আজঃ ২রা পৌষ ১৪২৫ - ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ - সকাল ৮:৩৫

ব্যাটসম্যানদের দুষলেন সাকিব

Published: আগ ০১, ২০১৮ - ১:২৪ অপরাহ্ণ

ক্রীড়া ডেস্ক :: একে ব্যাটিংসহায়ক উইকেট, তার ওপর আবার সেন্ট কিটসের বাউন্ডারি ছোট। তবু কাজটি ঠিকভাবে করতে পারেননি সাকিব-তামিমরা। ফলে লড়াইয়ের পুঁজি পাননি বোলাররা; অধিকন্তু বৃষ্টিবাধা। স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ৭ উইকেটে হেরে গেছে বাংলাদেশ।

এ জয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এজন্য ব্যাটসম্যানদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। তার মতে, এ মাঠে লড়তে হলে কমপক্ষে ১৮০ রান করতে হতো। তা করতে না পারায় হারের দায়টা ব্যাটসম্যানদেরই নিতে হবে।

ম্যাচশেষে সাকিব বলেন, শুরুতে আমরা আত্মঘাতী শট খেলেছি। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মূল্যবান দুই (তামিম-সৌম্য) উইকেট হারিয়েছি। এর পর আমি ও লিটন খেলাটা টেনে নিয়ে যাচ্ছিলাম। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে পরপর দুই বলে আউট হয়ে যাই। এটি বড় ধাক্কা ছিল।

তিনি যোগ করেন, পরে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ ভাইয়ের মধ্যে একটা জুটি গড়ে ওঠে। তবে মুশফিক ভাই আউট হয়ে গেলে ফের চাপে পড়ি আমরা। ফলে মোমেন্টামটা পাইনি। তাই বড় স্কোর হয়নি। এ ধরনের উইকেট ও মাঠে অন্তত ১৮০ রান হওয়া উচিত ছিল।

প্রথমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও রান উঠছিল ঝড়োগতিতে। সেই তুলনায় শেষ দিকে রানই ওঠেনি। এটিকে বড় চিন্তার বিষয় ভাবছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক- হ্যাঁ, শেষ ১০ ওভারে কম রান হয়েছে। পরের ম্যাচে ভালো করতে হলে তা কাটিয়ে উঠতে হবে। এখন আমাদের এ নিয়েই ভাবতে হবে।

বৃষ্টি বাগড়ায় অনেকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। পরে বৃষ্টি থামলে খেলা শুরু হয়। এতে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ ওভারে ৯১ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সাকিব বলেন, এ ধরনের উইকেটে ৯১ রান যৎসামান্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কয়েকজন টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট রয়েছে। জিততে হলে তাদের আউট করতেই হবে।

সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ হবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। এ নিয়ে প্রথমবারের মতো মার্কিন দেশে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নতুন ভেন্যুতে শুভসূচনার আশায় লাল-সবুজ জার্সিধারীদের অধিনায়ক, সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে হবে। পরের দুটি ম্যাচ নতুন ভেন্যুতে। আশা করি, সেখানকার উইকেটে আমাদের মানানসই হবে। এখন আগামীতেই মনোযোগ দিতে হবে।

Facebook Comments

ক্রীড়া ডেস্ক :: একে ব্যাটিংসহায়ক উইকেট, তার ওপর আবার সেন্ট কিটসের বাউন্ডারি ছোট। তবু কাজটি ঠিকভাবে করতে পারেননি সাকিব-তামিমরা। ফলে লড়াইয়ের পুঁজি পাননি বোলাররা; অধিকন্তু বৃষ্টিবাধা। স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ৭ উইকেটে হেরে গেছে বাংলাদেশ।

এ জয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এজন্য ব্যাটসম্যানদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। তার মতে, এ মাঠে লড়তে হলে কমপক্ষে ১৮০ রান করতে হতো। তা করতে না পারায় হারের দায়টা ব্যাটসম্যানদেরই নিতে হবে।

ম্যাচশেষে সাকিব বলেন, শুরুতে আমরা আত্মঘাতী শট খেলেছি। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মূল্যবান দুই (তামিম-সৌম্য) উইকেট হারিয়েছি। এর পর আমি ও লিটন খেলাটা টেনে নিয়ে যাচ্ছিলাম। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে পরপর দুই বলে আউট হয়ে যাই। এটি বড় ধাক্কা ছিল।

তিনি যোগ করেন, পরে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ ভাইয়ের মধ্যে একটা জুটি গড়ে ওঠে। তবে মুশফিক ভাই আউট হয়ে গেলে ফের চাপে পড়ি আমরা। ফলে মোমেন্টামটা পাইনি। তাই বড় স্কোর হয়নি। এ ধরনের উইকেট ও মাঠে অন্তত ১৮০ রান হওয়া উচিত ছিল।

প্রথমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও রান উঠছিল ঝড়োগতিতে। সেই তুলনায় শেষ দিকে রানই ওঠেনি। এটিকে বড় চিন্তার বিষয় ভাবছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক- হ্যাঁ, শেষ ১০ ওভারে কম রান হয়েছে। পরের ম্যাচে ভালো করতে হলে তা কাটিয়ে উঠতে হবে। এখন আমাদের এ নিয়েই ভাবতে হবে।

বৃষ্টি বাগড়ায় অনেকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। পরে বৃষ্টি থামলে খেলা শুরু হয়। এতে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ ওভারে ৯১ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সাকিব বলেন, এ ধরনের উইকেটে ৯১ রান যৎসামান্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কয়েকজন টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট রয়েছে। জিততে হলে তাদের আউট করতেই হবে।

সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ হবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। এ নিয়ে প্রথমবারের মতো মার্কিন দেশে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নতুন ভেন্যুতে শুভসূচনার আশায় লাল-সবুজ জার্সিধারীদের অধিনায়ক, সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে হবে। পরের দুটি ম্যাচ নতুন ভেন্যুতে। আশা করি, সেখানকার উইকেটে আমাদের মানানসই হবে। এখন আগামীতেই মনোযোগ দিতে হবে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর