যমে মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করায় তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়।

পাশাপাশি দূরদৃষ্টির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার জন্য গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশনের পরিচালনা পর্ষদ শেখ হাসিনাকে ‘২০১৮ স্পেশাল রিকগনাইজেশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত করে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর