আজঃ ৫ই পৌষ ১৪২৫ - ১৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ - সন্ধ্যা ৬:৪১

বাধ্য হয়েই বলে অাসতে হয় বিষয়টা দেখবো

Published: অক্টো ০২, ২০১৮ - ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ

সুষমা সুলতানা রুহি::অামি জেলাপরিষদের মেম্বার হওয়ার সুবাধে মানুষের খুব কাছে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। তিনটি উপজেলার ২৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে অামার নির্বাচনী এলাকা গঠিত। সে কারণে প্রতিটি এলাকা চষে বেড়িয়ে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে।

সবচাইতে যে বিষয়টি অামি খেয়াল করেছি তাহলো গ্রামের যেখানেই যাই দেখি রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে স্কুল,মসজিদ,মন্দির,প্যাগোডা ইত্যাদি উন্নয়নের জন্য ব্যাপক অনুরোধ অাসে। অামি নিজ চোখে যখন দেখি তাঁদের দাবীগুলো খুবই যুক্তিসংগত ও তাদের এ চাওয়া তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে তখন ইচ্ছে হয় বলে দেই অামি অাপনাদের এ কাজ করে দেবো কিন্তু তা বলতে যেয়ে ও বলতে পারিনা কারণ যখন দেখি অামার সামর্থ অনুযায়ী চাহিদার পরিমাণ বেশী তখন বাধ্য হয়েই বলে অাসতে হয় অামি বিষয়টা দেখবো।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে অামি উপজেলার চেয়াম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান,ও সদস্য বৃন্দের দ্বারা নিবার্বাচিত হয়েছি। নির্বাচিত হওয়ার পরে প্রায় সবার সাথেই অামার ভাল যোগাযোগ অাছে। দেখলাম তারা সবাই এলাকার উন্নয়নের জন্য খুবই অান্তরিক।বিশেষ করে সদস্য সাহেব ও সদস্যা সাহেবাগণ বেশী করে প্রকল্পের অাবেদন নিয়ে অাসেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য তাঁদের এরকম অাগ্রহ দেখে অামি অনুপ্রাণিত হই ও গর্বিত হই। তাদের দেওয়া বিভিন্ন অাবেদনগুলো অান্তরিকতার সহিত জমা রাখি এটা ভেবে যে হয়তো কাজটি করে দিতে পারবো এই অাশায়।

এবার অাসি মূল কথায়। অামি তিনটি উপজেলা নিয়ে সংরক্ষিত অাসনের সদস্য। অামি সংরক্ষিত অাসনে হওয়ায় একজন সাধারণ সদস্য এক উপজেলায় যে বরাদ্দ পান সেই জায়গায় সংরক্ষিত হওয়ার করণে তিন উপজেলায় সেই পরিমাণ বরাদ্দ পাই তাই অামার এলাকা অনুযায়ী বরাদ্দের পরিমাণ খুবই নগণ্য। তাই চাহিদা ও প্রাপ্তির সমন্বয় ঘঠাতে পারিনা। অনেকেই এ বিষয়টা জানেন না তাই ভুল বুঝার সুযোগ থেকে যায়।

অামাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এবং এগিয়ে নিচ্ছেনও। বিশ্ব অাজ অবাক চোখে বাংলাদেশকে দেখে। নতুন জন্ম নেওয়া ৭১এ যুদ্ধে ঝাঝরা করা একটি দেশ কি ভাবে অল্পসময়ে এতো দূর এগোতে পারলো তারা দেখে বিস্মিত হয়! অামরা সবাই জানি তার একমাত্র কারণ হলো শেখ হাসিনার হাতে দেশটি থাকার কারণে। তিনি অামাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন-
বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার। অামারা দেখছি সেই পথেই দেশ হাঁটি হাঁটি পাঁ পাঁ করে এগিয়ে যাচ্ছে। অামরা গর্বিত এমন নেত্রী পেয়ে যার বুকে দেশপ্রেম, চোখে দেশকে নিয়ে স্বপ্ন।

আমরা বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে পারলে খুব তাড়াতাড়ি আমাদের চাহিদা ও প্রাপ্তি সমন্বয় ঘটবে ইনশাল্লাহ ।

Facebook Comments

সুষমা সুলতানা রুহি::অামি জেলাপরিষদের মেম্বার হওয়ার সুবাধে মানুষের খুব কাছে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। তিনটি উপজেলার ২৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে অামার নির্বাচনী এলাকা গঠিত। সে কারণে প্রতিটি এলাকা চষে বেড়িয়ে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে।

সবচাইতে যে বিষয়টি অামি খেয়াল করেছি তাহলো গ্রামের যেখানেই যাই দেখি রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে স্কুল,মসজিদ,মন্দির,প্যাগোডা ইত্যাদি উন্নয়নের জন্য ব্যাপক অনুরোধ অাসে। অামি নিজ চোখে যখন দেখি তাঁদের দাবীগুলো খুবই যুক্তিসংগত ও তাদের এ চাওয়া তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে তখন ইচ্ছে হয় বলে দেই অামি অাপনাদের এ কাজ করে দেবো কিন্তু তা বলতে যেয়ে ও বলতে পারিনা কারণ যখন দেখি অামার সামর্থ অনুযায়ী চাহিদার পরিমাণ বেশী তখন বাধ্য হয়েই বলে অাসতে হয় অামি বিষয়টা দেখবো।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে অামি উপজেলার চেয়াম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান,ও সদস্য বৃন্দের দ্বারা নিবার্বাচিত হয়েছি। নির্বাচিত হওয়ার পরে প্রায় সবার সাথেই অামার ভাল যোগাযোগ অাছে। দেখলাম তারা সবাই এলাকার উন্নয়নের জন্য খুবই অান্তরিক।বিশেষ করে সদস্য সাহেব ও সদস্যা সাহেবাগণ বেশী করে প্রকল্পের অাবেদন নিয়ে অাসেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য তাঁদের এরকম অাগ্রহ দেখে অামি অনুপ্রাণিত হই ও গর্বিত হই। তাদের দেওয়া বিভিন্ন অাবেদনগুলো অান্তরিকতার সহিত জমা রাখি এটা ভেবে যে হয়তো কাজটি করে দিতে পারবো এই অাশায়।

এবার অাসি মূল কথায়। অামি তিনটি উপজেলা নিয়ে সংরক্ষিত অাসনের সদস্য। অামি সংরক্ষিত অাসনে হওয়ায় একজন সাধারণ সদস্য এক উপজেলায় যে বরাদ্দ পান সেই জায়গায় সংরক্ষিত হওয়ার করণে তিন উপজেলায় সেই পরিমাণ বরাদ্দ পাই তাই অামার এলাকা অনুযায়ী বরাদ্দের পরিমাণ খুবই নগণ্য। তাই চাহিদা ও প্রাপ্তির সমন্বয় ঘঠাতে পারিনা। অনেকেই এ বিষয়টা জানেন না তাই ভুল বুঝার সুযোগ থেকে যায়।

অামাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এবং এগিয়ে নিচ্ছেনও। বিশ্ব অাজ অবাক চোখে বাংলাদেশকে দেখে। নতুন জন্ম নেওয়া ৭১এ যুদ্ধে ঝাঝরা করা একটি দেশ কি ভাবে অল্পসময়ে এতো দূর এগোতে পারলো তারা দেখে বিস্মিত হয়! অামরা সবাই জানি তার একমাত্র কারণ হলো শেখ হাসিনার হাতে দেশটি থাকার কারণে। তিনি অামাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন-
বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার। অামারা দেখছি সেই পথেই দেশ হাঁটি হাঁটি পাঁ পাঁ করে এগিয়ে যাচ্ছে। অামরা গর্বিত এমন নেত্রী পেয়ে যার বুকে দেশপ্রেম, চোখে দেশকে নিয়ে স্বপ্ন।

আমরা বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে পারলে খুব তাড়াতাড়ি আমাদের চাহিদা ও প্রাপ্তি সমন্বয় ঘটবে ইনশাল্লাহ ।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর