আজঃ ৫ই পৌষ ১৪২৫ - ১৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ - দুপুর ২:৪৫

প্রেসক্লাব হতে পারে পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের প্রধান ক্ষেত্র : প্রতিমন্ত্রী মান্নান

Published: মার্চ ১১, ২০১৮ - ৬:২৬ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিলেটের শতবর্ষের সাংবাদিকতার স্মারক প্রতিষ্ঠান সিলেট প্রেসক্লাবের ২০১৮-১৯ সেশনের নির্বাচিত কমিটির ‘অভিষেক ও মেম্বার্স ফ্যামিলি নাইট’। অনুষ্ঠানকে ঘিরে শনিবার সন্ধ্যায় দেশ বরেণ্য রাজনৈতিক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও ক্লাব সদস্যদের পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ওঠে ক্লাব প্রাঙ্গণ।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব কেবল মাত্র একটি ক্লাব নয়, এটা হতে পারে পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের প্রধানতম ক্ষেত্র।

এজন্য ক্লাবকে যুগের চ্যালেঞ্জ অনুযায়ী তৈরি করে নিতে হবে। অতীত ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে সিলেট প্রেসক্লাব মেধাবী সংবাদকর্মী সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, সরকার সকল কাজে সহায়তা করতে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী সিভিল সোসাইটিকে এগিয়ে নিতে উন্মুখ হয়ে বসে আছেন। সার্বিকভাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের মনে আস্থার মনোভাব আনতে পেরেছেন। বাংলাদেশ দুর্দশাগ্রস্ত অতীত থেকে নতুন দিগন্তের দিকে এগোচ্ছে।

সিলেট প্রেসক্লাব ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির।

অভিষেক অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও একুশে টেলিভিশনের সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী অধ্যাপিকা জুলেখা মান্নান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন ‘ভালো সাংবাদিকতা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এটি আগামী দিনের সাংবাদিকতার মূল সংকট। এজন্য সাংবাদিকদের রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, উপস্থাপনার কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এজন্য প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে হবে।’

মনজুরুল আহসান বুলবুল ইন্সটিটিউট অব অক্সফোর্ডের ‘বায়াস, বুলশীট ও লাই’-শিরোনামে প্রকাশিত রিপোর্টের আলোকপাত করে বলেন, রিপোর্ট অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ সংকটই হবে আগামী দিনের সাংবাদিকতার মূল সংকট। অর্থাৎ জঞ্জালের দ্বারাই সাংবাদিকতা আবৃত হয়ে যাবে-ভালো সাংবাদিকতা সংকটে পড়বে। কাজেই এ ব্যাপারে পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের সতর্ক থাকতে হবে।

বুলবুল বলেন, যে সাংবাদিক-কিংবা যে পত্রিকার ওপর মানুষ যত বেশি আস্থা রাখতে পারবে- সেই পত্রিকা কিংবা সাংবাদিক-তত বড় সাংবাদিক। কারো ওপর যদি মানুষ আস্থা রাখতে পারে-তিনিই বড় সাংবাদিক।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিলেট স্টেশন ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন, দৈনিক সিলেটের ডাক-এর নির্বাহী সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিক, জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ, দৈনিক সিলেট সংলাপ সম্পাদক ফয়জুর রহমান এবং দৈনিক জালালাবাদের নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল কাদের তাপাদার।

সিলেটের ডাক এর নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল হামিদ মানিক তাঁর বক্তব্যে বলেন, অন্যান্য পেশার মত সাংবাদিকতাও দিন দিন বিকাশ লাভ করছে। একই সঙ্গে ডালপালা মেলছে অপ সাংবাদিকতাও। সিলেট প্রেসক্লাবকে অপসাংবাদিকতামুক্ত রাখতে নতুন নেতৃত্বকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী তাঁর বক্তব্যে বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব জন্মলগ্ন থেকে শুদ্ধ সাংবাদিকতাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ পথচলায় এ ক্লাব বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এসেছে, তবুও নীতির ব্যাপারে আপোষ করেনি। এ ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে নতুন কমিটি যাতে যতœশীল থাকে সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম বলেন, পেশাজীবী সমাজের উজ্জ্বল প্রতিনিধিত্ব করছে সিলেট প্রেসক্লাব। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা এবং অধিকার সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি সর্বদাই সোচ্চার।
সিলেট সংলাপ সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান বলেন, সিলেটের সাংবাদিকতার ইতিহাস ১৪২ বছরের। আঞ্চলিক সাংবাদিকতার এমন দীর্ঘ ইতিহাস খুবই বিরল। সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যের গৌরব আর অহংকারকে ধারণ করছে সিলেট প্রেসক্লাব।

জালালাবাদ এর নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল কাদের তাপাদার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকতায় সততা, মেধা ও কর্মনিষ্ঠার ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যে কারণে প্রভাব হারাচ্ছে সাংবাদিকতা। মূল ধারার সাংবাদিকতা বিকাশে সিলেট প্রেসক্লাবকে আরো যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান ও এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীনকে প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্যপদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শুয়াইবুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সিলেট প্রেসক্লাবের অভিষেক স্মারকের মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির অভিষিক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি এনামুল হক জুবের ও এমএ হান্নান, সহ সাধারণ সম্পাদক ইয়াহইয়া ফজল, কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন শিহাব, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালেদ আহমদ, নির্বাহী সদস্য ফয়ছল আলম, শুয়াইবুল ইসলাম ও দিগেন সিংহ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূর আহমদ।
সংগীত পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী শামীম আহমদ ও তন্বী দেব। ক্লাব সদস্যদের মধ্যে ফয়ছল আলম ও গোলমা মর্তুজা বাচ্চু গান পরিবেশন করেন।

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিলেটের শতবর্ষের সাংবাদিকতার স্মারক প্রতিষ্ঠান সিলেট প্রেসক্লাবের ২০১৮-১৯ সেশনের নির্বাচিত কমিটির ‘অভিষেক ও মেম্বার্স ফ্যামিলি নাইট’। অনুষ্ঠানকে ঘিরে শনিবার সন্ধ্যায় দেশ বরেণ্য রাজনৈতিক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও ক্লাব সদস্যদের পরিবারবর্গের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ওঠে ক্লাব প্রাঙ্গণ।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব কেবল মাত্র একটি ক্লাব নয়, এটা হতে পারে পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের প্রধানতম ক্ষেত্র।

এজন্য ক্লাবকে যুগের চ্যালেঞ্জ অনুযায়ী তৈরি করে নিতে হবে। অতীত ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে সিলেট প্রেসক্লাব মেধাবী সংবাদকর্মী সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, সরকার সকল কাজে সহায়তা করতে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী সিভিল সোসাইটিকে এগিয়ে নিতে উন্মুখ হয়ে বসে আছেন। সার্বিকভাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের মনে আস্থার মনোভাব আনতে পেরেছেন। বাংলাদেশ দুর্দশাগ্রস্ত অতীত থেকে নতুন দিগন্তের দিকে এগোচ্ছে।

সিলেট প্রেসক্লাব ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির।

অভিষেক অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও একুশে টেলিভিশনের সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী অধ্যাপিকা জুলেখা মান্নান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন ‘ভালো সাংবাদিকতা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এটি আগামী দিনের সাংবাদিকতার মূল সংকট। এজন্য সাংবাদিকদের রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, উপস্থাপনার কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এজন্য প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে হবে।’

মনজুরুল আহসান বুলবুল ইন্সটিটিউট অব অক্সফোর্ডের ‘বায়াস, বুলশীট ও লাই’-শিরোনামে প্রকাশিত রিপোর্টের আলোকপাত করে বলেন, রিপোর্ট অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ সংকটই হবে আগামী দিনের সাংবাদিকতার মূল সংকট। অর্থাৎ জঞ্জালের দ্বারাই সাংবাদিকতা আবৃত হয়ে যাবে-ভালো সাংবাদিকতা সংকটে পড়বে। কাজেই এ ব্যাপারে পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের সতর্ক থাকতে হবে।

বুলবুল বলেন, যে সাংবাদিক-কিংবা যে পত্রিকার ওপর মানুষ যত বেশি আস্থা রাখতে পারবে- সেই পত্রিকা কিংবা সাংবাদিক-তত বড় সাংবাদিক। কারো ওপর যদি মানুষ আস্থা রাখতে পারে-তিনিই বড় সাংবাদিক।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিলেট স্টেশন ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন, দৈনিক সিলেটের ডাক-এর নির্বাহী সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিক, জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ, দৈনিক সিলেট সংলাপ সম্পাদক ফয়জুর রহমান এবং দৈনিক জালালাবাদের নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল কাদের তাপাদার।

সিলেটের ডাক এর নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল হামিদ মানিক তাঁর বক্তব্যে বলেন, অন্যান্য পেশার মত সাংবাদিকতাও দিন দিন বিকাশ লাভ করছে। একই সঙ্গে ডালপালা মেলছে অপ সাংবাদিকতাও। সিলেট প্রেসক্লাবকে অপসাংবাদিকতামুক্ত রাখতে নতুন নেতৃত্বকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী তাঁর বক্তব্যে বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব জন্মলগ্ন থেকে শুদ্ধ সাংবাদিকতাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ পথচলায় এ ক্লাব বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এসেছে, তবুও নীতির ব্যাপারে আপোষ করেনি। এ ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে নতুন কমিটি যাতে যতœশীল থাকে সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম বলেন, পেশাজীবী সমাজের উজ্জ্বল প্রতিনিধিত্ব করছে সিলেট প্রেসক্লাব। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা এবং অধিকার সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি সর্বদাই সোচ্চার।
সিলেট সংলাপ সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান বলেন, সিলেটের সাংবাদিকতার ইতিহাস ১৪২ বছরের। আঞ্চলিক সাংবাদিকতার এমন দীর্ঘ ইতিহাস খুবই বিরল। সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যের গৌরব আর অহংকারকে ধারণ করছে সিলেট প্রেসক্লাব।

জালালাবাদ এর নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল কাদের তাপাদার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকতায় সততা, মেধা ও কর্মনিষ্ঠার ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যে কারণে প্রভাব হারাচ্ছে সাংবাদিকতা। মূল ধারার সাংবাদিকতা বিকাশে সিলেট প্রেসক্লাবকে আরো যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান ও এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীনকে প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্যপদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শুয়াইবুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সিলেট প্রেসক্লাবের অভিষেক স্মারকের মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির অভিষিক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি এনামুল হক জুবের ও এমএ হান্নান, সহ সাধারণ সম্পাদক ইয়াহইয়া ফজল, কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন শিহাব, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালেদ আহমদ, নির্বাহী সদস্য ফয়ছল আলম, শুয়াইবুল ইসলাম ও দিগেন সিংহ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূর আহমদ।
সংগীত পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী শামীম আহমদ ও তন্বী দেব। ক্লাব সদস্যদের মধ্যে ফয়ছল আলম ও গোলমা মর্তুজা বাচ্চু গান পরিবেশন করেন।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর