বৃত্তবন্দী ভালোবাসা

১. ভালোবাসা অনেক বড় বিষয়। একটা নির্দিষ্ট দেয়ালের মধ্যে ভালোবাসাকে আবন্ধ করা ঠিক নয়। ভালবাসা শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে হবে তা নয়। মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা, সন্তানের মা-বাবার প্রতি ভাই-বোনের ভালোবাসা এগুলোই প্রকৃত ভালোবাসা। যেখানে স্বার্থ শূন্যের কোটায়। এখনকার ছেলেমেয়ে যেসব প্রেম করে তাহা দেখিয়া আমি বিস্মিত হই! কেননা বছর দুয়েক একজন মানুষের সাথে সময় কাটাইবার পরেও কীভাবে তাকে ছাড়িয়া অন্য কারো হাত ধরে!! ভালোবাসা মানসিক ব্যাপার /আত্নিক ব্যাপার। এখানে স্বার্থ থাকা ঠিক না। স্বার্থের অনুপ্রবেশের কারণে ভালোবাসা হারিয়েছে তার রূপ রঙ আর সৌদর্য্য।
২। বৃত্তের বাইরে গিয়ে একটু চিন্তা করি। তরুণ তরুণীর পছন্দের একটা দিন “ভ্যালেন্টাইন ডে” এটা বিজাতীয় সংস্কৃতি। এতে কোন সন্দেহ নেই। এখন প্রশ্ন হলো -বিজাতীয় এই সংস্কৃতি আমরা গ্রহণ করতে পারি কীনা। উত্তর – ভালো কিছু হলে গ্রহণ করতে পারি /যা নিজের সংস্কৃতি,ইতিহাস ঐতিহ্য ধারণ করে না তা গ্রহণ করা উচিৎ নয়। ফেব্রুয়ারি ভাষার মাস। মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষা করার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন বাংলার সোনার ছেলে রফিক,সালাম,বরকত, জব্বার শফিউর প্রমুখ। সেই বাংলাকে আমরা কতটা ধারণ করি সেটা ভাববার সময় এসেছে। বেশি কিছু না বলে সংক্ষেপে বলতে গেলে বলতে হয়, ভালোবাসা সব কালের সব সময়ের। ভালোবাসাকে সময়ের বা নির্দিষ্ট দিনের গন্ডিতে আবদ্ধ করে রাখা যায় না। আর এই ভালোবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ছড়িয়ে দিতে হবে সবার মাঝে। তবেই ভালোবাসা স্বার্থক হবে।
শায়খুল ইসলাম,
পিএসএস-এম/১,

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

sylpro24
sylpro24

বিশ্ববিদ্যালয়।

Facebook Comments

Leave a Reply