আজঃ ১৪ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ - ২৭শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং - দুপুর ২:৩৩

জানে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জাফর ইকবালের উপর হামলাকারী কতজন!

Published: Mar 05, 2018 - 8:07 pm

অতিথি প্রতিবেদক:: জনপ্রিয় লেখক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুল হাসানকে হাতে নাতে আটক করা হলেও আসলে হামলাকারী কতজন তা এখনও জানাতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন হামলাকারী দু’জন ছিল। সরাসরি হামলায় অংশ নেয় ফয়জুর আর অপর ব্যক্তি হামলার পরপরই পালিয়ে গেছে।

তবে এখন পর্যন্ত এ হামলার পেছনে ফয়জুর একা না আরও কেউ জড়িত তা খুঁজে বের করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে এ হামলার ব্যাপারে এখনও অন্ধকারে রয়েছে প্রশাসন। ফয়জুর সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় সবাই।

এদিকে, হামলাকারীর নাম ফয়জুল হাসান ওরফে শফিকুর (২৪) । সে আহলে হাদিস বা সালাফি মতবাদে উদ্বুদ্ধ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তার কুয়েত প্রবাসী দুই চাচার প্রভাবে পুরো পরিবার মসজিদে ভিন্ন পদ্ধতিতে নামাজ পড়তেও শুরু করে। এনিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে সমস্যারও সৃষ্টি হয়।

ফয়জুরদের মূল বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের কালিয়ারকাপন গ্রামে। সে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শেখপাড়ার কাঁচা মঞ্জিলের স্বত্বাধিকারী হাফিজ আতিকুর রহমানের ছেলে।

ফয়জুর নগরের জিন্দাবাজারের রাজা ম্যানশনের দ্বিতীয় তলার মঈন কম্পিউটারে কর্মরত ছিল। তার বাবা শহরতলির টুকেরবাজার এলাকার শাহ খুররুম মখলিছিয়া হাফিজিয়া মহিলা মাদরাসার শিক্ষক। বড় ভাই এনামুল হাসান ঢাকায় থাকেন। আরেক ভাই আবুল হাসান কুয়েতপ্রবাসী। আর ছোট দুই বোন হাফসা বেগম ও হাবীবা বেগম মাদরাসায় পড়ে। হাফসা রশীদিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় আর হাবীবা বাবার মাদরাসায় পড়ে।

হামলাকারী ফয়জুর দিরাই ধল মাদরাসা থেকে দাখিল পাস করে। এরপর সিলেটে একটি মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষা দেয়। তবে কোন মাদরাসা থেকে পরীক্ষা দিয়েছে এ সম্পর্কে কেউ জানে না।

ফয়জুরের পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা ‘রহস্যজনক’। তারা কারও সঙ্গে মিশতো না। বাসা থেকেও খুব একটা বের হতো না। শুধু মসজিদে নামাজে যাওয়ার জন্য বের হয়। সবাই মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত। বড় ভাই হাফিজ হাসান আগে নগরের পাঠানটুলা জামেয়ায় পড়ালেখা করতো।

জানা গেছে, গ্রামের বাড়ির মসজিদে ভিন্ন পদ্ধতিতে নামাজ আদায় করতে গিয়ে মুসল্লিদের তোপের মুখে পড়েছিল ফয়জুর। একপর্যায়ে তাকে ও তার চাচাকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হয়। হামলাকারীর দুই চাচা আবদুল জাহার ও আবদুল সাদিক ২০ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েতে বসবাস করছেন। তার ভাই আবুল হাসান ছয় মাস আগে কুয়েত যান।

স্থানীয়রা জানান, দুই চাচা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে সালাফি মতবাদে বিশ্বাসী হয়ে পড়েন। তারপর থেকেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উগ্রভাব দেখা দেয়।

অন্যদিকে, রোববার বিকেলে এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, এ হামলার ঘটনা তদন্তে নেমেছে পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিট। তাদের একটি টিম রোববার সিলেটে এসেছে বলে জানা গেছে।

হামলার ঘটনায় পুলিশ ও র‌্যাব মিলে ফয়জুরসহ এ পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করেছে। রোববার রাতে ফয়জুরের বাবা-মাকে আটক করে পুলিশ। ফয়জুলকে আসামি করে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এখনও হামলার নেপথ্য কারণ উদঘাটন করতে না পারলেও জঙ্গিদের টার্গেট করেই এগোচ্ছে তদন্ত কার্যক্রম।
শনিবার মধ্যরাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, ফয়জুরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। নিজের নামও একেক সময় একেকটি বলছে। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ফয়জুর বলেছে, ‘জাফর ইকবাল ইসলামের শত্রু তাই তার ওপর হামলা করা হয়েছে।’

রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৯ এর প্রধান বলেন, ফয়জুর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী হয়েই সে এ হামলা চালিয়েছে। তবে ফয়জুর কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি-না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়াও বলেছেন, শনিবারের হামলা উগ্রবাদী গোষ্ঠির কাজ কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এছাড়া হামলার ধরন দেখে এটা জঙ্গিদের কাজ এমন আশঙ্কা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে অতীতে এ ধরনের বিভিন্ন হামলার পর বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠি অনলাইনে দায় স্বীকার করার খবর প্রকাশ পেলেও জাফর ইকবালের ওপর হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন স্বীকার করেনি।

উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে একটি অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালকে হত্যার চেষ্টা চালায় ফয়জুর। হামলার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হামলাকারীকে আটক করে। জাফর ইকবাল বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় রাজধানীর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন।

Facebook Comments

আরো খবর

বিয়ানীবাজারের ব্যবসায়ী সৈবনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার... বিয়ানিবাজার সংবাদদাতা::সিলেট-জকিগঞ্জ  সড়কের গাছতলা নামক এলাক...
গোলাপগঞ্জের এনাম সহ ১৬ আসামীর জামিন না মঞ্জুর জেল ... গোলাপগঞ্জের সংবাদদাতা::সিলেটের গোলাপগন্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনি...
আজ প্রয়াত জাতীয় নেতা সামাদ আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী... মো. মুন্না মিয়া :: বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভাষা সৈন...
রাগীব রাবেয়ায় ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন... সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া...
বালাগঞ্জে জাল স্বাক্ষরে অনুমোদিত স্কুল কমিটির তদন্... বালাগঞ্জ প্রতিনিধি:বালাগঞ্জে জাল স্বাক্ষরে স্কুল পরিচালনা কমিট...

অতিথি প্রতিবেদক:: জনপ্রিয় লেখক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুল হাসানকে হাতে নাতে আটক করা হলেও আসলে হামলাকারী কতজন তা এখনও জানাতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন হামলাকারী দু’জন ছিল। সরাসরি হামলায় অংশ নেয় ফয়জুর আর অপর ব্যক্তি হামলার পরপরই পালিয়ে গেছে।

তবে এখন পর্যন্ত এ হামলার পেছনে ফয়জুর একা না আরও কেউ জড়িত তা খুঁজে বের করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে এ হামলার ব্যাপারে এখনও অন্ধকারে রয়েছে প্রশাসন। ফয়জুর সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় সবাই।

এদিকে, হামলাকারীর নাম ফয়জুল হাসান ওরফে শফিকুর (২৪) । সে আহলে হাদিস বা সালাফি মতবাদে উদ্বুদ্ধ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তার কুয়েত প্রবাসী দুই চাচার প্রভাবে পুরো পরিবার মসজিদে ভিন্ন পদ্ধতিতে নামাজ পড়তেও শুরু করে। এনিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে সমস্যারও সৃষ্টি হয়।

ফয়জুরদের মূল বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের কালিয়ারকাপন গ্রামে। সে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শেখপাড়ার কাঁচা মঞ্জিলের স্বত্বাধিকারী হাফিজ আতিকুর রহমানের ছেলে।

ফয়জুর নগরের জিন্দাবাজারের রাজা ম্যানশনের দ্বিতীয় তলার মঈন কম্পিউটারে কর্মরত ছিল। তার বাবা শহরতলির টুকেরবাজার এলাকার শাহ খুররুম মখলিছিয়া হাফিজিয়া মহিলা মাদরাসার শিক্ষক। বড় ভাই এনামুল হাসান ঢাকায় থাকেন। আরেক ভাই আবুল হাসান কুয়েতপ্রবাসী। আর ছোট দুই বোন হাফসা বেগম ও হাবীবা বেগম মাদরাসায় পড়ে। হাফসা রশীদিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় আর হাবীবা বাবার মাদরাসায় পড়ে।

হামলাকারী ফয়জুর দিরাই ধল মাদরাসা থেকে দাখিল পাস করে। এরপর সিলেটে একটি মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষা দেয়। তবে কোন মাদরাসা থেকে পরীক্ষা দিয়েছে এ সম্পর্কে কেউ জানে না।

ফয়জুরের পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা ‘রহস্যজনক’। তারা কারও সঙ্গে মিশতো না। বাসা থেকেও খুব একটা বের হতো না। শুধু মসজিদে নামাজে যাওয়ার জন্য বের হয়। সবাই মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত। বড় ভাই হাফিজ হাসান আগে নগরের পাঠানটুলা জামেয়ায় পড়ালেখা করতো।

জানা গেছে, গ্রামের বাড়ির মসজিদে ভিন্ন পদ্ধতিতে নামাজ আদায় করতে গিয়ে মুসল্লিদের তোপের মুখে পড়েছিল ফয়জুর। একপর্যায়ে তাকে ও তার চাচাকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হয়। হামলাকারীর দুই চাচা আবদুল জাহার ও আবদুল সাদিক ২০ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েতে বসবাস করছেন। তার ভাই আবুল হাসান ছয় মাস আগে কুয়েত যান।

স্থানীয়রা জানান, দুই চাচা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে সালাফি মতবাদে বিশ্বাসী হয়ে পড়েন। তারপর থেকেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উগ্রভাব দেখা দেয়।

অন্যদিকে, রোববার বিকেলে এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, এ হামলার ঘটনা তদন্তে নেমেছে পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিট। তাদের একটি টিম রোববার সিলেটে এসেছে বলে জানা গেছে।

হামলার ঘটনায় পুলিশ ও র‌্যাব মিলে ফয়জুরসহ এ পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করেছে। রোববার রাতে ফয়জুরের বাবা-মাকে আটক করে পুলিশ। ফয়জুলকে আসামি করে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এখনও হামলার নেপথ্য কারণ উদঘাটন করতে না পারলেও জঙ্গিদের টার্গেট করেই এগোচ্ছে তদন্ত কার্যক্রম।
শনিবার মধ্যরাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, ফয়জুরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। নিজের নামও একেক সময় একেকটি বলছে। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ফয়জুর বলেছে, ‘জাফর ইকবাল ইসলামের শত্রু তাই তার ওপর হামলা করা হয়েছে।’

রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৯ এর প্রধান বলেন, ফয়জুর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী হয়েই সে এ হামলা চালিয়েছে। তবে ফয়জুর কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি-না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়াও বলেছেন, শনিবারের হামলা উগ্রবাদী গোষ্ঠির কাজ কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এছাড়া হামলার ধরন দেখে এটা জঙ্গিদের কাজ এমন আশঙ্কা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে অতীতে এ ধরনের বিভিন্ন হামলার পর বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠি অনলাইনে দায় স্বীকার করার খবর প্রকাশ পেলেও জাফর ইকবালের ওপর হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন স্বীকার করেনি।

উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে একটি অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালকে হত্যার চেষ্টা চালায় ফয়জুর। হামলার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হামলাকারীকে আটক করে। জাফর ইকবাল বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় রাজধানীর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন।

Facebook Comments

আরো খবর

বিয়ানীবাজারের ব্যবসায়ী সৈবনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার... বিয়ানিবাজার সংবাদদাতা::সিলেট-জকিগঞ্জ  সড়কের গাছতলা নামক এলাক...
গোলাপগঞ্জের এনাম সহ ১৬ আসামীর জামিন না মঞ্জুর জেল ... গোলাপগঞ্জের সংবাদদাতা::সিলেটের গোলাপগন্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনি...
আজ প্রয়াত জাতীয় নেতা সামাদ আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী... মো. মুন্না মিয়া :: বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভাষা সৈন...
রাগীব রাবেয়ায় ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন... সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া...
বালাগঞ্জে জাল স্বাক্ষরে অনুমোদিত স্কুল কমিটির তদন্... বালাগঞ্জ প্রতিনিধি:বালাগঞ্জে জাল স্বাক্ষরে স্কুল পরিচালনা কমিট...
error: কপি করবেন না, ধন্যবাদ