আজঃ ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ১০:০৫

বাঁকা হয়ে গেছে দুই চোখ, মুখ থেকে হারিয়ে গেছে হাসি

Published: সেপ্টে ২৬, ২০১৮ - ১:০৪ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: ছয় বছর বয়সী মায়া খাতুন। কয়েক মাস আগেও সকাল হলেই বইখাতা হাতে সহপাঠীদের সঙ্গে যেত স্কুলে। মুখে ছিল মায়াবি হাসি। সারা দিন দৌড়াদৌড়ি ও খেলাধুলায় মেতে থাকত শিশুটি।

তবে হটাৎই ছন্দপতন; বন্ধ হয়ে গেছে মায়ার স্কুলে যাওয়া। বাঁকা হয়ে গেছে দুই চোখ। মুখ থেকে হারিয়ে গেছে হাসি। বিছানা এখন নিত্যসঙ্গী তার!

পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের চিরইল গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক শাহ আলম ও গৃহিণী লিপি খাতুনের ছোট মেয়ে মায়া ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। সারা দিন মাথার যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে শিশুটি। ভ্যানচালক বাবার চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য না থাকায় ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে মায়া।

বাবা শাহ আলম যুগান্তরকে জানান, চলতি বছরে শুরুর দিকে মায়াকে চিরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি করে দেয়া হয়। কয়েক মাস যাওয়ার পর হঠাৎ সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। শুরু হয় মাথা ঘামা ও ব্যথা।

স্থানীয় চিকিৎসক দেখানোর পর রোগ না সারায় ধারদেনা করে মায়াকে পাবনায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নীতিশ কুমার কুণ্ডুর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে মায়া ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। দ্রুত তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা অথবা ভারতের মাদ্রাজ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

মায়াকে সুস্থ করতে প্রয়োজন ৫-৬ লাখ টাকা। চিকিৎসকের এমন কথা শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বাবা-মা।

উন্নত চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য না থাকায় মায়াকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন তার বাবা শাহ আলম। যে উপার্জনে সংসার চালানো দায়, সেখানে মেয়ের উন্নত চিকিৎসা করানো একজন দরিদ্র বাবার কাছে অলীক স্বপ্ন দেখার মতো!

সহপাঠীরা স্কুলে যাওয়ার সময় ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে মায়া। সুস্থ হয়ে আবারও স্কুলে যেতে চায় সে। তবে মা লিপি খাতুনের শতভাগ বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার বার্তা পৌঁছলে নিশ্চয় তিনি তার মেয়ের (মায়া) উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।

মায়ার পরিবারকে সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করা যেতে পারে। লিপি খাতুন- ০১৭৪২২৬৭৫২৩ (বিকাশ)।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: ছয় বছর বয়সী মায়া খাতুন। কয়েক মাস আগেও সকাল হলেই বইখাতা হাতে সহপাঠীদের সঙ্গে যেত স্কুলে। মুখে ছিল মায়াবি হাসি। সারা দিন দৌড়াদৌড়ি ও খেলাধুলায় মেতে থাকত শিশুটি।

তবে হটাৎই ছন্দপতন; বন্ধ হয়ে গেছে মায়ার স্কুলে যাওয়া। বাঁকা হয়ে গেছে দুই চোখ। মুখ থেকে হারিয়ে গেছে হাসি। বিছানা এখন নিত্যসঙ্গী তার!

পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের চিরইল গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক শাহ আলম ও গৃহিণী লিপি খাতুনের ছোট মেয়ে মায়া ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। সারা দিন মাথার যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে শিশুটি। ভ্যানচালক বাবার চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য না থাকায় ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে মায়া।

বাবা শাহ আলম যুগান্তরকে জানান, চলতি বছরে শুরুর দিকে মায়াকে চিরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি করে দেয়া হয়। কয়েক মাস যাওয়ার পর হঠাৎ সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। শুরু হয় মাথা ঘামা ও ব্যথা।

স্থানীয় চিকিৎসক দেখানোর পর রোগ না সারায় ধারদেনা করে মায়াকে পাবনায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নীতিশ কুমার কুণ্ডুর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে মায়া ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। দ্রুত তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা অথবা ভারতের মাদ্রাজ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

মায়াকে সুস্থ করতে প্রয়োজন ৫-৬ লাখ টাকা। চিকিৎসকের এমন কথা শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বাবা-মা।

উন্নত চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য না থাকায় মায়াকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন তার বাবা শাহ আলম। যে উপার্জনে সংসার চালানো দায়, সেখানে মেয়ের উন্নত চিকিৎসা করানো একজন দরিদ্র বাবার কাছে অলীক স্বপ্ন দেখার মতো!

সহপাঠীরা স্কুলে যাওয়ার সময় ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে মায়া। সুস্থ হয়ে আবারও স্কুলে যেতে চায় সে। তবে মা লিপি খাতুনের শতভাগ বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার বার্তা পৌঁছলে নিশ্চয় তিনি তার মেয়ের (মায়া) উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।

মায়ার পরিবারকে সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করা যেতে পারে। লিপি খাতুন- ০১৭৪২২৬৭৫২৩ (বিকাশ)।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর