আজঃ ৮ই আশ্বিন ১৪২৫ - ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ - সকাল ৭:৪২

জাফর স্যার ইসলাম বিদ্বেষী হলে আমাদের চাকুরি হলো কিভাবে?

Published: মার্চ ০৬, ২০১৮ - ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক :অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ইসলাম বিদ্বেষী কিভাবে পড়ুন জানুন। শাবিপ্রবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি স্বপন অাহমদের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেয়া।

Sopon Ahmed এর ফেসবুক পোষ্টের কথাগুলো নিম্নে হুবহু তুলে ধরে হলো।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহিদুর রহমান স্যার আমার দেখা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে ধার্মিক মানুষ। কখনো নামাজ মিস দিতে দেখি নাই। পাঞ্জাবি, পায়জামা এবং টুপি ছাড়া কোনদিন দেখি নাই। শহিদ স্যার ছিলেন ড. জাফর ইকবাল স্যারের সরাসরি ছাত্র, ছিলেন সিএসই’র হেড এবং বর্তমানে আই আই সি টি এর পরিচালক। জাফর স্যারের ওপর হামলার পরের দিন শিক্ষকদের বিক্ষোভ সমাবেশে স্যারের ৩টা কথা আপনাদের জানার জন্যে দিলাম।

ভার্সিটিতে বিক্ষোভ সমাবেশে অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ শহিদুর রহমান বলেছেন- “আমাদের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমরা উনার কলিগরাই অনেকে মৌলানা, স্যার যদি ইসলাম বিদ্বেষী হতেন, আমাদের তো এখানে চাকরি ই হতোনা। স্যার কখনো আমাদের ধর্ম পালনে কোন বাধা দেননি”।

মিছিল শেষে সমাবেশে শহীদ স্যার একটা স্মৃতিচারণ করেছেন।
“জাফর স্যারের মায়ের মৃত্যুর আগে যে কয়দিন হাসপাতালে ছিলেন, তাতে উনার কয়েক ওয়াক্ত নামাজ মিস হয়েছে। মায়ের মৃত্যুর পরে জাফর স্যার নিজে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন- এই মিস হওয়া নামাজের কাফফারা/ফিদয়া কিভাবে দিতে হবে? আমি মুফতির কাছ থেকে মাসালা এনে স্যার কে জানিয়েছি। স্যার তখন টাকা দিয়ে ঐ ফিদয়া আদায় করেছেন। এবার আপনারা বলুন, একজন ধর্ম বিদ্বেষী মানুষ কি এগুলা কেয়ার করবে?”

শহীদ স্যার এরপর আরো একটি ঘটনা বর্ণনা করেন- ” একবার জাফর স্যার ভুল করে একই সময়ে দুইটা অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পস্থাছিলেন। আর বলছিলেন- আমি খোদার কাছে দোয়া করছি আমাকে এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচান। পরে ঘটনাক্রমে ঐদিন হরতাল হয়েছিল, স্যারকে কোথাও যেতে হয়নি। তো একজন নাস্তিক মানুষ কি আল্লাহর কাছে দোয়া করবে?”

স্বপন অাহমদ, সভাপতি, সাস্ট ক্যারিয়ার ক্লাব।

 

Facebook Comments

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক :অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ইসলাম বিদ্বেষী কিভাবে পড়ুন জানুন। শাবিপ্রবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি স্বপন অাহমদের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেয়া।

Sopon Ahmed এর ফেসবুক পোষ্টের কথাগুলো নিম্নে হুবহু তুলে ধরে হলো।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহিদুর রহমান স্যার আমার দেখা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে ধার্মিক মানুষ। কখনো নামাজ মিস দিতে দেখি নাই। পাঞ্জাবি, পায়জামা এবং টুপি ছাড়া কোনদিন দেখি নাই। শহিদ স্যার ছিলেন ড. জাফর ইকবাল স্যারের সরাসরি ছাত্র, ছিলেন সিএসই’র হেড এবং বর্তমানে আই আই সি টি এর পরিচালক। জাফর স্যারের ওপর হামলার পরের দিন শিক্ষকদের বিক্ষোভ সমাবেশে স্যারের ৩টা কথা আপনাদের জানার জন্যে দিলাম।

ভার্সিটিতে বিক্ষোভ সমাবেশে অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ শহিদুর রহমান বলেছেন- “আমাদের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমরা উনার কলিগরাই অনেকে মৌলানা, স্যার যদি ইসলাম বিদ্বেষী হতেন, আমাদের তো এখানে চাকরি ই হতোনা। স্যার কখনো আমাদের ধর্ম পালনে কোন বাধা দেননি”।

মিছিল শেষে সমাবেশে শহীদ স্যার একটা স্মৃতিচারণ করেছেন।
“জাফর স্যারের মায়ের মৃত্যুর আগে যে কয়দিন হাসপাতালে ছিলেন, তাতে উনার কয়েক ওয়াক্ত নামাজ মিস হয়েছে। মায়ের মৃত্যুর পরে জাফর স্যার নিজে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন- এই মিস হওয়া নামাজের কাফফারা/ফিদয়া কিভাবে দিতে হবে? আমি মুফতির কাছ থেকে মাসালা এনে স্যার কে জানিয়েছি। স্যার তখন টাকা দিয়ে ঐ ফিদয়া আদায় করেছেন। এবার আপনারা বলুন, একজন ধর্ম বিদ্বেষী মানুষ কি এগুলা কেয়ার করবে?”

শহীদ স্যার এরপর আরো একটি ঘটনা বর্ণনা করেন- ” একবার জাফর স্যার ভুল করে একই সময়ে দুইটা অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পস্থাছিলেন। আর বলছিলেন- আমি খোদার কাছে দোয়া করছি আমাকে এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচান। পরে ঘটনাক্রমে ঐদিন হরতাল হয়েছিল, স্যারকে কোথাও যেতে হয়নি। তো একজন নাস্তিক মানুষ কি আল্লাহর কাছে দোয়া করবে?”

স্বপন অাহমদ, সভাপতি, সাস্ট ক্যারিয়ার ক্লাব।

 

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর