আজঃ ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ১০:০৫

দূর্ঘটনা প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

Published: মার্চ ৩০, ২০১৬ - ১:২২ অপরাহ্ণ

দুর্ঘটনা রোধ ও সড়ক ব্যবহারের বিষয়ে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে ট্রাফিক পুলিশ ও পুলিশ প্রশাসনকে গণসচেতনতা গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

বুধবার মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের একাংশের উদ্বোধন শেষে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। উদ্বোধনের পর পরই ফ্লাইওভারটির হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে সাতরাস্তা পর্যন্ত ২.১১ কিলোমিটার অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ পর্যন্ত এর সুবিধা পাচ্ছে। সমস্ত টেন্ডার কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেল কিনতে হলে তাকে ঢাকায় আসতে হচ্ছে না। সেখানে বসেই অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কিনতে পারছে, রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজধানীর মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে কাজ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ফ্লাইওভার তৈরিসহ নেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের উদ্যোগ। যাতায়াতে রাজধানীর মানুষকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা পোহাতে হয়। এসব সমস্যা দূর করে যানজটমুক্ত রাজধানী গড়ে তোলা হবে।

এসময় আলাদা রেল মন্ত্রণালয় করে দিয়ে রেলের যুগান্তকারী উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ই-টিকিটিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ঘরে বসেই একটি টিকিট কিনে যেকোনো স্থানে যাওয়া যাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন প্রমুখ।

Facebook Comments

দুর্ঘটনা রোধ ও সড়ক ব্যবহারের বিষয়ে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে ট্রাফিক পুলিশ ও পুলিশ প্রশাসনকে গণসচেতনতা গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

বুধবার মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের একাংশের উদ্বোধন শেষে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। উদ্বোধনের পর পরই ফ্লাইওভারটির হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে সাতরাস্তা পর্যন্ত ২.১১ কিলোমিটার অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ পর্যন্ত এর সুবিধা পাচ্ছে। সমস্ত টেন্ডার কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেল কিনতে হলে তাকে ঢাকায় আসতে হচ্ছে না। সেখানে বসেই অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কিনতে পারছে, রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজধানীর মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে কাজ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ফ্লাইওভার তৈরিসহ নেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের উদ্যোগ। যাতায়াতে রাজধানীর মানুষকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা পোহাতে হয়। এসব সমস্যা দূর করে যানজটমুক্ত রাজধানী গড়ে তোলা হবে।

এসময় আলাদা রেল মন্ত্রণালয় করে দিয়ে রেলের যুগান্তকারী উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ই-টিকিটিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ঘরে বসেই একটি টিকিট কিনে যেকোনো স্থানে যাওয়া যাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন প্রমুখ।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর