আজঃ ৫ই কার্তিক ১৪২৫ - ২০শে অক্টোবর ২০১৮ - বিকাল ৩:৪৫

পরীক্ষায় বহিষ্কারের পর দোতলা থেকে লাফ

Published: ফেব্রু ১৩, ২০১৮ - ৪:০৬ অপরাহ্ণ

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক:: সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসির বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় এক ছাত্রীকে নকল করার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনার পরপরই ওই ছাত্রী কেন্দ্রের ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এখন সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মঙ্গলবার(১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

কেন্দ্রসচিব এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিটার গোমেজের ভাষ্য, আজ পদার্থবিদ্যা বিষয়ের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় সাভারের একটি বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী আগে থেকে হাতের মধ্যে লিখে আনা উত্তর দেখে দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিষয়টি দেখে ফেলেন কেন্দ্রের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবা উদ্দীন। তিনি ওই ছাত্রীর হাতে লিখে আনা উত্তরের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের উত্তরের মিল পেয়ে তাকে বহিষ্কার করেন।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী জানায়, কুষ্টিয়ায় তার এক বন্ধুর কাছ থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এই উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছে সে। এটি বলে সে হঠাৎ করেই কেন্দ্রের দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে। পরে আহত অবস্থায় তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ওখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন। তার কোমর ও বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেজবা উদ্দীন বলেন, ‘আমি প্রথমে মেয়েটিকে নকল করতে দেখি। দেখে অন্য শিক্ষকদেরও ডাকি। দেখা যায়, তার হাতে লেখা উত্তরপত্রের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তরের হুবহু মিল রয়েছে। মিল পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী ওই ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়।’

Facebook Comments

সিলেট প্রতিদিন ডেস্ক:: সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসির বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় এক ছাত্রীকে নকল করার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনার পরপরই ওই ছাত্রী কেন্দ্রের ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এখন সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মঙ্গলবার(১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

কেন্দ্রসচিব এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিটার গোমেজের ভাষ্য, আজ পদার্থবিদ্যা বিষয়ের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা চলার সময় সাভারের একটি বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী আগে থেকে হাতের মধ্যে লিখে আনা উত্তর দেখে দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিষয়টি দেখে ফেলেন কেন্দ্রের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবা উদ্দীন। তিনি ওই ছাত্রীর হাতে লিখে আনা উত্তরের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের উত্তরের মিল পেয়ে তাকে বহিষ্কার করেন।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী জানায়, কুষ্টিয়ায় তার এক বন্ধুর কাছ থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এই উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছে সে। এটি বলে সে হঠাৎ করেই কেন্দ্রের দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে। পরে আহত অবস্থায় তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ওখানেই সে এখন চিকিৎসাধীন। তার কোমর ও বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেজবা উদ্দীন বলেন, ‘আমি প্রথমে মেয়েটিকে নকল করতে দেখি। দেখে অন্য শিক্ষকদেরও ডাকি। দেখা যায়, তার হাতে লেখা উত্তরপত্রের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তরের হুবহু মিল রয়েছে। মিল পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী ওই ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়।’

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর