আজঃ ৩রা কার্তিক ১৪২৫ - ১৮ই অক্টোবর ২০১৮ - সকাল ১০:১৪

দিরাইয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যাকে “হত্যা” সাজিয়ে স্বামীকে ফাঁসানোর চেষ্টা

Published: আগ ০১, ২০১৮ - ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

প্রতিদিন ডেস্ক :: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা করিমপুর ইউনিয়নের হলিমপুর গ্রামের গৃহবধু ফারজানা বেগম (২৩)এর আত্মহত্যাকে হত্যা সাজিয়ে, ফারজানার পরিবার স্বামীকে ফাঁসানোর পয়চালা করছেন এমন অভিযোগ ফারজানার স্বামী প্রবাসী মিজানুর রহমানের।

মিজানুর রহমান বলেছেন , ১৪ জুন সন্ধ্যা ৭.১৫ থেকে ৭.৫০এর মধ্যে আমার স্ত্রী গলার ওড়না দিয়ে নিজ রুমের সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

দিরাই থানায় অপমৃত্যুর মামলা করি,কিন্তু আমার শাশুরী অন্যের প্ররোচনায় আমাকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং আমার বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগ তুলেন।

লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্টে ফারজানার আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ফারজানার পরিবার আমাকে হেয় করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তিনি বলেন আমি বিদেশ থেকে আমার স্ত্রীর দিরাই সোনালী ব্যাংক একাউন্টে (১০০০০৯৪৯৫) বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় ৬ লাখ টাকা পাঠাই।

আমার স্ত্রীর সরলতার সুযোগে আমার শশুর বাড়ির লোকজন এ টাকা আত্মসাৎ করে। মা ভাইয়ের প্রতারনার বিষয়টি সামাল দিতে না পেরে তাদের উপর অভিমান করে ফারজানা আত্মহত্যা করে।

বর্তমানে আমি আমার আড়াই বছরের একমাত্র সন্তান আদনান কে নিয়ে বিপদে আছি,আমার টাকা আত্মসাৎ করে আমার বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা যৌতুকের অভিযোগ হাস্যকর, আমি আমার শ্যালক সালমান, খালু সজিব ও খালা শশুরী হোসনেআরার বিরুদ্ধে ৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলা করেছি। প্রসঙ্গত ৪ বছর পূর্বে মিজানুর রহমান দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বড়মোহা গ্রামের সৌদি প্রবাসী বাবুল মিয়ার মেয়ে ফারজানাকে বিয়ে করেন।

Facebook Comments

প্রতিদিন ডেস্ক :: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা করিমপুর ইউনিয়নের হলিমপুর গ্রামের গৃহবধু ফারজানা বেগম (২৩)এর আত্মহত্যাকে হত্যা সাজিয়ে, ফারজানার পরিবার স্বামীকে ফাঁসানোর পয়চালা করছেন এমন অভিযোগ ফারজানার স্বামী প্রবাসী মিজানুর রহমানের।

মিজানুর রহমান বলেছেন , ১৪ জুন সন্ধ্যা ৭.১৫ থেকে ৭.৫০এর মধ্যে আমার স্ত্রী গলার ওড়না দিয়ে নিজ রুমের সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

দিরাই থানায় অপমৃত্যুর মামলা করি,কিন্তু আমার শাশুরী অন্যের প্ররোচনায় আমাকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং আমার বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগ তুলেন।

লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্টে ফারজানার আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ফারজানার পরিবার আমাকে হেয় করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তিনি বলেন আমি বিদেশ থেকে আমার স্ত্রীর দিরাই সোনালী ব্যাংক একাউন্টে (১০০০০৯৪৯৫) বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় ৬ লাখ টাকা পাঠাই।

আমার স্ত্রীর সরলতার সুযোগে আমার শশুর বাড়ির লোকজন এ টাকা আত্মসাৎ করে। মা ভাইয়ের প্রতারনার বিষয়টি সামাল দিতে না পেরে তাদের উপর অভিমান করে ফারজানা আত্মহত্যা করে।

বর্তমানে আমি আমার আড়াই বছরের একমাত্র সন্তান আদনান কে নিয়ে বিপদে আছি,আমার টাকা আত্মসাৎ করে আমার বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা যৌতুকের অভিযোগ হাস্যকর, আমি আমার শ্যালক সালমান, খালু সজিব ও খালা শশুরী হোসনেআরার বিরুদ্ধে ৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলা করেছি। প্রসঙ্গত ৪ বছর পূর্বে মিজানুর রহমান দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বড়মোহা গ্রামের সৌদি প্রবাসী বাবুল মিয়ার মেয়ে ফারজানাকে বিয়ে করেন।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর