প্রতিনিধিত্ব ছাড়া সংখ্যালঘুদের গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না: সুরঞ্জিত সেন

sylhetprothidin24.
sylhetprothidin24.

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলো যত দিন সব ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব না পাবে এবং তাদের প্রকৃত ক্ষমতায়ন না হবে, তত দিন বাংলাদেশে গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না।
গতকাল রোববার নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটির অভিষেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুরঞ্জিত এসব কথা বলেন।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তপার্লামেন্টারি ইউনিয়ন আয়োজিত মাদক সমস্যাবিষয়ক একটি শুনানিতে অংশ নিতে নিউইয়র্কে এসেছেন আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা।
ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে একাধিক সদস্য বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর বৈষম্য ও নিপীড়নের অভিযোগ তুলে সরকারের কাছে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত বলেন, সারা বিশ্ব এখন এক কঠিন সময় অতিবাহিত করছে। অথচ এই কঠিন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি সবচেয়ে উজ্জ্বল।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘সাহসী নেত্রী’ অভিহিত করে সুরঞ্জিত বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও হাল ছাড়েননি তিনি।
সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুরঞ্জিত বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রয়েছে—ধর্মনিরপেক্ষতা। গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে অবশ্যই অসাম্প্রদায়িক হতে হবে। এ কারণে প্রশাসন, দল ও জোটকে অসাম্প্রদায়িক হতে হবে।

সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত বলেন, শুধু বিচারের দাবি যথেষ্ট নয়। দরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। এ জন্য সব ক্ষেত্রে তাদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব দরকার।

মন্ত্রিসভা, প্রশাসন, বিভিন্ন বাহিনী, বেসরকারি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের সঠিক প্রতিনিধিত্বের ওপর গুরুত্ব দেন সুরঞ্জিত। প্রবাসী সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দকে সব খাতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দকে ক্ষমতায়ন ও প্রতিনিধিত্বশীলতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতেও উৎসাহ দেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। একই সঙ্গে দলীয় বিভক্তি ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সুরঞ্জিত বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্প্রীতির ভেতর দিয়েই প্রতিনিধিত্ব ও ক্ষমতায়ন অর্জন সম্ভব হবে।

Facebook Comments

Leave a Reply