আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - বিকাল ৩:৪৭

নেপালে চিকিৎসাধীন ১০ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ

Published: মার্চ ১৩, ২০১৮ - ৫:৩১ অপরাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশির নামের তালিকা প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা। মঙ্গলবার বিকেলে ইউএস-বাংলার বারিধারা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন ইউএস-বাংলার জিএম (মার্কেটিং সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) কামরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নেপালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১০ বাংলাদেশি। এর মধ্যে নরভিক হাসপাতালে আলী ইয়াকুব, ওএম হাসপাতালে হক এমডি রেজুয়ানুল, কেটিএম-এমসিএইচ হাসপাতালে হাসি এমরানা কবির, আহমেদ শাহরিন, রুবায়েত শেখ রাশিদ, অ্যানি আলমুন নাহার, স্বর্ণা সায়েদা কামরুননাহার, হোসাইন এমডি কবির, বেপারি এম শাহীন চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি জানান, পাইলট, ক্রুসহ বাংলাদেশি ৩৬ জনের মধ্যে ২৬ জন মারা গেছেন। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নেপালে যারা চিকিৎসাধীন আছেন তাদের যাবতীয় চিকিৎসা খরচসহ অন্যান্য ব্যয়ভার বহন করছে ইউএস-বাংলা। ইউএস-বাংলা প্যাসেঞ্জারের প্রতিটি ফ্যামিলির সঙ্গে যুক্ত আছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্যাসেঞ্জারদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে ৪৬ জনকে আমরা সকালে কাঠমান্ডু পাঠিয়েছি। আহতদের সেবা দেয়ার জন্য তাদের আত্মীয়-স্বজনরা সেখানে যতদিন থাকতে হয় থাকবে, আর তার যাবতীয় খরচ বহন করবে ইউএস-বাংলা।

উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ৪ ক্রুসহ ৬৭ আরোহীবাহী বাংলাদেশের বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশির নামের তালিকা প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা। মঙ্গলবার বিকেলে ইউএস-বাংলার বারিধারা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন ইউএস-বাংলার জিএম (মার্কেটিং সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) কামরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নেপালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১০ বাংলাদেশি। এর মধ্যে নরভিক হাসপাতালে আলী ইয়াকুব, ওএম হাসপাতালে হক এমডি রেজুয়ানুল, কেটিএম-এমসিএইচ হাসপাতালে হাসি এমরানা কবির, আহমেদ শাহরিন, রুবায়েত শেখ রাশিদ, অ্যানি আলমুন নাহার, স্বর্ণা সায়েদা কামরুননাহার, হোসাইন এমডি কবির, বেপারি এম শাহীন চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি জানান, পাইলট, ক্রুসহ বাংলাদেশি ৩৬ জনের মধ্যে ২৬ জন মারা গেছেন। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নেপালে যারা চিকিৎসাধীন আছেন তাদের যাবতীয় চিকিৎসা খরচসহ অন্যান্য ব্যয়ভার বহন করছে ইউএস-বাংলা। ইউএস-বাংলা প্যাসেঞ্জারের প্রতিটি ফ্যামিলির সঙ্গে যুক্ত আছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্যাসেঞ্জারদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে ৪৬ জনকে আমরা সকালে কাঠমান্ডু পাঠিয়েছি। আহতদের সেবা দেয়ার জন্য তাদের আত্মীয়-স্বজনরা সেখানে যতদিন থাকতে হয় থাকবে, আর তার যাবতীয় খরচ বহন করবে ইউএস-বাংলা।

উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ৪ ক্রুসহ ৬৭ আরোহীবাহী বাংলাদেশের বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর