আজঃ ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১১ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ১১:১৪

বন্দর বাজার পয়েন্ট থেকে সুবহানীঘাটে ৫ মিনিটের দুরত্ব,যেতে লাগে ৪০ মিনিটি!

Published: অক্টো ০২, ২০১৮ - ৯:২৭ অপরাহ্ণ

মো.মশাহিদ আলী ::ব্যস্ত নগর, ব্যস্ত শহর,ব্যস্ত নগরীর মানুষ। সিলেট নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে বন্দর বাজার থেকে সোবহানীঘাট এলাকা পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বন্দর বাজার মধুবন সুপার মার্কেটের সামন থেকে সোবহানীঘাট পায়ে হেটে যেতে সময় লাগে ১৫-২০ মিনিট আর গাড়ি চড়ে গেলে সময় লাগে ৫-৭ মিনিট। কিন্তু তা মুখে বলা সহজ হলেও তা বাস্তবে সম্ভব হচ্ছে না এখন। কারণ সিলেট নগরীর প্রায় প্রতিটি সড়কে যানযট লেগে রয়েছে তেমনি এই সড়কেও যানযট প্রতিদিন লেগে আছে।কেননা সড়কের পাশে রয়েছে ভাসমান দোকান। সড়কের পাশ থেকে শুরু করে সড়কের মাঝেই বসানো হয় এসব ভাসমান দোকানগুলো।

অবৈধ ভাবে জায়গা দখল করে কাঁচামালের দোকান পাঠ মাঝখানে সারিবদ্ধভাবে হর্কার বসছে প্রতিদিন। যার ফলে পথচারীদের যেমন হাটা চলা করতে সমস্যা হয় তেমনি করে স্কুল,কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদেরও সমস্যা হয়।বন্দর বাজার এলাকাতে মার্কেট গুলোর মধ্যে করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনে বেশিরভাগ যানযটের সৃষ্টি হয়।তাছাড়া জেল রোড সড়কের মোড়ের সাথে থাকা এই সড়কে প্রতিনিয়ত যানযট থাকে। ওয়ান ওয়ে রোড হওয়া সত্ত্বেও এখানে ২৪ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই যানজট লেগে থাকে যার কারণ হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা ও লেগুনার অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে গাড়ি দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা করা। রাস্তার দুই পাশে স্ট্যান্ড করা,মোটরসাইকেল, রিকশা পাকিং করে রাস্তা বন্ধ করার কারণে এমন বিঘ্ন ঘটে।

এদিকে করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা রাখা হলেও তারা ব্যর্থ হচ্ছেন চালকদের অসচেতনতার কারণে।ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল মানতে রাজি নন চালক কেউ। কথা হয় কয়েকজন পথচারীর সাথে জানতে চাওয়া হয় এই সড়কে যানযটের কারণ কি?। উত্তরে বলা হয় সড়কের দুই পাশে রয়েছে অবৈধ ভাসমান দোকান পাঠ। যার কারণে সড়কের মাঝখান দিয়ে চলাচল করতে পথচারীদের। ফলে মনের মধ্যে সব সময় ভয় করে কখন দুর্ঘটনা ঘটে যায়। প্রতিদিন এমন পরিস্থিতি সম্মুখীন হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।

এই যানযটের কারণে প্রতিদিন অফিস,আদালতে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারী, স্কুল, কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের দেরী হয়ে থাকে। এমতাবস্থায় যদি এই ভাসমান দোকান, সিএনজি স্ট্যান্ড উচ্ছেদ না করা যায় তাহলে দিন দিন এই সমস্যা বেড়ে চলবে।সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ লাগব করতে সিলেট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন

এ বিষয়ে কথা বলেন ট্রাফিক পুলিশের এডিসি নিকোলিন চাকমা তিনি সিলেট প্রতিদিনকে যানজটের কথা স্বীকার করে বলেন এই এলাকাতে অবৈধ হকার,যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করা,করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনের রোড ডিভাইডার খুলে দেয়ায় এখন যানজট আরও বেশী হয়,আমরা চেষ্টা করতেছি জনগন যাতে সর্বোচ্চ সেবা পায়,কিন্তু আমরা চেষ্টা করলেও হবে না সবাইকে সচেতন হতে হবে।

Facebook Comments

মো.মশাহিদ আলী ::ব্যস্ত নগর, ব্যস্ত শহর,ব্যস্ত নগরীর মানুষ। সিলেট নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে বন্দর বাজার থেকে সোবহানীঘাট এলাকা পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বন্দর বাজার মধুবন সুপার মার্কেটের সামন থেকে সোবহানীঘাট পায়ে হেটে যেতে সময় লাগে ১৫-২০ মিনিট আর গাড়ি চড়ে গেলে সময় লাগে ৫-৭ মিনিট। কিন্তু তা মুখে বলা সহজ হলেও তা বাস্তবে সম্ভব হচ্ছে না এখন। কারণ সিলেট নগরীর প্রায় প্রতিটি সড়কে যানযট লেগে রয়েছে তেমনি এই সড়কেও যানযট প্রতিদিন লেগে আছে।কেননা সড়কের পাশে রয়েছে ভাসমান দোকান। সড়কের পাশ থেকে শুরু করে সড়কের মাঝেই বসানো হয় এসব ভাসমান দোকানগুলো।

অবৈধ ভাবে জায়গা দখল করে কাঁচামালের দোকান পাঠ মাঝখানে সারিবদ্ধভাবে হর্কার বসছে প্রতিদিন। যার ফলে পথচারীদের যেমন হাটা চলা করতে সমস্যা হয় তেমনি করে স্কুল,কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদেরও সমস্যা হয়।বন্দর বাজার এলাকাতে মার্কেট গুলোর মধ্যে করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনে বেশিরভাগ যানযটের সৃষ্টি হয়।তাছাড়া জেল রোড সড়কের মোড়ের সাথে থাকা এই সড়কে প্রতিনিয়ত যানযট থাকে। ওয়ান ওয়ে রোড হওয়া সত্ত্বেও এখানে ২৪ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই যানজট লেগে থাকে যার কারণ হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা ও লেগুনার অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে গাড়ি দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা করা। রাস্তার দুই পাশে স্ট্যান্ড করা,মোটরসাইকেল, রিকশা পাকিং করে রাস্তা বন্ধ করার কারণে এমন বিঘ্ন ঘটে।

এদিকে করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা রাখা হলেও তারা ব্যর্থ হচ্ছেন চালকদের অসচেতনতার কারণে।ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল মানতে রাজি নন চালক কেউ। কথা হয় কয়েকজন পথচারীর সাথে জানতে চাওয়া হয় এই সড়কে যানযটের কারণ কি?। উত্তরে বলা হয় সড়কের দুই পাশে রয়েছে অবৈধ ভাসমান দোকান পাঠ। যার কারণে সড়কের মাঝখান দিয়ে চলাচল করতে পথচারীদের। ফলে মনের মধ্যে সব সময় ভয় করে কখন দুর্ঘটনা ঘটে যায়। প্রতিদিন এমন পরিস্থিতি সম্মুখীন হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।

এই যানযটের কারণে প্রতিদিন অফিস,আদালতে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারী, স্কুল, কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের দেরী হয়ে থাকে। এমতাবস্থায় যদি এই ভাসমান দোকান, সিএনজি স্ট্যান্ড উচ্ছেদ না করা যায় তাহলে দিন দিন এই সমস্যা বেড়ে চলবে।সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ লাগব করতে সিলেট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন

এ বিষয়ে কথা বলেন ট্রাফিক পুলিশের এডিসি নিকোলিন চাকমা তিনি সিলেট প্রতিদিনকে যানজটের কথা স্বীকার করে বলেন এই এলাকাতে অবৈধ হকার,যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করা,করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনের রোড ডিভাইডার খুলে দেয়ায় এখন যানজট আরও বেশী হয়,আমরা চেষ্টা করতেছি জনগন যাতে সর্বোচ্চ সেবা পায়,কিন্তু আমরা চেষ্টা করলেও হবে না সবাইকে সচেতন হতে হবে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর