মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

চেয়ারম্যান বিল্লালের মামলায় চেয়ারম্যান সাহেলসহ ৭ জনের ২ বছরের সাজা

চেয়ারম্যান বিল্লালের মামলায় চেয়ারম্যান সাহেলসহ ৭ জনের ২ বছরের সাজা

সিলেট প্রতিদিন প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকের খুরমা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ’র মামলায় সিংচাপইড় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন মো. সাহেল সহ ৭ জনের ২ বছরের সাজা প্রদান করেছেন আদালত।

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার আইনের বিচারক এ সাজা প্রদান করেন।

চেয়ারম্যান বিল্লাল গত ১৩ আগস্ট ছাতক থানায় এ মামলা করেন। যার নং- ১৫, তাং- ১৩/০৮/২০১৮ইং।

এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ব্যক্তিরা হলেন- উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের আবুল বশরের পুত্র আবুল হাছনাত, গহরপুর গ্রামের আলকাছ আলী ময়নার পুত্র বাবুল মিয়া, কালিপুর গ্রামের আলতাব আলীর পুত্র জসিম উদ্দিন, কালিপুর গ্রামের আব্দুল করিমের পুত্র আবুল খয়ের ও সাতগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের পুত্র শাহিন মিয়া।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়- গত ১০ আগস্ট ছাতক উপজেলা পরিষদের ৩য় তলায় মাসিক সমন্বয় সভা ছিল। সভা শেষে দুপুর আড়াইটায় চেয়ারম্যান সাহেল সহ তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে খুরমা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদের উপর হামলা চালায়। সাহেলের নেতৃত্বে অপর আসামীরা চাইনিজ কুড়াল, রামদা, লোহার পাইপ, ধারালো খুর, রড, পাইপগান দিয়ে বিল্লাল আহমদকে এলোপাথাড়ি মারপিট করতে থাকে। একসময় সন্ত্রাসীদের আঘাতে বিল্লাল আহমদ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার শুর চিৎকার শুনে মামলার সাক্ষী বাবুল রায়ও মোহাম্মদ আলী এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা করে সন্ত্রাসীরা। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদের পকেট থেকে নগদ পঞ্চান্ন হাজার পাঁচশত ও এজাহারে বর্ণিত ৯নং সাক্ষী হাবিবুর রহমানের পকেট থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এরপর হামলাকারীরা ছাতক বাজারস্থ তাহের প্লাজার সামনে গিয়ে আনন্দ মিছিল করতে থাকে। তারা সেখানে আবারও চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ ও সাক্ষীদের উপর হামলা করে। পরে হামলায় আহতদের স্থানীয়রা ছাতক হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ পাবলিক প্রসিকিউটর ড. খায়রুল কবির রুমেন।

তিনি সিলেটপ্রতিদিনকে জানিয়েছেন- দ্রুত বিচার আইনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান সাহেলসহ ৭ জনকে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে লাঞ্ছিত করায় চলতি বছরের ১৫জুলাই থাকে ইউপি চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন





© All rights reserved © 2019 sylhetprotidin24