আজঃ ২৬শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ২:৪৭

তাহিরপুরে রাস্তার কার্পেটিং এর কাজে চলছে ব্যাপক অনিয়ম

Published: নভে ১৪, ২০১৮ - ৪:১১ অপরাহ্ণ

তাহিরপুর সংবাদদাতা :: জেলার তাহিরপুর উপজেলার বিন্নাকুলি থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত রাস্তার কার্পেটিং এর কাজে চলছে ব্যাপক অনিয়ম। জানাযায়, এলজিইডি’র আইআরআইবিপি-২ প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি দুই লাখ টাকা ব্যায়ে বিন্নাকুলি থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত দেড় কিলো রাস্তার কার্পেটিং এর কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আবুল কাশেম জাকির।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক জাকির ও এলজিইডি’র এক কর্মকর্তা উপস্থিতি কাজে চলছে অনিয়ম। কার্পেটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে মাটি মিশ্রিত বালু, নিম্নমানের পাথর। এছাড়া ওয়ার্ক ওয়ার্ডারে ১২ ফুট প্রস্ত ও এক ইঞ্চি উচ্চতা রেখে কাজ করার কথা থাকলেও নির্দেশনা মানছেনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের দাবী, নামমাত্র কার্পেটিং এর কাজ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া ফন্দি আটছে অসাধু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। যে কাজ করতেছে তা দু’এক মাসের মধ্যে উঠে যাবে। সুষ্ঠভাবে কাজ করার দাবী জানাই।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কাসেম জাকির বলেন, আমি কোন অনিয়ম করছি না। সঠিকভাবেই কাজ করছি। এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমেদ বলেন, অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। যদি কাজে অনিয়ম হয়ে থাকে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিলেট প্রতিদিন/১৪নভেম্বর ২০১৮/জেকে

Facebook Comments

তাহিরপুর সংবাদদাতা :: জেলার তাহিরপুর উপজেলার বিন্নাকুলি থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত রাস্তার কার্পেটিং এর কাজে চলছে ব্যাপক অনিয়ম। জানাযায়, এলজিইডি’র আইআরআইবিপি-২ প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি দুই লাখ টাকা ব্যায়ে বিন্নাকুলি থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত দেড় কিলো রাস্তার কার্পেটিং এর কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আবুল কাশেম জাকির।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক জাকির ও এলজিইডি’র এক কর্মকর্তা উপস্থিতি কাজে চলছে অনিয়ম। কার্পেটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে মাটি মিশ্রিত বালু, নিম্নমানের পাথর। এছাড়া ওয়ার্ক ওয়ার্ডারে ১২ ফুট প্রস্ত ও এক ইঞ্চি উচ্চতা রেখে কাজ করার কথা থাকলেও নির্দেশনা মানছেনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের দাবী, নামমাত্র কার্পেটিং এর কাজ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া ফন্দি আটছে অসাধু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। যে কাজ করতেছে তা দু’এক মাসের মধ্যে উঠে যাবে। সুষ্ঠভাবে কাজ করার দাবী জানাই।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কাসেম জাকির বলেন, আমি কোন অনিয়ম করছি না। সঠিকভাবেই কাজ করছি। এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমেদ বলেন, অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। যদি কাজে অনিয়ম হয়ে থাকে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিলেট প্রতিদিন/১৪নভেম্বর ২০১৮/জেকে

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর