আজঃ ৫ই পৌষ ১৪২৫ - ১৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ - দুপুর ২:৪২

বালাগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, মামলা দায়ের

Published: মার্চ ১১, ২০১৮ - ৭:৪০ অপরাহ্ণ

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি:: সিলেটের বালাগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ধর্ষকরা। এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সে বালাগঞ্জ তয়রুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণী ক শাখার ছাত্রী বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত দুই যুবকের নাম উল্লেখ করে শনিবার রাতে বালাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন-বালাগঞ্জ ইউনিয়নের সিরিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আশিক মিয়ার ছেলে আরিফ (১৯) ও তার বন্ধু হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দত্ত গ্রামের উপেন্ড দাসের ছেলে বর্তমানে বালাগঞ্জ সদরস্থ নবীনগরের ছবির মিয়ার বাসার ভাড়াটে রুমন দাশ (১৭)।

মামলার অভিযোগ বিবরণে জানা গেছে, স্কুল ছাত্রীর পিতা পেশায় একজন বাবুর্চি। তিনি পারিবার নিয়ে বালাগঞ্জ সদরস্থ চাঁনপুর গ্রামের হাজী বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করছেন। শনিবার সকালের দিকে ওই স্কুল ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার পথিমধ্যে ধর্ষক আরিফ স্কুল ছাত্রীকে অরিফের বন্ধু রুমনের বাসায় নিয়ে দুই বন্ধু মিলে একাধিকার ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ধর্ষকরা। স্কুল ছাত্রীর বরাত দিয়ে তার মা আলেয়া বেগম বলেন, ধর্ষকরা ভয় দেখিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে বলে তারা আমার মেয়েকে হুমকি দিয়েছে।

বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জালাল উদ্দিন বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষকদের গ্রেফতার করতে বালাগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী ওসমানীনগর থানার একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গত বছর বালাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের এক ছাত্রকে ছুরিকাহত করার অভিযোগে ধর্ষন মামলায় অভিযুক্ত আরিফ ও রুমনের বিরুদ্ধে বালাগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছিল, মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

Facebook Comments

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি:: সিলেটের বালাগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ধর্ষকরা। এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সে বালাগঞ্জ তয়রুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণী ক শাখার ছাত্রী বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত দুই যুবকের নাম উল্লেখ করে শনিবার রাতে বালাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন-বালাগঞ্জ ইউনিয়নের সিরিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আশিক মিয়ার ছেলে আরিফ (১৯) ও তার বন্ধু হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দত্ত গ্রামের উপেন্ড দাসের ছেলে বর্তমানে বালাগঞ্জ সদরস্থ নবীনগরের ছবির মিয়ার বাসার ভাড়াটে রুমন দাশ (১৭)।

মামলার অভিযোগ বিবরণে জানা গেছে, স্কুল ছাত্রীর পিতা পেশায় একজন বাবুর্চি। তিনি পারিবার নিয়ে বালাগঞ্জ সদরস্থ চাঁনপুর গ্রামের হাজী বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করছেন। শনিবার সকালের দিকে ওই স্কুল ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার পথিমধ্যে ধর্ষক আরিফ স্কুল ছাত্রীকে অরিফের বন্ধু রুমনের বাসায় নিয়ে দুই বন্ধু মিলে একাধিকার ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ধর্ষকরা। স্কুল ছাত্রীর বরাত দিয়ে তার মা আলেয়া বেগম বলেন, ধর্ষকরা ভয় দেখিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে বলে তারা আমার মেয়েকে হুমকি দিয়েছে।

বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জালাল উদ্দিন বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষকদের গ্রেফতার করতে বালাগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী ওসমানীনগর থানার একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গত বছর বালাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের এক ছাত্রকে ছুরিকাহত করার অভিযোগে ধর্ষন মামলায় অভিযুক্ত আরিফ ও রুমনের বিরুদ্ধে বালাগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছিল, মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর