আজঃ ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ - ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ১১:০৮

ভারতীয় অর্থায়নে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে করেছেন সিসিক মেয়র ও সহকারি হাই কমিশনার

Published: অক্টো ১৬, ২০১৮ - ৪:৩৭ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: ভারত সরকারের অর্থায়নে সিলেটের কয়েকটি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার শ্রী এল কৃষ্ণমূর্তি। 

মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর ধোপা দিঘীরপাড় সংস্কার কাজ, চারাদিঘীরপাড়ে নির্মিতব্য স্কুল, চালিবন্দর শশ্মান ঘাট ও সুইপার কলোনী পরিদর্শন করেন। এর আগে সকালে মাছিম পুরে নির্মিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্য পরিদর্শন করেন তারা। সকালে মাছিম পুরে সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে নির্মিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্য পরিদর্শনে গেলে সিসিক মেয়র ও সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার শ্রী এল কৃষ্ণমূর্তি রবী ঠাকুরের ভাস্কর্যে পুষ্পস্থবক অর্পন করেন। এসময় স্থানিয় মনিপুরী সম্প্রদায় সিসিক মেয়র ও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার এল কৃষ্ণমূর্তি’র সম্মানে আয়োজন করে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।

মণিপুরী কমিউনিটি নেতা বিলাস সিংহের সভাপতিত্বে ও মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক সুনীল সিংহের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় তিনি ভারতীয় অর্থায়নে নির্মিতব্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় ভারত সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানান। সিসিক মেয়র বলেন, মণিপুড়ী পাড়ার রবীন্দ্র স্মৃতি স্তম্ব রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি একাডেমিক কালরাচাল সেন্টার ও মন্দিরের আধুনিকায়নে একটি কমপ্লেক্স স্থাপন করা হবে।

এছাড়া পুরো মাছিমপুর এলাকাকে পর্যটকদের আকৃষ্ট করে তুলতে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সিলেট। একারনে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর উন্নয়নে ভারত সরকারের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন সিসিক মেয়র।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারি সহকারি হাইকমিশনার এল. কৃষ্ণামুর্তি বলেন, মণিপুড়ী সম্প্রদায়ের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। মণিপুরী সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে বরীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভূমিকা রেখেছিলেন। এসময় এল. কৃষ্ণামুর্তি মণিপুড়ী সমাজের কৃষ্টি কালচারে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে আবারো মণীপুড়ী পাড়ায় আসার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পরে অতিথিরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মুগ্ধ করা মনিপুরী রাস নৃত্য উপভোগ করেন।অতিথিরা এসময় দূর্গাপূজার বিভিন্ন মন্ডপ ঘুরে দেখেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, স্থানিয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদ, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রেবেকা আক্তার লাকি, সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব ফারুক আহমদ, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রকৌশলী আলী আকবর, মণিপুড়ী সমাজ কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি স্বপন কুমার সিংহ, ধীরেন্দ্র সিংহ ধীরু, রবীন্দ্র সিংহ, নারী নেত্রী সুনীলা সিংহা, দেশাশীষ সিংহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধীন ভারতীয় অর্থায়নে প্রায় ২২ কোটি টাকার ৩টি প্রকল্প কিন্ডারগার্টেন স্কুল নির্মান,পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসস্থল নির্মান এবং ধোপা দিঘীরপাড় সংস্কার কাজ এগিয়ে চলছে।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: ভারত সরকারের অর্থায়নে সিলেটের কয়েকটি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার শ্রী এল কৃষ্ণমূর্তি। 

মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর ধোপা দিঘীরপাড় সংস্কার কাজ, চারাদিঘীরপাড়ে নির্মিতব্য স্কুল, চালিবন্দর শশ্মান ঘাট ও সুইপার কলোনী পরিদর্শন করেন। এর আগে সকালে মাছিম পুরে নির্মিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্য পরিদর্শন করেন তারা। সকালে মাছিম পুরে সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে নির্মিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্য পরিদর্শনে গেলে সিসিক মেয়র ও সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার শ্রী এল কৃষ্ণমূর্তি রবী ঠাকুরের ভাস্কর্যে পুষ্পস্থবক অর্পন করেন। এসময় স্থানিয় মনিপুরী সম্প্রদায় সিসিক মেয়র ও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার এল কৃষ্ণমূর্তি’র সম্মানে আয়োজন করে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।

মণিপুরী কমিউনিটি নেতা বিলাস সিংহের সভাপতিত্বে ও মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক সুনীল সিংহের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় তিনি ভারতীয় অর্থায়নে নির্মিতব্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় ভারত সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানান। সিসিক মেয়র বলেন, মণিপুড়ী পাড়ার রবীন্দ্র স্মৃতি স্তম্ব রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি একাডেমিক কালরাচাল সেন্টার ও মন্দিরের আধুনিকায়নে একটি কমপ্লেক্স স্থাপন করা হবে।

এছাড়া পুরো মাছিমপুর এলাকাকে পর্যটকদের আকৃষ্ট করে তুলতে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সিলেট। একারনে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর উন্নয়নে ভারত সরকারের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন সিসিক মেয়র।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারি সহকারি হাইকমিশনার এল. কৃষ্ণামুর্তি বলেন, মণিপুড়ী সম্প্রদায়ের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। মণিপুরী সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে বরীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভূমিকা রেখেছিলেন। এসময় এল. কৃষ্ণামুর্তি মণিপুড়ী সমাজের কৃষ্টি কালচারে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে আবারো মণীপুড়ী পাড়ায় আসার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পরে অতিথিরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মুগ্ধ করা মনিপুরী রাস নৃত্য উপভোগ করেন।অতিথিরা এসময় দূর্গাপূজার বিভিন্ন মন্ডপ ঘুরে দেখেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, স্থানিয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদ, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রেবেকা আক্তার লাকি, সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব ফারুক আহমদ, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রকৌশলী আলী আকবর, মণিপুড়ী সমাজ কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি স্বপন কুমার সিংহ, ধীরেন্দ্র সিংহ ধীরু, রবীন্দ্র সিংহ, নারী নেত্রী সুনীলা সিংহা, দেশাশীষ সিংহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধীন ভারতীয় অর্থায়নে প্রায় ২২ কোটি টাকার ৩টি প্রকল্প কিন্ডারগার্টেন স্কুল নির্মান,পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসস্থল নির্মান এবং ধোপা দিঘীরপাড় সংস্কার কাজ এগিয়ে চলছে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর