আজঃ ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - বিকাল ৪:১০

বিশ্বনাথে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকীদাতা, এএসআই ক্লোজড

Published: সেপ্টে ০৭, ২০১৮ - ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি::সিলেটের বিশ্বনাথে কামরুজ্জামান নামে থানার বহুল আলোচিত এএসআই এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকী দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহষ্পতিবার রাত ১০টায় সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (ওসমানীনগর সার্কেল) কাছে তার বিরুদ্ধে এমন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই কলেজ ছাত্রী।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতেই কামরুজ্জামানকে সিলেট পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

অভিযোগে প্রকাশ, বৃহষ্পতিবার বিকেলে একটি অভিযোগের তদন্ত কাজে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জানাইয়া (মশুলা) গ্রামের আশিক আলীর বাড়িতে সাদা পোষাকে যান থানার এএসআই কামরুজ্জামান। প্রথমেই অশ্লীল গালাগাল করে স্থানীয় কিছু বখাটেদের নিয়ে তিনি বিনা অনুমতিতেই বিশ^নাথ ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি ছাত্রীর উপর চড়াও হয়ে কনস্টেবলের হাতে থাকা লাঠি নিয়ে তাকে মারতে উদ্যত হন। পরে বিশ্রামে থাকা তার মা ও বোনের ঘরে কামরুজ্জামান প্রবেশ করতে চাইলে বাঁধা দেন ওই কলেজ ছাত্রী।

এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে কামরুজ্জামান বলেন, ‘তোকে বিবস্ত্র করে পেঠাবো, সাথে থাকা ছেলেদের দিয়ে ধর্ষণ করাবো। তোরা নষ্টা মেয়ে মানুষ। আমি তোর এমন অবস্থা করব আর কেউ তোকে বিয়েই করবে না। আমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দেবে না কেউ। আমি যেই সেই দারোগা নয়! থানার সব পুলিশ আমার কথায় ওঠে-বসে। তোরা দেখবি কামরুজ্জামানের হাত কতো লম্বা।’ এসময় শোরগোল শুনে কলেজ ছাত্রীর মা ও ছোট বোন ঘর থেকে বেরিয়ে এলে তাদের সাথেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন তিনি। সাথে থাকা বখাটে ছেলেদের বলে যান-‘তারা যেন ওই কলেজ ছাত্রীকে ভালোভাবে ঠিক করে দেয়।’
এ ব্যাপারে এএসআই কামরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি যা বলেছি ওদের ভালোর জন্যেই বলেছি। ওদের শাসিয়েছি মাত্র।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, রাতে কামরুজ্জামানকে ক্লোজড করা হয়েছে।
কথা হলে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) সাইফুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি::সিলেটের বিশ্বনাথে কামরুজ্জামান নামে থানার বহুল আলোচিত এএসআই এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকী দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহষ্পতিবার রাত ১০টায় সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (ওসমানীনগর সার্কেল) কাছে তার বিরুদ্ধে এমন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই কলেজ ছাত্রী।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতেই কামরুজ্জামানকে সিলেট পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

অভিযোগে প্রকাশ, বৃহষ্পতিবার বিকেলে একটি অভিযোগের তদন্ত কাজে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জানাইয়া (মশুলা) গ্রামের আশিক আলীর বাড়িতে সাদা পোষাকে যান থানার এএসআই কামরুজ্জামান। প্রথমেই অশ্লীল গালাগাল করে স্থানীয় কিছু বখাটেদের নিয়ে তিনি বিনা অনুমতিতেই বিশ^নাথ ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি ছাত্রীর উপর চড়াও হয়ে কনস্টেবলের হাতে থাকা লাঠি নিয়ে তাকে মারতে উদ্যত হন। পরে বিশ্রামে থাকা তার মা ও বোনের ঘরে কামরুজ্জামান প্রবেশ করতে চাইলে বাঁধা দেন ওই কলেজ ছাত্রী।

এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে কামরুজ্জামান বলেন, ‘তোকে বিবস্ত্র করে পেঠাবো, সাথে থাকা ছেলেদের দিয়ে ধর্ষণ করাবো। তোরা নষ্টা মেয়ে মানুষ। আমি তোর এমন অবস্থা করব আর কেউ তোকে বিয়েই করবে না। আমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দেবে না কেউ। আমি যেই সেই দারোগা নয়! থানার সব পুলিশ আমার কথায় ওঠে-বসে। তোরা দেখবি কামরুজ্জামানের হাত কতো লম্বা।’ এসময় শোরগোল শুনে কলেজ ছাত্রীর মা ও ছোট বোন ঘর থেকে বেরিয়ে এলে তাদের সাথেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন তিনি। সাথে থাকা বখাটে ছেলেদের বলে যান-‘তারা যেন ওই কলেজ ছাত্রীকে ভালোভাবে ঠিক করে দেয়।’
এ ব্যাপারে এএসআই কামরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি যা বলেছি ওদের ভালোর জন্যেই বলেছি। ওদের শাসিয়েছি মাত্র।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, রাতে কামরুজ্জামানকে ক্লোজড করা হয়েছে।
কথা হলে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) সাইফুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর