আজঃ ২রা কার্তিক ১৪২৫ - ১৭ই অক্টোবর ২০১৮ - সন্ধ্যা ৭:০০

পাতানো নির্বাচন করতে শীর্ষ নেতাদের নামে মামলা: রিজভী

Published: অক্টো ০২, ২০১৮ - ১:০৯ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার ছক ধরে এগুচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘পাতানো ও সাজানো নির্বাচন করতেই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে সরকার। সারাদেশ জনশূন্য করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা সেটিরই প্রথম পদক্ষেপ।’

মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী সরকার কোনোভাবে বিরোধী দলের অস্তিত্ব মানতে পারছে না। ক্ষমতাকে যক্ষের ধনের মতো আঁকড়ে ধরে রাখতে কুটিল ও ষড়যন্ত্র হচ্ছে তাদের রাজনীতির পরিচিতি। সরকার প্রধানসহ আওয়ামী নেতাদের প্রতিদিনের ভাষা, সংলাপ সন্ত্রাসীর আস্ফালন ছাড়া অন্য কিছু নয়।’

তিনি বলেন, ‘জবাবদিহিতা তো দূরে থাক, এমন নীতির কারণেই বিএনপির বিশাল জনসমাবেশের পর থেকে সরকার আরও বেশি ক্ষিপ্ত এবং প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠেছে। জনসভা শেষে পাইকারি হারে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের পরও সরকারের পরিতৃপ্তি হয়নি। এরপর বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের তালিকা ধরে তাদের বিরুদ্ধে হাস্যকর মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাতিরঝিল থানায় পুলিশের কাজে বাধা ও নাশকতার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ ৫৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের কাছে ‘আষাঢ়ে গল্পের’ একটা ফরম্যাট সবসময় প্রস্তুত করা থাকে বলেও দাবি করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘সময়মতো বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে সেগুলো ব্যবহার করা হয়। এবারেও পুলিশ তাই করেছে।’

সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিনিয়র সাংবাদিকরাই সম্পাদক পদে উন্নীত হন। তারা সমাজের সঙ্গতি-অসঙ্গতি, শুভ-অশুভসহ নানা বিষয় গণমাধ্যমে প্রতিফলনে প্রধান দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতির নানা বিভাজন ও জটিলতা বিচার বিশ্লেষণ করে মানুষকে পথ দেখাতে অভিমত ব্যক্ত করেন। অথচ তথ্য উপদেষ্টার মতে এসব গুণী ব্যক্তিদের নৈতিকতা নেই। তাহলে নৈতিকতা আছে কাদের ? ভোটারবিহীন সরকারের কী নৈতিকতা আছে ?’

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার ছক ধরে এগুচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘পাতানো ও সাজানো নির্বাচন করতেই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে সরকার। সারাদেশ জনশূন্য করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা সেটিরই প্রথম পদক্ষেপ।’

মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী সরকার কোনোভাবে বিরোধী দলের অস্তিত্ব মানতে পারছে না। ক্ষমতাকে যক্ষের ধনের মতো আঁকড়ে ধরে রাখতে কুটিল ও ষড়যন্ত্র হচ্ছে তাদের রাজনীতির পরিচিতি। সরকার প্রধানসহ আওয়ামী নেতাদের প্রতিদিনের ভাষা, সংলাপ সন্ত্রাসীর আস্ফালন ছাড়া অন্য কিছু নয়।’

তিনি বলেন, ‘জবাবদিহিতা তো দূরে থাক, এমন নীতির কারণেই বিএনপির বিশাল জনসমাবেশের পর থেকে সরকার আরও বেশি ক্ষিপ্ত এবং প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠেছে। জনসভা শেষে পাইকারি হারে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের পরও সরকারের পরিতৃপ্তি হয়নি। এরপর বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের তালিকা ধরে তাদের বিরুদ্ধে হাস্যকর মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাতিরঝিল থানায় পুলিশের কাজে বাধা ও নাশকতার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ ৫৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের কাছে ‘আষাঢ়ে গল্পের’ একটা ফরম্যাট সবসময় প্রস্তুত করা থাকে বলেও দাবি করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘সময়মতো বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে সেগুলো ব্যবহার করা হয়। এবারেও পুলিশ তাই করেছে।’

সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিনিয়র সাংবাদিকরাই সম্পাদক পদে উন্নীত হন। তারা সমাজের সঙ্গতি-অসঙ্গতি, শুভ-অশুভসহ নানা বিষয় গণমাধ্যমে প্রতিফলনে প্রধান দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতির নানা বিভাজন ও জটিলতা বিচার বিশ্লেষণ করে মানুষকে পথ দেখাতে অভিমত ব্যক্ত করেন। অথচ তথ্য উপদেষ্টার মতে এসব গুণী ব্যক্তিদের নৈতিকতা নেই। তাহলে নৈতিকতা আছে কাদের ? ভোটারবিহীন সরকারের কী নৈতিকতা আছে ?’

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর