আজঃ ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ১২:৪৫

ভোটের তারিখ ও নির্বাচনকালীন সরকার: এক বক্তব্যে তোলপাড়

Published: সেপ্টে ০৭, ২০১৮ - ৯:০৬ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দেওয়া বক্তব্য হঠাৎ আলোড়ন তুলে দিয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সংশ্নিষ্ট মহলে। ক্ষমতাসীন দলের ভেতরেই এ নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথায় গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা ও সমালোচনা প্রকাশ পেয়েছে। তবে সংসদের বাইরে থাকা বিরোধী দল বিএনপি নেতারা গতকাল পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন আগামী ২৭ ডিসেম্বর হতে পারে বলে তিনি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলাপে জানতে পেরেছেন। এ ছাড়া নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ২০ দিনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি। কিন্তু এই বক্তব্যের কারণে নিজ দলের মন্ত্রীদের কাছ থেকেই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে, যার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল তিনি বলেছেন, তার ওই বক্তব্য ছিল অনুমাননির্ভর।

এদিকে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদা গতকাল বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার এখতিয়ার কেবলই নির্বাচন কমিশনের। এটি আর কারও বলার বিষয় নয়।

সাংবাদিকদের এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল সিইসি কে. এম. নুরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনের তারিখ দিয়ে অর্থমন্ত্রী ঠিক করেননি। তিনি ভুল বলেছেন। এটা তার কাজ নয়। ভোটের তারিখ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনো ধরনের আলোচনাও হয়নি বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে বলার এখতিয়ার সরকার বা কোনো মন্ত্রীর নেই। দলের কোনো নেতারও নেই। এটা ইসির কাজ। কাজেই এ বিষয়ে কথা বলে ইসিকে বিব্রত করাও ঠিক নয়।

অন্যদিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণ এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দেওয়া বক্তব্য হঠাৎ আলোড়ন তুলে দিয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সংশ্নিষ্ট মহলে। ক্ষমতাসীন দলের ভেতরেই এ নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথায় গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা ও সমালোচনা প্রকাশ পেয়েছে। তবে সংসদের বাইরে থাকা বিরোধী দল বিএনপি নেতারা গতকাল পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন আগামী ২৭ ডিসেম্বর হতে পারে বলে তিনি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলাপে জানতে পেরেছেন। এ ছাড়া নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ২০ দিনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি। কিন্তু এই বক্তব্যের কারণে নিজ দলের মন্ত্রীদের কাছ থেকেই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে, যার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল তিনি বলেছেন, তার ওই বক্তব্য ছিল অনুমাননির্ভর।

এদিকে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদা গতকাল বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার এখতিয়ার কেবলই নির্বাচন কমিশনের। এটি আর কারও বলার বিষয় নয়।

সাংবাদিকদের এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল সিইসি কে. এম. নুরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনের তারিখ দিয়ে অর্থমন্ত্রী ঠিক করেননি। তিনি ভুল বলেছেন। এটা তার কাজ নয়। ভোটের তারিখ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনো ধরনের আলোচনাও হয়নি বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে বলার এখতিয়ার সরকার বা কোনো মন্ত্রীর নেই। দলের কোনো নেতারও নেই। এটা ইসির কাজ। কাজেই এ বিষয়ে কথা বলে ইসিকে বিব্রত করাও ঠিক নয়।

অন্যদিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণ এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর