আজঃ ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - সকাল ৯:৫০

ধুমপানে আসক্তি বাড়ছে সিলেটের শিক্ষার্থীদের

Published: এপ্রি ১৭, ২০১৮ - ৩:২৪ অপরাহ্ণ

সাজলু লস্কর::ধূমপায়ীদের সংখ্যা দিন দিন প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে বেড়েই চলছে। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে ধূমপান একটি ফ্যাশন বা স্মাটনেস অভ্যাসে পরিনত হয়েছে।তারুণ্য মানে ধুমপান, তারুণ্য মানে সিগারেট।সিলেটের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ধূমপায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এইসব ধূমপায়ীদের বেশিরভাগই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী এদের মধ্যে ক্লাস বর্জনকারী শিক্ষার্থী বেশী।

তাদের কাঁধে সাইট ব্যাগ, হাতে মোবাইল ফোন, পকেটে সিগারেট ও দিয়াশলাই।দোকান থেকে সিগারেট কিনে নির্জন স্থানে গিয়ে ধূমপান করে তারা।তাদের বাচন ভংগী দেখে মনে হয় এটা একটা ফ্যাশন।প্রতিদিন সকাল বেলা স্কুল পালানো এসব শিক্ষার্থীদের নগরীর বিভিন্ন নির্জন যায়গায় দেখা যায়।বিকালের আড্ডায়ও তাদের দেখা যায়।

শিশুদের কাছে সিগারেট কিংবা বিড়ি বিক্রি করা আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও সে আইন মানেন না দোকানীরা। এই কারণে ছোটরা খুব সহজে সিগারেট ও মাদক জাতীয় নেশা সংগ্রহ করতে পারে। দোকানী, অভিভাবক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই যে যার অবস্থানে থেকে নৈতিক ভাবে দায়িত্ব পালন করলে ছোট ছেলে মেয়েদের নেশায় জাড়িয়ে পড়ার সুযোগগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

এদিকে শ্রমজীবি অভিভাবকের অধিকাংশ শিশু সন্তানরা ১০ থেকে ১২ বছর বয়সে সিগারেট কিংবা বিড়ি সেবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।অভিভাবকদের আয় রোজগারের ধান্ধার কারণে ছোট সন্তানদের সারাদিনে খোঁজ নেয়ার সময় হয়ে ওঠে না। এ কারণে ওইসব শিশুরা খুব দ্রুত মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়ে।

সচেতন মহল মনে করেন ‘শিশু বয়স থেকে ধুমপান খুবই ভয়াবহ। এতে করে প্রথমেই বাঁধাগ্রস্থ হয় শিশুর মানসিক ও দৈহিক বিকাশ।এজন্য জনসচেতনতা, অভিভাবকদের বেশী দায়িত্বশীল হওয়া, তামাকজাত পন্য বিক্রেতাদের নৈতিক ভাবে সচেতন হওয়া ছাড়া শিশুদের এই পথ থেকে ফিরানোর বিকল্প নেই।

Facebook Comments

সাজলু লস্কর::ধূমপায়ীদের সংখ্যা দিন দিন প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে বেড়েই চলছে। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে ধূমপান একটি ফ্যাশন বা স্মাটনেস অভ্যাসে পরিনত হয়েছে।তারুণ্য মানে ধুমপান, তারুণ্য মানে সিগারেট।সিলেটের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ধূমপায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এইসব ধূমপায়ীদের বেশিরভাগই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী এদের মধ্যে ক্লাস বর্জনকারী শিক্ষার্থী বেশী।

তাদের কাঁধে সাইট ব্যাগ, হাতে মোবাইল ফোন, পকেটে সিগারেট ও দিয়াশলাই।দোকান থেকে সিগারেট কিনে নির্জন স্থানে গিয়ে ধূমপান করে তারা।তাদের বাচন ভংগী দেখে মনে হয় এটা একটা ফ্যাশন।প্রতিদিন সকাল বেলা স্কুল পালানো এসব শিক্ষার্থীদের নগরীর বিভিন্ন নির্জন যায়গায় দেখা যায়।বিকালের আড্ডায়ও তাদের দেখা যায়।

শিশুদের কাছে সিগারেট কিংবা বিড়ি বিক্রি করা আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও সে আইন মানেন না দোকানীরা। এই কারণে ছোটরা খুব সহজে সিগারেট ও মাদক জাতীয় নেশা সংগ্রহ করতে পারে। দোকানী, অভিভাবক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই যে যার অবস্থানে থেকে নৈতিক ভাবে দায়িত্ব পালন করলে ছোট ছেলে মেয়েদের নেশায় জাড়িয়ে পড়ার সুযোগগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

এদিকে শ্রমজীবি অভিভাবকের অধিকাংশ শিশু সন্তানরা ১০ থেকে ১২ বছর বয়সে সিগারেট কিংবা বিড়ি সেবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।অভিভাবকদের আয় রোজগারের ধান্ধার কারণে ছোট সন্তানদের সারাদিনে খোঁজ নেয়ার সময় হয়ে ওঠে না। এ কারণে ওইসব শিশুরা খুব দ্রুত মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়ে।

সচেতন মহল মনে করেন ‘শিশু বয়স থেকে ধুমপান খুবই ভয়াবহ। এতে করে প্রথমেই বাঁধাগ্রস্থ হয় শিশুর মানসিক ও দৈহিক বিকাশ।এজন্য জনসচেতনতা, অভিভাবকদের বেশী দায়িত্বশীল হওয়া, তামাকজাত পন্য বিক্রেতাদের নৈতিক ভাবে সচেতন হওয়া ছাড়া শিশুদের এই পথ থেকে ফিরানোর বিকল্প নেই।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর