আজঃ ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ - ১১ই ডিসেম্বর ২০১৮ - রাত ১১:১৫

গোয়াইনঘাটে আত্মসাৎ’র ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানের অফিস তালাবদ্ধ

Published: অক্টো ০৩, ২০১৮ - ৬:২৭ অপরাহ্ণ

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৯নং ডৌবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল কর্তৃক। সরকারের টিআর, কাবিখা, কাবিটা, এলজিএসপি, বয়স্ক ভাতা, ভিজিডি উপকার ভূগি ৯৫ জন মহিলার ৯মাসের ১লক্ষ ৭১হাজার টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের দিত্বীয় পর্যায়ের ইজিপি বরাদ্ব ক্রমিক নং ৭০, হাতিরপাড়া মানিকগঞ্জ রাস্থার মূখ হইতে রহা মাদ্রাসা হইতে বরইতলা গ্রামের রাস্থা নির্মান বাবৎ ৪লক্ষ ৪০হাজার টাকা সমুদয়। বিগত ০৭/০৪/১৭ ইং তারিখের স্বারক নং ৪৬৯(ক)’র ১% এর প্রাপ্ত বরাদ্ব ১লক্ষ ৫০হাজার টাকা। এমনকি গ্রাম্য বিভিন্ন বিচারের (মুসলেকা) আমানত এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ধার করা টাকা নিয়ে দির্ঘ দিন থেকে আত্মগোপনে থাকার কারনে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন থেকে যথাসময়ে অফিস কার্যালয়ে চেয়ারম্যান না থাকায় ইউনিয়নের দুর-দূরান্ত থেকে আসা ভুক্তভোগী এবং এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তালাবদ্ধ দিয়েছে ইউপি কার্যালয়। যার কারনে নানাবিদ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে এ এলাকার সাধারণ জনগন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন থেকে ইউয়িন পরিষদ তালাবদ্ধ রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল। যার কারনে সাধারণ নাগরিকদের বিড়ম্বনার অন্তনেই। এলাকাবাসী আরোও জানান,চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরথেকে সরকারের নানা সময়ে বরাদ্ধকৃত বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগে রয়েছে তার উপর। ইতিপুর্বে চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল’র দ্রুত অপসারণ ও সরকারী টাকা আত্মসাৎ’র দায়ে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে বিক্ষোভ,মানববন্ধন,প্রতিবাদ সভা এবং প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে এলাকাবাসি। চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহালের একের পর এক লাগামহীন দুর্নীতির কারণে পুরো ইউনিয়ন যেনমুখ থুবড়ে পড়ছে। দুর্নীতিবাজ এ চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।

বিগত ৫সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল’র উপর এলাকাবাসীর দায়েরকৃত একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ১০সেপ্টেম্বর ৫সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্তকারী দল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সিলেট সহকারী কমিশনার খোশনূর রুবাইয়াৎ’র স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে তিনি বলেন,আত্মসাৎ,দূর্নীতি ও সরকারী তহবিল তসফুরের উদ্দেশ্যে টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। এমনকি সরকারী অর্থ তসফুরের বিধি/প্রবিধি বা ম্যানুয়েল অনুসারে শাস্থিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে তিনি একটি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ইউনিয়ন অফিস তালাবদ্ধ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল’র সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, এলাকার সাধারণ জনগন চেয়াম্যান আরিফ ইকবাল নেহালের উপর ক্ষোব্ধ হয়ে ইউনিয়ন অফিস তালাবদ্ধ করে রেখেছে। এমন ঘটনার খবর পেয়ে আমি এলাবাসীর সাথে কথা বলেছি। যেহেতু চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল আত্মগোপনে রয়েছে তাই প্যানেল চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনকে দ্বায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৯নং ডৌবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল কর্তৃক। সরকারের টিআর, কাবিখা, কাবিটা, এলজিএসপি, বয়স্ক ভাতা, ভিজিডি উপকার ভূগি ৯৫ জন মহিলার ৯মাসের ১লক্ষ ৭১হাজার টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের দিত্বীয় পর্যায়ের ইজিপি বরাদ্ব ক্রমিক নং ৭০, হাতিরপাড়া মানিকগঞ্জ রাস্থার মূখ হইতে রহা মাদ্রাসা হইতে বরইতলা গ্রামের রাস্থা নির্মান বাবৎ ৪লক্ষ ৪০হাজার টাকা সমুদয়। বিগত ০৭/০৪/১৭ ইং তারিখের স্বারক নং ৪৬৯(ক)’র ১% এর প্রাপ্ত বরাদ্ব ১লক্ষ ৫০হাজার টাকা। এমনকি গ্রাম্য বিভিন্ন বিচারের (মুসলেকা) আমানত এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ধার করা টাকা নিয়ে দির্ঘ দিন থেকে আত্মগোপনে থাকার কারনে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন থেকে যথাসময়ে অফিস কার্যালয়ে চেয়ারম্যান না থাকায় ইউনিয়নের দুর-দূরান্ত থেকে আসা ভুক্তভোগী এবং এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তালাবদ্ধ দিয়েছে ইউপি কার্যালয়। যার কারনে নানাবিদ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে এ এলাকার সাধারণ জনগন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন থেকে ইউয়িন পরিষদ তালাবদ্ধ রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল। যার কারনে সাধারণ নাগরিকদের বিড়ম্বনার অন্তনেই। এলাকাবাসী আরোও জানান,চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরথেকে সরকারের নানা সময়ে বরাদ্ধকৃত বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগে রয়েছে তার উপর। ইতিপুর্বে চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল’র দ্রুত অপসারণ ও সরকারী টাকা আত্মসাৎ’র দায়ে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে বিক্ষোভ,মানববন্ধন,প্রতিবাদ সভা এবং প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে এলাকাবাসি। চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহালের একের পর এক লাগামহীন দুর্নীতির কারণে পুরো ইউনিয়ন যেনমুখ থুবড়ে পড়ছে। দুর্নীতিবাজ এ চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।

বিগত ৫সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল’র উপর এলাকাবাসীর দায়েরকৃত একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ১০সেপ্টেম্বর ৫সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্তকারী দল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সিলেট সহকারী কমিশনার খোশনূর রুবাইয়াৎ’র স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদনে তিনি বলেন,আত্মসাৎ,দূর্নীতি ও সরকারী তহবিল তসফুরের উদ্দেশ্যে টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। এমনকি সরকারী অর্থ তসফুরের বিধি/প্রবিধি বা ম্যানুয়েল অনুসারে শাস্থিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে তিনি একটি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ইউনিয়ন অফিস তালাবদ্ধ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল’র সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, এলাকার সাধারণ জনগন চেয়াম্যান আরিফ ইকবাল নেহালের উপর ক্ষোব্ধ হয়ে ইউনিয়ন অফিস তালাবদ্ধ করে রেখেছে। এমন ঘটনার খবর পেয়ে আমি এলাবাসীর সাথে কথা বলেছি। যেহেতু চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল আত্মগোপনে রয়েছে তাই প্যানেল চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনকে দ্বায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments

এ জাতীয় আরো খবর