আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - রাত ৩:৫৬

মিয়াদ হত্যা মামলায় আসামী হলেন যারা

Published: অক্টো ১৮, ২০১৭ - ১০:০৯ অপরাহ্ণ

সিলেট নগরীর টিলগাড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী ওমর মিয়াদ (২২) খুনের ঘটনায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে  ১০জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার রাতে সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা-৬ তাং ১৮/১০/১৭ দায়ের করেছেন মিয়াদের বাবা আকুল মিয়া। মামলায় আরও ৪-৫জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।

মামলার আসামীরা হলেন ১,এম রায়হান চৌধুরী,পিতা নবু চৌধুরী,২,তোফায়েল আহমদ পিতা ময়নুল হক চৌধুরী,৩ সারওয়ার হোসেন চৌঃ,পিতা মৃত আকরাম খান,৪ জুবায়ের খান, পিতা আকরাম খান,৫ জাকারিয়া মাহমুদ,পিতা হাবিবুর রহমান,৬ রুহেল, পিতা অজ্ঞাত,৭ফাহিম শাহ,পিতা সাজ্জাদ মিয়া,৮ ফখরুল আহমদ,পিতা ময়না মিয়া,৯ শওকত হাসান মানিক,পিতা মৃত ওসমান গণি,১০ রফিউল করিম মাসুম,পিতা অজ্ঞাত।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে ছাত্রলীগ কর্মী তোফায়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর একই এলাকায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের ছুরিকাঘাতে নিহত হন ছাত্রলীগের কর্মী জাকারিয়া মোহাম্মদ মাসুম। এনিয়ে গত ৭ বছরে সিলেটে ছাত্রলীগের আভ্যন্তরীন বিরোধে খুন হলেন ৮ জন। এরমধ্যে তিনটি হত্যাকান্ডের ঘটনাই ঘটেছে টিলাগড় এলাকায়।নিহত ওমর আলী মিয়াদ সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ছাত্র এবং শহরতলীর বালুচর এলাকার আকুল মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফখরুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ফখরুল সিলেট সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স শাখায় কর্মরত।

Facebook Comments

সিলেট নগরীর টিলগাড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী ওমর মিয়াদ (২২) খুনের ঘটনায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে  ১০জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার রাতে সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা-৬ তাং ১৮/১০/১৭ দায়ের করেছেন মিয়াদের বাবা আকুল মিয়া। মামলায় আরও ৪-৫জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।

মামলার আসামীরা হলেন ১,এম রায়হান চৌধুরী,পিতা নবু চৌধুরী,২,তোফায়েল আহমদ পিতা ময়নুল হক চৌধুরী,৩ সারওয়ার হোসেন চৌঃ,পিতা মৃত আকরাম খান,৪ জুবায়ের খান, পিতা আকরাম খান,৫ জাকারিয়া মাহমুদ,পিতা হাবিবুর রহমান,৬ রুহেল, পিতা অজ্ঞাত,৭ফাহিম শাহ,পিতা সাজ্জাদ মিয়া,৮ ফখরুল আহমদ,পিতা ময়না মিয়া,৯ শওকত হাসান মানিক,পিতা মৃত ওসমান গণি,১০ রফিউল করিম মাসুম,পিতা অজ্ঞাত।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে ছাত্রলীগ কর্মী তোফায়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর একই এলাকায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের ছুরিকাঘাতে নিহত হন ছাত্রলীগের কর্মী জাকারিয়া মোহাম্মদ মাসুম। এনিয়ে গত ৭ বছরে সিলেটে ছাত্রলীগের আভ্যন্তরীন বিরোধে খুন হলেন ৮ জন। এরমধ্যে তিনটি হত্যাকান্ডের ঘটনাই ঘটেছে টিলাগড় এলাকায়।নিহত ওমর আলী মিয়াদ সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ছাত্র এবং শহরতলীর বালুচর এলাকার আকুল মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফখরুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ফখরুল সিলেট সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স শাখায় কর্মরত।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর