আজঃ ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ - রাত ১২:৪২

ছেলেরা খুবই ভালো খেলেছে: বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে

Published: সেপ্টে ০৪, ২০১৮ - ১০:০৭ অপরাহ্ণ

ক্রীড়া ডেস্ক :: ভুটানকে হারিয়ে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর পর শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসালেন জেমি ডে। জয়টা ভীষণ দরকার ছিল জানিয়ে বাংলাদেশ কোচ বললেন, ভুটানের বিপক্ষে ‘খুবই ভালো’ খেলেছে তপু-সুফিলরা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি থেকে তপু বর্মন দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মাহবুবুর রহমান সুফিল।

২০১৬ সালের অক্টোবরে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে ওঠার প্লে-অফে ভুটানের মাঠে হেরেছিল বাংলাদেশ। নিজেদের মাঠে জিতে প্রতিশোধ নিল দল। কোচ অবশ্য বরাবরের মতোই জানালেন অতীত নিয়ে না ভাবার কথা।

“আমি খুব খুশি। ছেলেরা খুব ভালো খেলেছে। তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং এই জয় তাদের প্রাপ্য। জেতাটা কঠিন ছিল; কিন্তু এই জয় আমাদের খুব দরকার ছিল।”

“আমাদেরকে অতীত ভুলে যেতে হবে। ভুটানের ওই ম্যাচ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। এটা নতুন দল। সবকিছুই নতুন।”

২৫তম মিনিটে ডিফেন্ডার টুটুল হোসেন বাদশার ভুলে ডি-বক্সের ভেতরে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন চেনচো গাইয়েলতসেন। ভুটানের এই ফরোয়ার্ডের শট পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ডে অবশ্য বাদশার সমালোচনা করেননি, “ডিফেন্স মনোযোগ হারায়নি।”

বাদশার ওই ভুলের প্রসঙ্গ টেনে ভুটান কোচ ট্রেভর মরগ্যান অবশ্য হতাশার কথা জানান ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে।

“আমরা ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধেও শুরুতে গোল খেলাম। আবার ওদের রক্ষণের ভুলে আমাদের চেনচো সুযোগ পেয়েছিল; কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ওরা সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। যোগ্য দল হিসেবে বাংলাদেশ জিতেছে। তবে আমরা হারলেও ম্যাচে লড়াই হয়েছে।”

দীর্ঘদিন পর বঙ্গবন্ধুর গ্যালারিতে ফিরল দর্শক। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হওয়া মাশুক মিয়া জনি সংবাদ সম্মেলনে দর্শকদের ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি।

“অনেক দিন পর মাঠে দর্শক এসেছিল। তারা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ। এখন আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ জয়ের চেষ্টা করব।”

“ভুটানে হেরে যাওয়ার পর আমাদের ফুটবল একটু পিছিয়ে পড়েছিল। এ জয়টা তাই আমাদের স্বস্তি এনে দিয়েছে।”

Facebook Comments

ক্রীড়া ডেস্ক :: ভুটানকে হারিয়ে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর পর শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসালেন জেমি ডে। জয়টা ভীষণ দরকার ছিল জানিয়ে বাংলাদেশ কোচ বললেন, ভুটানের বিপক্ষে ‘খুবই ভালো’ খেলেছে তপু-সুফিলরা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি থেকে তপু বর্মন দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মাহবুবুর রহমান সুফিল।

২০১৬ সালের অক্টোবরে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে ওঠার প্লে-অফে ভুটানের মাঠে হেরেছিল বাংলাদেশ। নিজেদের মাঠে জিতে প্রতিশোধ নিল দল। কোচ অবশ্য বরাবরের মতোই জানালেন অতীত নিয়ে না ভাবার কথা।

“আমি খুব খুশি। ছেলেরা খুব ভালো খেলেছে। তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং এই জয় তাদের প্রাপ্য। জেতাটা কঠিন ছিল; কিন্তু এই জয় আমাদের খুব দরকার ছিল।”

“আমাদেরকে অতীত ভুলে যেতে হবে। ভুটানের ওই ম্যাচ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। এটা নতুন দল। সবকিছুই নতুন।”

২৫তম মিনিটে ডিফেন্ডার টুটুল হোসেন বাদশার ভুলে ডি-বক্সের ভেতরে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন চেনচো গাইয়েলতসেন। ভুটানের এই ফরোয়ার্ডের শট পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ডে অবশ্য বাদশার সমালোচনা করেননি, “ডিফেন্স মনোযোগ হারায়নি।”

বাদশার ওই ভুলের প্রসঙ্গ টেনে ভুটান কোচ ট্রেভর মরগ্যান অবশ্য হতাশার কথা জানান ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে।

“আমরা ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধেও শুরুতে গোল খেলাম। আবার ওদের রক্ষণের ভুলে আমাদের চেনচো সুযোগ পেয়েছিল; কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ওরা সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। যোগ্য দল হিসেবে বাংলাদেশ জিতেছে। তবে আমরা হারলেও ম্যাচে লড়াই হয়েছে।”

দীর্ঘদিন পর বঙ্গবন্ধুর গ্যালারিতে ফিরল দর্শক। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হওয়া মাশুক মিয়া জনি সংবাদ সম্মেলনে দর্শকদের ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি।

“অনেক দিন পর মাঠে দর্শক এসেছিল। তারা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ। এখন আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ জয়ের চেষ্টা করব।”

“ভুটানে হেরে যাওয়ার পর আমাদের ফুটবল একটু পিছিয়ে পড়েছিল। এ জয়টা তাই আমাদের স্বস্তি এনে দিয়েছে।”

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর